সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

কাউন্সিলর আজাদুর রহমান ও যুবলীগ নেতা শমসের আলীর বাসায় হামলায় থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান ও যুবলীগ নেতা শমসের আলীর বাসায় হামলায় থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আসামীরা হলেন, কল্যাণপুরের মৃত শেখ মখন মিয়ার ছেলে শেখ নজরুল ইসলাম বিজয় (৩০), আলম মিয়ার ছেলে সুহেল (৩২), শেখ কবির উরফে সম্রাট করিবের ছেলে রাব্বি (২২) ও শেখ রুহিত (২০),  মো. মান্নান মিয়ার ছেলে তারেক আহমদ (৩১), শাপলাবাগের সাজ্জাদ মিয়ার ছেলে ছামাদ আহমদ (২২), আব্দুর রহিম মল্লিকের ছেলে  ফুজায়েল মল্লিক (২০), মিনহাজের ছেলে ইয়াকীন (২০), নাসির (২৩), মহিন মিয়ার ছেলে মুছা খান তপু (২১), কুশিঘাটের বাছিরের ছেলে শাওন (২৩), ভাটাটিকরের  আমিন উদ্দিনের ছেলে রিয়াজুল, মোহাম্মদপুরের মৃত মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. রাহেল উদ্দিন রাবেন, জসিম মিয়ার ছেলে বোরহান (২৫)।

অভিযোগে আজাদুর উল্লেখ করেন, আসামীরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ত্রাস সৃষ্টিকারী ও জবর দখলকারী। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপকর্ম করায় স্থানীয় নিরীহ জনগণ আমার নিকট বিচার  চাইলে আমি আসামীদের বিচার ও তাহাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেই। এতে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করে ও তাঁর বাসায় হামলা করে।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১ টার দিকে রাতের খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমানোর সময় বাসার সামনে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পান আজাদুর রহমান। পরে  দেখতে পান যে অভিযুক্তরা পেট্রল ভর্তি জারিক্যান, আগ্নোয়াস্ত্র, মশাল, হকিস্টিক, রামদা, লোহার পাইপসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আজাদুর রহমানের বাসার সামনে  মারমুখী অবস্থান নিয়েছে। এসবের কারণ  জিজ্ঞেস করায় তাঁরা হাল্লা চিৎকার দিয়ে আজাদুরকে বলেন, ‘আমরা তোর জম, আজ তর জীবনের শেষ দিন’। এ কথা বলেই এলোপাতাড়িভাবে বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন অভিযুক্তরা। এতে বাসার প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে৷ হামলার একপর্যায়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে আসলে আসামীরা গুলিবর্ষণ করতে করতে এলাকা ত্যাগ করে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, যাওয়ার সময় আসামীরা আজাদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে বাসায় হামলা, চাঁদাবাজি, প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাটসহ কয়েকটি কারণে থানায় আরেকটি অভিযোগ দিয়েছেন  সিলেট মহানগর যুবলীগের সদস্য শমসের আলী সার (৪৫)। এতে ১৮ জনের নামউল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর আজাদুর রহমানের ঘটনাতেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

যুবলীগ নেতার অভিযোগপত্রে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন শেখ নজরুল ইসলাম বিজয় (৩০), ছামাদ আহমদ (২২), রাব্বি (২২), রিয়াজুল (২৪),  ফুজায়েল মল্লিক (২০), ইয়াকীন (২০), সুহেল (৩২), বোরহান (২৫), নাসির (২৩), মো. রাহেল উদ্দিন রাবেন (৩২), তারেক আহমদ (৩১), মুছা খান তপু (২১), শাওন (২৩), শেখ রুহিত (২০), হারুনুর ইসলাম (২০), সাব্বির (২১), সাইফুল ইসলাম ছফু (৩৭)।

অভিযোগপত্রে যুবলীগ নেতা শমসের আলী উল্লেখ করেন, আসামীগণ এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, স্ত্রাস সৃষ্টিকারী, জবর দখলকারী। আমি আমার বাড়ীসংলগ্ন বোরহান উদ্দিন রোডে আবীর ভ্যারাইটিজ স্টোর নাম দোকান দিয়ে ভুষি মালের ব্যবসা করছি। গত ২৬ জুন দুপুরে আসামীরা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি আসামীদের অন্যায়ভাবে চাঁদা দাবীর প্রত্যখান করিলে আসামীরা আমাকে প্রাণেনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়৷ এরপর ২৭ জুন রাত পৌনে ১২টার সময় হাতে আগ্নোয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ আমার বাসা ও দোকানে জোরে প্রবেশ করেন আসামীরা৷ তারা আমার নিকট পূর্বের দাবীকৃত ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আগ্নোয়াস্ত্র দিয়ে আমার মাথায়, পিঠে, বুকে ও পায়ে টেকাইয়া গুলি করে হত্যার ভয় দেখায়।  তখন আমার কাছে টাকা নাই বলে অনুনয় বিনয় করি। এসময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে আমার বাসায় ও দোকানে এলোপাতাড়ীভাবে আঘাত করে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধণ করে। আমার দোকানে ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ৩৬ হাজার টাকাসহ খুচরা টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। দোকানে থাকা দুধ, বিস্কুট, বিভিন্ন ব্যান্ডের সিগারেটসহ ২ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করে তারা।

একইসঙ্গে আসামীগণ আমার বাসার ভিতরে প্রবেশ করে ভাংচুর করার পর স্ত্রীর বুকে পিস্তল ধরে তার গলা হতে এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়।এছাড়া আলমারিতে থাকা নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার, স্ত্রীর রক্ষিত ৫ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার লুটপাট করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়৷ একইসঙ্গে বাসার অন্য সদস্যদের এলোপাতাড়ীভাবে মারপিট করেন আসামীরা।

দুই ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। দুইটি পৃথক অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহপরাণ থানার ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাউন্সিলর আজাদুর রহমান ও যুবলীগ নেতা শমসের আলীর বাসায় হামলায় থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় : ১০:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান ও যুবলীগ নেতা শমসের আলীর বাসায় হামলায় থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আসামীরা হলেন, কল্যাণপুরের মৃত শেখ মখন মিয়ার ছেলে শেখ নজরুল ইসলাম বিজয় (৩০), আলম মিয়ার ছেলে সুহেল (৩২), শেখ কবির উরফে সম্রাট করিবের ছেলে রাব্বি (২২) ও শেখ রুহিত (২০),  মো. মান্নান মিয়ার ছেলে তারেক আহমদ (৩১), শাপলাবাগের সাজ্জাদ মিয়ার ছেলে ছামাদ আহমদ (২২), আব্দুর রহিম মল্লিকের ছেলে  ফুজায়েল মল্লিক (২০), মিনহাজের ছেলে ইয়াকীন (২০), নাসির (২৩), মহিন মিয়ার ছেলে মুছা খান তপু (২১), কুশিঘাটের বাছিরের ছেলে শাওন (২৩), ভাটাটিকরের  আমিন উদ্দিনের ছেলে রিয়াজুল, মোহাম্মদপুরের মৃত মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. রাহেল উদ্দিন রাবেন, জসিম মিয়ার ছেলে বোরহান (২৫)।

অভিযোগে আজাদুর উল্লেখ করেন, আসামীরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ত্রাস সৃষ্টিকারী ও জবর দখলকারী। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপকর্ম করায় স্থানীয় নিরীহ জনগণ আমার নিকট বিচার  চাইলে আমি আসামীদের বিচার ও তাহাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেই। এতে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করে ও তাঁর বাসায় হামলা করে।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১ টার দিকে রাতের খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমানোর সময় বাসার সামনে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পান আজাদুর রহমান। পরে  দেখতে পান যে অভিযুক্তরা পেট্রল ভর্তি জারিক্যান, আগ্নোয়াস্ত্র, মশাল, হকিস্টিক, রামদা, লোহার পাইপসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আজাদুর রহমানের বাসার সামনে  মারমুখী অবস্থান নিয়েছে। এসবের কারণ  জিজ্ঞেস করায় তাঁরা হাল্লা চিৎকার দিয়ে আজাদুরকে বলেন, ‘আমরা তোর জম, আজ তর জীবনের শেষ দিন’। এ কথা বলেই এলোপাতাড়িভাবে বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন অভিযুক্তরা। এতে বাসার প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে৷ হামলার একপর্যায়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে আসলে আসামীরা গুলিবর্ষণ করতে করতে এলাকা ত্যাগ করে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, যাওয়ার সময় আসামীরা আজাদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে বাসায় হামলা, চাঁদাবাজি, প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাটসহ কয়েকটি কারণে থানায় আরেকটি অভিযোগ দিয়েছেন  সিলেট মহানগর যুবলীগের সদস্য শমসের আলী সার (৪৫)। এতে ১৮ জনের নামউল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর আজাদুর রহমানের ঘটনাতেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

যুবলীগ নেতার অভিযোগপত্রে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন শেখ নজরুল ইসলাম বিজয় (৩০), ছামাদ আহমদ (২২), রাব্বি (২২), রিয়াজুল (২৪),  ফুজায়েল মল্লিক (২০), ইয়াকীন (২০), সুহেল (৩২), বোরহান (২৫), নাসির (২৩), মো. রাহেল উদ্দিন রাবেন (৩২), তারেক আহমদ (৩১), মুছা খান তপু (২১), শাওন (২৩), শেখ রুহিত (২০), হারুনুর ইসলাম (২০), সাব্বির (২১), সাইফুল ইসলাম ছফু (৩৭)।

অভিযোগপত্রে যুবলীগ নেতা শমসের আলী উল্লেখ করেন, আসামীগণ এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, স্ত্রাস সৃষ্টিকারী, জবর দখলকারী। আমি আমার বাড়ীসংলগ্ন বোরহান উদ্দিন রোডে আবীর ভ্যারাইটিজ স্টোর নাম দোকান দিয়ে ভুষি মালের ব্যবসা করছি। গত ২৬ জুন দুপুরে আসামীরা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি আসামীদের অন্যায়ভাবে চাঁদা দাবীর প্রত্যখান করিলে আসামীরা আমাকে প্রাণেনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়৷ এরপর ২৭ জুন রাত পৌনে ১২টার সময় হাতে আগ্নোয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ আমার বাসা ও দোকানে জোরে প্রবেশ করেন আসামীরা৷ তারা আমার নিকট পূর্বের দাবীকৃত ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আগ্নোয়াস্ত্র দিয়ে আমার মাথায়, পিঠে, বুকে ও পায়ে টেকাইয়া গুলি করে হত্যার ভয় দেখায়।  তখন আমার কাছে টাকা নাই বলে অনুনয় বিনয় করি। এসময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে আমার বাসায় ও দোকানে এলোপাতাড়ীভাবে আঘাত করে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধণ করে। আমার দোকানে ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ৩৬ হাজার টাকাসহ খুচরা টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। দোকানে থাকা দুধ, বিস্কুট, বিভিন্ন ব্যান্ডের সিগারেটসহ ২ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করে তারা।

একইসঙ্গে আসামীগণ আমার বাসার ভিতরে প্রবেশ করে ভাংচুর করার পর স্ত্রীর বুকে পিস্তল ধরে তার গলা হতে এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়।এছাড়া আলমারিতে থাকা নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার, স্ত্রীর রক্ষিত ৫ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার লুটপাট করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়৷ একইসঙ্গে বাসার অন্য সদস্যদের এলোপাতাড়ীভাবে মারপিট করেন আসামীরা।

দুই ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। দুইটি পৃথক অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহপরাণ থানার ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।