সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল এমএসএফের প্রতিবেদন জুলাইয়ে বেড়েছে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা সিলেটে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ ফোরামের আলোচনা সভা সম্পন্ন ‘ইউথহাব সিলেট’র উদ্যোগে অসহায়দের মধ্যে খাবার বিতরণ এসপিএসের তৃতীয় জাতীয় আলোকচিত্র প্রদর্শনী সিলেট-সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ রেলপথ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আত্ম প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ‘‌জাতীয় অতিথি ও প্রশাসনের অংশগ্রহণে রথযাত্রা মহামিলনমেলায় পরিণত’ সরকারে ৫ মাসেই তারেক রহমান, দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছেন- সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

স্বীকারোক্তিতে যা বললো কিশোর আলীর চার‘খুনি’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪ ১২০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :

এলাকায় দাপট নিয়ে ফোনে গালিগালাজ থেকে বিরোধের সূত্রপাত। এর জের ধরে মারধর। পরে মারধরের প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় সিলেট মহানগরের ছড়ারপাড়ের বাসিন্দা কিশোর মো. আলী নিশাকে (১৭)।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের রবিবার (৫ মে) সন্ধ্যায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে মো. আলী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্য।সিলেট মহানগর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল মোমেনের আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।নিহত মো. আলী কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুরের নূর আলীর ছেলে। পরিবারের সঙ্গে সে মহানগরের ছড়ারপাড়ের একটি কলোনিতে বসবাস করতো।

আদালতে স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার জামলাবাজ গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়া (২০), কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার মজলিশপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেল নূরনবী নুনু (১৯) ও একই থানার নোয়াহাটা গ্রামের নুর জামাল মিয়ার ছেলে রাহিম আহমদ (১৯) এবং হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার বগি গ্রামের জাকারিয়া মিয়ার ছেলে সাকিব আহমদ (১৯)। তাদের সবাই বর্তমানে ছড়ারপারের বিভিন্ন কলোনিতে থাকেন।

আদালতের বরাত দিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের কে বলেন, চার আসামির মধ্যে ফরহাদ জানিয়েছে- সে নিজে মো. আলীকে ছুরিকাঘাত করেছে। সে জানায়- কিছু দিন আগে ফরহাদের এক বন্ধুকে মো. আলী ফোন করে গালিগালাজ করে। এ নিয়ে আলীর সঙ্গে ফরহাদের বাগবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের দুটি গ্রুপে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এরই মধ্যে মো. আলী কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে ফরহাদকে মারধর করে। এরপর থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা নেয় ফরহাদ এবং গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জন্মদিনের কেক কাটার কথা বলে আলীর ৩ বন্ধুকে দিয়ে তাকে ডেকে নেয় ফরহাদ। এরপর ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় তাকে।

এ ঘটনায় মো. আলীর মা সফিনা খাতুন বাদি হয়ে ফরহাদকে প্রধান আসামী করে ১১ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন। গত শনিবার দিবাগত রাতে হবিগঞ্জের বানিয়াচং থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্বীকারোক্তিতে যা বললো কিশোর আলীর চার‘খুনি’

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :

এলাকায় দাপট নিয়ে ফোনে গালিগালাজ থেকে বিরোধের সূত্রপাত। এর জের ধরে মারধর। পরে মারধরের প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় সিলেট মহানগরের ছড়ারপাড়ের বাসিন্দা কিশোর মো. আলী নিশাকে (১৭)।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের রবিবার (৫ মে) সন্ধ্যায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে মো. আলী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্য।সিলেট মহানগর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল মোমেনের আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।নিহত মো. আলী কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুরের নূর আলীর ছেলে। পরিবারের সঙ্গে সে মহানগরের ছড়ারপাড়ের একটি কলোনিতে বসবাস করতো।

আদালতে স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার জামলাবাজ গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়া (২০), কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার মজলিশপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেল নূরনবী নুনু (১৯) ও একই থানার নোয়াহাটা গ্রামের নুর জামাল মিয়ার ছেলে রাহিম আহমদ (১৯) এবং হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার বগি গ্রামের জাকারিয়া মিয়ার ছেলে সাকিব আহমদ (১৯)। তাদের সবাই বর্তমানে ছড়ারপারের বিভিন্ন কলোনিতে থাকেন।

আদালতের বরাত দিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের কে বলেন, চার আসামির মধ্যে ফরহাদ জানিয়েছে- সে নিজে মো. আলীকে ছুরিকাঘাত করেছে। সে জানায়- কিছু দিন আগে ফরহাদের এক বন্ধুকে মো. আলী ফোন করে গালিগালাজ করে। এ নিয়ে আলীর সঙ্গে ফরহাদের বাগবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের দুটি গ্রুপে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এরই মধ্যে মো. আলী কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে ফরহাদকে মারধর করে। এরপর থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা নেয় ফরহাদ এবং গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জন্মদিনের কেক কাটার কথা বলে আলীর ৩ বন্ধুকে দিয়ে তাকে ডেকে নেয় ফরহাদ। এরপর ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় তাকে।

এ ঘটনায় মো. আলীর মা সফিনা খাতুন বাদি হয়ে ফরহাদকে প্রধান আসামী করে ১১ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন। গত শনিবার দিবাগত রাতে হবিগঞ্জের বানিয়াচং থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।