সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান স্মরণসভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট চেম্বারের প্রশাসকের সাথে ভারত থেকে আগত বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদের সহযোগী জয়নাল গ্রেপ্তার সিলেটে ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ, অধ্যক্ষ শিক্ষক আন্দোলনে উত্তাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ৭ হাজার কেজি ভারতীয় পণ্যসহ আটক ২ সিলেটে দুই বেকারিতে অভিযান, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটে অনিয়ম-অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫৩৬ মামলায় জরিমানা ২৪ লাখ সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ:) মাজারে ৩ পদে চাকরির সুযোগ সিলেটে সেমিনারে সিসিক প্রশাসক সিলেট থেকে শুরু ‘রবি বোলারহান্ট’-এর ট্রায়াল শুরু

ময়দানে একসঙ্গে ৬ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

 ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

স্মরণকালের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে সর্ববৃহৎ ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।আয়োজকদের দাবি, এবার প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন এই জামাতে।বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও এই জামাতে এবার অংশ নিয়েছেন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের বেশ কিছু মুসল্লি। 

বৃহৎ এই ঈদগাহে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই সমবেত হতে শুরু করেন মুসল্লিরা। সকাল সাড়ে ৯টা বাজতে না বাজতে পরিপূর্ণ হয়ে যায় ২২ একর আয়তনবিশিষ্ট ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানের বেশীরভাগ অংশ। সকাল ৯টা বাজার পরপরই শুরু হয় নামাজ। বৃহৎ এই জামাতে ঈমামতি করেন মাওলানা শামসুল আলম কাশেমী। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে করা হয় মোনাজাত। বৃহৎ এই জামাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশী মুসল্লিরা।

এখানে নামাজ আদায় করেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মুসল্লিরাও। দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে এখানে নামাজ আদায় করতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত এই মুসল্লিরা। ঢাকার গাজীপুর থেকে আসা মুসল্লি মজিবর রহমান মিলন বলেন, বৃহৎ এই জামাতের কথা শুনে এবার অনেক কষ্ট করে এই জামাতে নামাজ আদায় করতে এসেছি। 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গারামপুর থেকে আগত মুসল্লি মো. ওসমান আলী বলেন, বিভিন্ন টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই বৃহৎ জামাতের কথা জেনেই নিয়ত করেছি এখানে নামাজ আদায়ের। কিন্তু এখানে এসে দেখছি, যা শুনেছি-তার চেয়েও বেশী মানুষের সমাগম।দিনাজপুরের পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ সম্পন্নের জন্য চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি। 

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ জানান, এবার কানায় মুসল্লির সমাগম হয় এই ঈদগাহে। সার্বিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশি তিনি।বৃহৎ এই জামাতের প্রধান উদ্যোক্তা জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি জানান, স্মরণকালের মধ্যে এবার বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ ময়দানে। এবার প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন বলে জানান তিনি। 

উল্লেখ্য, ২২ একর আয়তনবিশিষ্ট এই ঈদগাহে ১৯৪৭ সাল থেকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলেও আধুনিক নির্মাণশৈলীতে এই ঈদগাহে বৃহৎ পরিসরে ঈদের জামাত শুরু হয় ২০১৭ সাল থেকে। বৃহৎ এই জামাতে অংশ নেয়ার সুবিধার্থে এবারও বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্যবস্থা করে দুটি স্পেশাল ট্রেনের। ঈদগাহে মুসল্লিদের জন্য স্থাপন করা হয় শৌচাগার, ওজুর ব্যবস্থা। বসানো হয় মেডিকেল টিম। পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নেয়া হয় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ময়দানে একসঙ্গে ৬ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়

আপডেট সময় : ০১:০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪

 ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

স্মরণকালের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে সর্ববৃহৎ ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।আয়োজকদের দাবি, এবার প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন এই জামাতে।বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও এই জামাতে এবার অংশ নিয়েছেন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের বেশ কিছু মুসল্লি। 

বৃহৎ এই ঈদগাহে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই সমবেত হতে শুরু করেন মুসল্লিরা। সকাল সাড়ে ৯টা বাজতে না বাজতে পরিপূর্ণ হয়ে যায় ২২ একর আয়তনবিশিষ্ট ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানের বেশীরভাগ অংশ। সকাল ৯টা বাজার পরপরই শুরু হয় নামাজ। বৃহৎ এই জামাতে ঈমামতি করেন মাওলানা শামসুল আলম কাশেমী। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে করা হয় মোনাজাত। বৃহৎ এই জামাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশী মুসল্লিরা।

এখানে নামাজ আদায় করেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মুসল্লিরাও। দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে এখানে নামাজ আদায় করতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত এই মুসল্লিরা। ঢাকার গাজীপুর থেকে আসা মুসল্লি মজিবর রহমান মিলন বলেন, বৃহৎ এই জামাতের কথা শুনে এবার অনেক কষ্ট করে এই জামাতে নামাজ আদায় করতে এসেছি। 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গারামপুর থেকে আগত মুসল্লি মো. ওসমান আলী বলেন, বিভিন্ন টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই বৃহৎ জামাতের কথা জেনেই নিয়ত করেছি এখানে নামাজ আদায়ের। কিন্তু এখানে এসে দেখছি, যা শুনেছি-তার চেয়েও বেশী মানুষের সমাগম।দিনাজপুরের পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ সম্পন্নের জন্য চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি। 

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ জানান, এবার কানায় মুসল্লির সমাগম হয় এই ঈদগাহে। সার্বিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশি তিনি।বৃহৎ এই জামাতের প্রধান উদ্যোক্তা জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি জানান, স্মরণকালের মধ্যে এবার বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ ময়দানে। এবার প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন বলে জানান তিনি। 

উল্লেখ্য, ২২ একর আয়তনবিশিষ্ট এই ঈদগাহে ১৯৪৭ সাল থেকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলেও আধুনিক নির্মাণশৈলীতে এই ঈদগাহে বৃহৎ পরিসরে ঈদের জামাত শুরু হয় ২০১৭ সাল থেকে। বৃহৎ এই জামাতে অংশ নেয়ার সুবিধার্থে এবারও বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্যবস্থা করে দুটি স্পেশাল ট্রেনের। ঈদগাহে মুসল্লিদের জন্য স্থাপন করা হয় শৌচাগার, ওজুর ব্যবস্থা। বসানো হয় মেডিকেল টিম। পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নেয়া হয় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।