সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন,, এমন প্রধানমন্ত্রীই চায় জনগণ কক্সবাজারে রিসোর্টে ১০ পর্যটকের মৃত্যু সিলেটে আসল মোড়কের আড়ালে চলছিল নকল সিগারেটের বাণিজ্য,পুড়ানো হল ৩ লাখ টাকার সিগারেট নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সিলেট মহানগর বিএনপির জরুরি নির্দেশনা সুধীজনদের মিলনমেলাজমকালো আয়োজনে কালবেলারপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নগরবাসীকে সিসিকপ্রশাসকের দুর্গাপূজারশুভেচ্ছা জ্ঞাপন সিলেটের জৈন্তাপুর থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদ,ফেনসিডিল,ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ শারদীয় দুর্গাপূজা -২০২৬ উপলক্ষে জেলা পুলিশের প্রস্তুতি সিলেট মহানগরে চার স্তরের নিরাপত্তা, সদর উপজেলায় ১৩০ মণ্ডপে ৮৩৪ আনসার সদস্য মোতায়েন

‘ডুবে যাওয়া’পাকিস্তানি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেল ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

১৯৭১ সালে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি পাকিস্তানি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়ার দাবি করেছে ভারত। দেশটির নৌবাহিনীর বিশেষ বাহন এই সাবমেরিনকে খুঁজে বের করেছে বলে জানা যায়। বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই নাকি এটির খোঁজ পাওয়া গেছে। ভারতের গভীর সমুদ্রে নিজজ্জিত জাহাজ উদ্ধারকারী যান (ডিএসআরএভ) সাবমেরিনটি সমুদ্রের ২ কিলোমিটার গভীরে খুঁজে পেয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যায় পিএনএস গাজি নামের সাবমেরিনটি। সেটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী।১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে মার্কিন নৌবহরের অংশ ছিল। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার হতো। 

পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র ২ থেকে ২.৫ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে এই সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’।

উল্লেখ্য, ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিনকে পাঠানো হয়েছিল। এছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে। 

১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামের রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে ‘ডেপথ চার্জ’-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘ডুবে যাওয়া’পাকিস্তানি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেল ভারত

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

১৯৭১ সালে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি পাকিস্তানি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়ার দাবি করেছে ভারত। দেশটির নৌবাহিনীর বিশেষ বাহন এই সাবমেরিনকে খুঁজে বের করেছে বলে জানা যায়। বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই নাকি এটির খোঁজ পাওয়া গেছে। ভারতের গভীর সমুদ্রে নিজজ্জিত জাহাজ উদ্ধারকারী যান (ডিএসআরএভ) সাবমেরিনটি সমুদ্রের ২ কিলোমিটার গভীরে খুঁজে পেয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যায় পিএনএস গাজি নামের সাবমেরিনটি। সেটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী।১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে মার্কিন নৌবহরের অংশ ছিল। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার হতো। 

পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র ২ থেকে ২.৫ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে এই সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’।

উল্লেখ্য, ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিনকে পাঠানো হয়েছিল। এছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে। 

১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামের রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে ‘ডেপথ চার্জ’-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।