সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জের মাধবপুরে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ,,প্রচার সংখ্যা ও প্রকাশনাস্থল বিবেচনায় নতুন হার নির্ধারণ, সর্বোচ্চ মূল্যসীমাও নির্ধারিত সুনামগঞ্জ জগন্নাথপুরে সড়ক বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা সিলেটে হাসপাতালে একদিনে ভর্তি ১২৩ ‘৪২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি সড়ককে উন্নয়নের নেটওয়ার্কে আনতে চাই’ হযরত শাহাজালাল (র:) মাজার এলাকা থেকে উদ্ধার নিখোঁজ ৪ শিক্ষার্থী দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে আয়োজনে সিসিকের সর্বাত্মক প্রস্তুতি লতিফিয়া ছাত্র সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক লাউয়াই ও তপোবন আবাসিকএলাকায় সিসিক প্রশাসকেরপরিদর্শন সৌদি ফেরত নির্যাতিত রেহেনাকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা দিলেন মাধবপুরের ইউএনও

এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে: ব্যারিস্টার পার্থ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

 ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আমেরিকা সোজাসুজি বলে দিয়েছে, নির্বাচন ফ্রি এবং ফেয়ার হয়নি। সাধারণত কূটনৈতিকদের ভাষা এমন স্পষ্ট হয় না, কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তারা কোনো স্পেস রাখেনি। তারা সাধারণত বলে থাকে আরেকটু ভালো হতে পারত কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তা করেনি একেবারেই বলে দিয়েছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। আওয়ামী লীগের যে যাই বলুক না কেন, এটা (নির্বাচন) আন্তর্জাতিকভাবে একটা বিরাট ফেইলর।সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশনে সমসাময়িক রাজনীতি বিষয়ে টকশোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।  

ব্যারিস্টার পার্থ বলেন, আমেরিকা যেভাবে বলে দিয়েছে এ সরকারের বৈধতা নেই বললে চলে। আওয়ামী লীগ একটা বিষয় প্রমাণ করতে চেয়েছিল— বিরোধী দল অংশ না নিলেও নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করব। কিন্তু এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করল, যে একা একা নির্বাচন করেও ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন করার যোগ্যতা রাখে না। 

এই নির্বাচনের শত শত কারচুপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। বাচ্চাদের দিয়েও ভোট কারচুপি করিয়েছে আওয়ামী লীগ। তরুণ এই রাজনীতিবিদ মনে করেন, এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে। উনারা (ইউরোপ আমেরিকা) যদি চায় বড় কিছু করা তা হলে, সরকারে কমপ্রোমাইজ করা ছাড়া কোনো পথ নেই।  আমাদের দেশ লিবিয়া ইরাক ইরানের মতো এমন কোনো দেশ নয়, আমরা কিন্তু বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল। 

বিশেষ করে আমেরিকা ইউরোপের ওপর। এখন আমেরিকার হাতে কার্ড, কীভাবে খেলবে তাদের ব্যাপার।  দেখা যাক, এখন নির্বাচন হয়ে গেছে, আমেরিকার কাছে বল কীভাবে খেলে।  বড় বিষয় হলো— তারা কীভাবে প্লে করে।  দ্রুত অ্যাকশনে যাবে, না সময় নেবে তাদের আমেরিকার ব্যাপার। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে: ব্যারিস্টার পার্থ

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪

 ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আমেরিকা সোজাসুজি বলে দিয়েছে, নির্বাচন ফ্রি এবং ফেয়ার হয়নি। সাধারণত কূটনৈতিকদের ভাষা এমন স্পষ্ট হয় না, কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তারা কোনো স্পেস রাখেনি। তারা সাধারণত বলে থাকে আরেকটু ভালো হতে পারত কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তা করেনি একেবারেই বলে দিয়েছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। আওয়ামী লীগের যে যাই বলুক না কেন, এটা (নির্বাচন) আন্তর্জাতিকভাবে একটা বিরাট ফেইলর।সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশনে সমসাময়িক রাজনীতি বিষয়ে টকশোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।  

ব্যারিস্টার পার্থ বলেন, আমেরিকা যেভাবে বলে দিয়েছে এ সরকারের বৈধতা নেই বললে চলে। আওয়ামী লীগ একটা বিষয় প্রমাণ করতে চেয়েছিল— বিরোধী দল অংশ না নিলেও নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করব। কিন্তু এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করল, যে একা একা নির্বাচন করেও ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন করার যোগ্যতা রাখে না। 

এই নির্বাচনের শত শত কারচুপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। বাচ্চাদের দিয়েও ভোট কারচুপি করিয়েছে আওয়ামী লীগ। তরুণ এই রাজনীতিবিদ মনে করেন, এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে। উনারা (ইউরোপ আমেরিকা) যদি চায় বড় কিছু করা তা হলে, সরকারে কমপ্রোমাইজ করা ছাড়া কোনো পথ নেই।  আমাদের দেশ লিবিয়া ইরাক ইরানের মতো এমন কোনো দেশ নয়, আমরা কিন্তু বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল। 

বিশেষ করে আমেরিকা ইউরোপের ওপর। এখন আমেরিকার হাতে কার্ড, কীভাবে খেলবে তাদের ব্যাপার।  দেখা যাক, এখন নির্বাচন হয়ে গেছে, আমেরিকার কাছে বল কীভাবে খেলে।  বড় বিষয় হলো— তারা কীভাবে প্লে করে।  দ্রুত অ্যাকশনে যাবে, না সময় নেবে তাদের আমেরিকার ব্যাপার।