ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান যে মন্ত্রে ৪৫-এও এমন লাবণ্য ধরে রেখেছেন কারিনা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ জামায়াত আমিরের নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু ভোটের অনিয়ম নিয়ে ইইউকে অভিযোগ জানাবেন রুমিন ফারহানা বিবিসি হিন্দিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা,ভারতের উচিত তার সংখ্যালঘুদের যত্ন নেওয়া ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন,জামায়াতের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র! উদ্বিগ্ন ভারত বাংলাদেশ নারী দলে প্রথম প্রবাসী ফুটবলার আনিকা? রাজশাহী ফাইনালে সিলেটের বিদায় হবিগঞ্জ-২ আসনের খেলাফত মজলিসের আমির প্রতীক পেয়েই গেলেন ৯ শহীদের কবর জিয়ারতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় শেখ সুজাত বিএনপি থেকে বহিষ্কার

এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে: ব্যারিস্টার পার্থ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

 ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আমেরিকা সোজাসুজি বলে দিয়েছে, নির্বাচন ফ্রি এবং ফেয়ার হয়নি। সাধারণত কূটনৈতিকদের ভাষা এমন স্পষ্ট হয় না, কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তারা কোনো স্পেস রাখেনি। তারা সাধারণত বলে থাকে আরেকটু ভালো হতে পারত কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তা করেনি একেবারেই বলে দিয়েছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। আওয়ামী লীগের যে যাই বলুক না কেন, এটা (নির্বাচন) আন্তর্জাতিকভাবে একটা বিরাট ফেইলর।সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশনে সমসাময়িক রাজনীতি বিষয়ে টকশোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।  

ব্যারিস্টার পার্থ বলেন, আমেরিকা যেভাবে বলে দিয়েছে এ সরকারের বৈধতা নেই বললে চলে। আওয়ামী লীগ একটা বিষয় প্রমাণ করতে চেয়েছিল— বিরোধী দল অংশ না নিলেও নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করব। কিন্তু এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করল, যে একা একা নির্বাচন করেও ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন করার যোগ্যতা রাখে না। 

এই নির্বাচনের শত শত কারচুপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। বাচ্চাদের দিয়েও ভোট কারচুপি করিয়েছে আওয়ামী লীগ। তরুণ এই রাজনীতিবিদ মনে করেন, এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে। উনারা (ইউরোপ আমেরিকা) যদি চায় বড় কিছু করা তা হলে, সরকারে কমপ্রোমাইজ করা ছাড়া কোনো পথ নেই।  আমাদের দেশ লিবিয়া ইরাক ইরানের মতো এমন কোনো দেশ নয়, আমরা কিন্তু বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল। 

বিশেষ করে আমেরিকা ইউরোপের ওপর। এখন আমেরিকার হাতে কার্ড, কীভাবে খেলবে তাদের ব্যাপার।  দেখা যাক, এখন নির্বাচন হয়ে গেছে, আমেরিকার কাছে বল কীভাবে খেলে।  বড় বিষয় হলো— তারা কীভাবে প্লে করে।  দ্রুত অ্যাকশনে যাবে, না সময় নেবে তাদের আমেরিকার ব্যাপার। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে: ব্যারিস্টার পার্থ

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪

 ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন : অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আমেরিকা সোজাসুজি বলে দিয়েছে, নির্বাচন ফ্রি এবং ফেয়ার হয়নি। সাধারণত কূটনৈতিকদের ভাষা এমন স্পষ্ট হয় না, কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তারা কোনো স্পেস রাখেনি। তারা সাধারণত বলে থাকে আরেকটু ভালো হতে পারত কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তা করেনি একেবারেই বলে দিয়েছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। আওয়ামী লীগের যে যাই বলুক না কেন, এটা (নির্বাচন) আন্তর্জাতিকভাবে একটা বিরাট ফেইলর।সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশনে সমসাময়িক রাজনীতি বিষয়ে টকশোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।  

ব্যারিস্টার পার্থ বলেন, আমেরিকা যেভাবে বলে দিয়েছে এ সরকারের বৈধতা নেই বললে চলে। আওয়ামী লীগ একটা বিষয় প্রমাণ করতে চেয়েছিল— বিরোধী দল অংশ না নিলেও নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করব। কিন্তু এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করল, যে একা একা নির্বাচন করেও ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন করার যোগ্যতা রাখে না। 

এই নির্বাচনের শত শত কারচুপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। বাচ্চাদের দিয়েও ভোট কারচুপি করিয়েছে আওয়ামী লীগ। তরুণ এই রাজনীতিবিদ মনে করেন, এখন দেখার বিষয় ইউরোপ আমেরিকা কী কার্ড ফেলে। উনারা (ইউরোপ আমেরিকা) যদি চায় বড় কিছু করা তা হলে, সরকারে কমপ্রোমাইজ করা ছাড়া কোনো পথ নেই।  আমাদের দেশ লিবিয়া ইরাক ইরানের মতো এমন কোনো দেশ নয়, আমরা কিন্তু বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল। 

বিশেষ করে আমেরিকা ইউরোপের ওপর। এখন আমেরিকার হাতে কার্ড, কীভাবে খেলবে তাদের ব্যাপার।  দেখা যাক, এখন নির্বাচন হয়ে গেছে, আমেরিকার কাছে বল কীভাবে খেলে।  বড় বিষয় হলো— তারা কীভাবে প্লে করে।  দ্রুত অ্যাকশনে যাবে, না সময় নেবে তাদের আমেরিকার ব্যাপার।