সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ

১৫ বছরে এমপি আবু জাহিরের-৯ গুণ,স্ত্রীর-২৬ গুণ সম্পদ বেড়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০৯ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ(লাখাই)প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৩ (সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে টানা তিনবারের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির। ১৫ বছরে তার আয় ও সম্পদ মিলে বেড়েছে ৯ গুণ। আর তার স্ত্রীর আয় ও সম্পদ মিলে বেড়েছে সাড়ে ২৬ গুণ। একমাত্র ছেলে হয়েছে আড়াই কোটি টাকার মালিক।তার এসব তথ্য নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া ২০০৮ ও ২০২৩ সালের হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেন, নিজের বাৎসরিক আয় ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৯০ টাকা। নগদ টাকা, ২৬ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পত্তি ৩৬ লাখ ২ হাজার ৮০৪ টাকার এবং কৃষি, অকৃষি, আবাসিক/বাণিজ্যিক দালানসহ স্থাবর সম্পত্তি ৩৫ লাখ ২৩ হাজার টাকার।সব মিলিয়ে ৭৩ লাখ ৬৮ হাজার ৫৯৪ টাকার সম্পদ ছিল। আর স্ত্রীর নামে ১৫ ভরি সোনা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৮৪ টাকার অস্থাবর এবং স্থাবর সম্পত্তি ১৪ শতাংশ ভূমি। সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৪ টাকার সম্পত্তি। তবে সন্তানদের কোনো সম্পদ নেই।

২০২৩ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলফনামায় দেওয়া তথ্যে জানা যায়, নিজের বাৎসরিক আয় হয় ৩৭ লাখ ১৬ হাজার ৯১৬ টাকা। যা আইন পেশা, পরামর্শক ও সংসদ সদস্য হিসেবে ভাতা এবং বাড়ি ভাড়া ও কৃষি খাত থেকে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয় আইন পেশা, পরামর্শক ও সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত ভাতা থেকে। এ খাতে তার বছরে আয় হয় ৩১ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৬ টাকা।৩১ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ৫৯ টাকা। কৃষি জমি, হবিগঞ্জ ও ঢাকায় বাড়ি, দোকান ভিটা, অকৃষি জমিসহ ৩ কোটি ৭৫ লাখ ২৭ হাজার ৭৪৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তি আছে।

মোট সম্পত্তি বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৭৪ হাজার ৭২১ টাকা। স্ত্রীর নামে ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে আয় ৬৭ লাখ ৮ হাজার ৭৯ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ১০০ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ ৮৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি কৃষি, অকৃষি জমি ১ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার টাকার। স্ত্রীর মোট সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯ টাকা।ছেলের কৃষি, ব্যবসা ও বিভিন্ন খাত থেকে আয় ৯৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৯ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ১০৮ ভরি সোনা ও ইলেকট্রিক পণ্য ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পত্তি কৃষি ও অকৃষি জমি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা। তার নামে মোট সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫২ লাখ ৫ হাজার ১৫৯ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১৫ বছরে এমপি আবু জাহিরের-৯ গুণ,স্ত্রীর-২৬ গুণ সম্পদ বেড়েছে

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩

হবিগঞ্জ(লাখাই)প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৩ (সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে টানা তিনবারের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির। ১৫ বছরে তার আয় ও সম্পদ মিলে বেড়েছে ৯ গুণ। আর তার স্ত্রীর আয় ও সম্পদ মিলে বেড়েছে সাড়ে ২৬ গুণ। একমাত্র ছেলে হয়েছে আড়াই কোটি টাকার মালিক।তার এসব তথ্য নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া ২০০৮ ও ২০২৩ সালের হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেন, নিজের বাৎসরিক আয় ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৯০ টাকা। নগদ টাকা, ২৬ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পত্তি ৩৬ লাখ ২ হাজার ৮০৪ টাকার এবং কৃষি, অকৃষি, আবাসিক/বাণিজ্যিক দালানসহ স্থাবর সম্পত্তি ৩৫ লাখ ২৩ হাজার টাকার।সব মিলিয়ে ৭৩ লাখ ৬৮ হাজার ৫৯৪ টাকার সম্পদ ছিল। আর স্ত্রীর নামে ১৫ ভরি সোনা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৮৪ টাকার অস্থাবর এবং স্থাবর সম্পত্তি ১৪ শতাংশ ভূমি। সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৪ টাকার সম্পত্তি। তবে সন্তানদের কোনো সম্পদ নেই।

২০২৩ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলফনামায় দেওয়া তথ্যে জানা যায়, নিজের বাৎসরিক আয় হয় ৩৭ লাখ ১৬ হাজার ৯১৬ টাকা। যা আইন পেশা, পরামর্শক ও সংসদ সদস্য হিসেবে ভাতা এবং বাড়ি ভাড়া ও কৃষি খাত থেকে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয় আইন পেশা, পরামর্শক ও সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত ভাতা থেকে। এ খাতে তার বছরে আয় হয় ৩১ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৬ টাকা।৩১ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ৫৯ টাকা। কৃষি জমি, হবিগঞ্জ ও ঢাকায় বাড়ি, দোকান ভিটা, অকৃষি জমিসহ ৩ কোটি ৭৫ লাখ ২৭ হাজার ৭৪৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তি আছে।

মোট সম্পত্তি বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৭৪ হাজার ৭২১ টাকা। স্ত্রীর নামে ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে আয় ৬৭ লাখ ৮ হাজার ৭৯ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ১০০ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ ৮৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি কৃষি, অকৃষি জমি ১ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার টাকার। স্ত্রীর মোট সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯ টাকা।ছেলের কৃষি, ব্যবসা ও বিভিন্ন খাত থেকে আয় ৯৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৯ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ১০৮ ভরি সোনা ও ইলেকট্রিক পণ্য ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পত্তি কৃষি ও অকৃষি জমি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা। তার নামে মোট সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫২ লাখ ৫ হাজার ১৫৯ টাকা।