সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট ভারতীয় পণ্য ও গ্রেফতার দুই সিলেটে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৮৪ সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় হামে ১ শিশুর মৃত্যু হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর বাঁধ ভাঙন, ফসলি জমি প্লাবিত সিলেটে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুলাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়া গোগালী ছড়া বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত সিলেট ভারতীয় মসলার চালান উদ্ধার সিলেটের পীরমহল্লা থেকে অস্ত্রসহ আটক ১ সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১, ভর্তি ৪৩

শ্রম আইন লঙ্ঘন:শুনানি শুরুর আধা ঘণ্টা আগে আদালতে ইউনূস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন: অনলাইন সংস্করণ

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে।ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২.২০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়।এর আধা ঘণ্টা আগে আদালতে হাজির হন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড.ইউনূস।তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন আইনজীবী সৈয়দ হায়দার আলী ও খুরশীদ আলম খান।

গত ৯ নভেম্বর এই আদালতে হাজির হয়ে ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান এবং দুই পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান আত্মপক্ষ সমর্থন করেন।আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ইউনূস বলেন,আমি তো এ প্রতিষ্ঠানের মালিক নই। আমার আদর্শ কর্মসূচিতে কোনো ত্রুটি ছিল না। 

তিনি বলেন,এত বড় কাজ করতে গেলে কিছু ভুল হতে পারে।আমরা তো ফেরেশতা নই।কিন্তু ভুল হলে তা ইচ্ছাকৃত নয়।লিখিত বক্তব্যে আসামিরা বলেন, বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকসহ ৫০টির বেশি সামাজিক প্রতিষ্ঠান ইউনূস গড়ে তুলেছেন।কোনো কোম্পানিতে তার নিজস্ব কোনো শেয়ার নেই। সুতরাং কোনো লভ্যাংশ বা লাভের টাকা কারও পকেটে ঢোকে না।কোম্পানি আইনসহ বিভিন্ন আইনের ব্যাখ্যাসহ এই মামলাটি কেন চলতে পারে না, তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয় বক্তব্যে।সেখানে মামলার আসামিদের অব্যাহতির প্রার্থনা জানানো হয়।কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

মামলাটিতে এরই মধ্যে চারজনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর মামলার বাদী এবং প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে গত ৬ নভেম্বর চতুর্থ সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়েছে বলে জানান ইউনূসের আইনজীবী মামুন।ইউনূসের বিরুদ্ধে এ মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা,গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪-এর ৭,৮,১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শ্রম আইন লঙ্ঘন:শুনানি শুরুর আধা ঘণ্টা আগে আদালতে ইউনূস

আপডেট সময় : ০১:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন: অনলাইন সংস্করণ

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে।ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২.২০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়।এর আধা ঘণ্টা আগে আদালতে হাজির হন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড.ইউনূস।তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন আইনজীবী সৈয়দ হায়দার আলী ও খুরশীদ আলম খান।

গত ৯ নভেম্বর এই আদালতে হাজির হয়ে ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান এবং দুই পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান আত্মপক্ষ সমর্থন করেন।আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ইউনূস বলেন,আমি তো এ প্রতিষ্ঠানের মালিক নই। আমার আদর্শ কর্মসূচিতে কোনো ত্রুটি ছিল না। 

তিনি বলেন,এত বড় কাজ করতে গেলে কিছু ভুল হতে পারে।আমরা তো ফেরেশতা নই।কিন্তু ভুল হলে তা ইচ্ছাকৃত নয়।লিখিত বক্তব্যে আসামিরা বলেন, বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকসহ ৫০টির বেশি সামাজিক প্রতিষ্ঠান ইউনূস গড়ে তুলেছেন।কোনো কোম্পানিতে তার নিজস্ব কোনো শেয়ার নেই। সুতরাং কোনো লভ্যাংশ বা লাভের টাকা কারও পকেটে ঢোকে না।কোম্পানি আইনসহ বিভিন্ন আইনের ব্যাখ্যাসহ এই মামলাটি কেন চলতে পারে না, তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয় বক্তব্যে।সেখানে মামলার আসামিদের অব্যাহতির প্রার্থনা জানানো হয়।কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

মামলাটিতে এরই মধ্যে চারজনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর মামলার বাদী এবং প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে গত ৬ নভেম্বর চতুর্থ সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়েছে বলে জানান ইউনূসের আইনজীবী মামুন।ইউনূসের বিরুদ্ধে এ মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা,গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪-এর ৭,৮,১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।