সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট বেকারি ফ্যাক্টরি ও মসলা গুড়াকরণ মিলে প্রশাসনের অভিযানে দুটি মামলায় ৪৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড সিলেট ভারতে পাচারকালে ৮ রোহিঙ্গাসহ ৪ দালাল আটক দেশের বিভিন্ন বিভাগে ভারি বৃষ্টির শঙ্কা— সিলেটে বদলি গণপূর্তের ১৩ প্রকৌশলী ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর,শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত সিলেটে বা*সা-বা*ড়ি নির্মাণ নিয়ে নির্দেশনা দিল সিউক— সিলেট উপশহরে একটি বাসায় এসি চুরি করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু সিলেটে ট্রিপল মার্ডার নিয়ে রহস্য, তৈরি হয়েছে জটিলতা পুলিশ খুঁজছে প্রেমের সূত্র, পরিবারের দাবি সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব*** আগামী ৫দিন সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে সিলেটে রায়নগর ট্রি প ল মার্ডার, বাবুল ৪দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর

আল-শিফায় ৩৭ দিন থেকে বন্দি ডাক্তাররা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩ ১৬১ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ডেস্ক: অনলাইন সংস্করণ

দিনের আলো ফুটলেই আমরা বলি আজকের দিনটা অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত। কিন্তু পরবর্তী দিনটি আরও বেশি ভয়ংকর রূপ নিয়ে আমাদের সামনে আসে। পরিস্থিতি বিপর্যয়কর।বিভীষিকাময় গাজার হাসপাতালের অবস্থা দিন দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে।সব থেকে বড় হাসপাতাল আল-শিফা। নিরাপত্তা নেই সেখানেও।হাসপাতালের ভেতরে-বাইরে চলছে ইসরাইলের পাশবিক বোমা হামলা। ইতোমধ্যে আইসিইউ বিভাগ থেকে শুরু করে সার্জিক্যাল বিল্ডিংয়ে বোমা হামলা করেছে। কিন্তু বাইরে বেরোনোর সুযোগ নেই।হাসপাতাল থেকে বের হলেই পড়তে হবে ইসরাইলের গুলির থাবায়।আল-শিফায় ৩৭ দিন থেকে বন্দি রয়েছেন ডাক্তাররাও। 

এখনো শতাধিক চিকিৎসক রয়েছেন। যারা পরিবারের সঙ্গে দেখাও করতে পারছেন না।হাসপাতালে যেটুকু সম্বল আছে তা দিয়েই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। হতাশা আর ভয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ডাক্তার ও উদ্বাস্তুরা।হাসপাতালে প্রচুর রোগী ও উদ্বাস্তু রয়েছেন। কিন্তু তারা ভবনের বাইরে যেতে পারছেন না।কেউ হাসপাতালের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলেই তাকে গুলি করে হত্যা অথবা গ্রেফতার করা হচ্ছে।খাবার,পানি,বিদ্যুৎ, অক্সিজেন কিছুই নেই হাসপাতালে।যেটুকু খাবার আছে সেটুকুই একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে খাচ্ছেন। 

ডাক্তাররা মেঝেতে, প্রসারিত হলওয়েতে রোগীদের চিকিৎসা করছেন। সেখানে পর্যাপ্ত পরিচালনা বা পুনরুদ্ধার কক্ষ নেই।চিকিৎসার অভাবে প্রতিনিয়ত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। দাফনের জায়গা নেই।আল-শিফার মর্গেও আর জায়গা নেই।মূল ভবনের বাইরে মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য একটি তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে।হিমায়িত মুরগি সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত রেফ্রিজারেটরে রাখা হয়েছে বেশকিছু মরদেহ। 

একদিকে জীবিতদের উপচে পড়া ভিড়,আরেক দিকে লাশের স্তূপ।সব দিকেই হাহাকার।না পারছে কেউ বাইরে যেতে,না পারছে ভেতরে থাকতে।একেবারেই দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের জীবন।ভেঙে পড়েছে হাসপাতালের অবকাঠামো।সম্প্রতি আইসিইউতে থাকা দুই নবজাতকেরও মৃত্যু হয়েছে।ভেন্টিলেটর মেশিন না থাকায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।এখন হাসপাতালের সবাই শুধু মুক্তির অপেক্ষায়। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আল-শিফায় ৩৭ দিন থেকে বন্দি ডাক্তাররা

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ডেস্ক: অনলাইন সংস্করণ

দিনের আলো ফুটলেই আমরা বলি আজকের দিনটা অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত। কিন্তু পরবর্তী দিনটি আরও বেশি ভয়ংকর রূপ নিয়ে আমাদের সামনে আসে। পরিস্থিতি বিপর্যয়কর।বিভীষিকাময় গাজার হাসপাতালের অবস্থা দিন দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে।সব থেকে বড় হাসপাতাল আল-শিফা। নিরাপত্তা নেই সেখানেও।হাসপাতালের ভেতরে-বাইরে চলছে ইসরাইলের পাশবিক বোমা হামলা। ইতোমধ্যে আইসিইউ বিভাগ থেকে শুরু করে সার্জিক্যাল বিল্ডিংয়ে বোমা হামলা করেছে। কিন্তু বাইরে বেরোনোর সুযোগ নেই।হাসপাতাল থেকে বের হলেই পড়তে হবে ইসরাইলের গুলির থাবায়।আল-শিফায় ৩৭ দিন থেকে বন্দি রয়েছেন ডাক্তাররাও। 

এখনো শতাধিক চিকিৎসক রয়েছেন। যারা পরিবারের সঙ্গে দেখাও করতে পারছেন না।হাসপাতালে যেটুকু সম্বল আছে তা দিয়েই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। হতাশা আর ভয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ডাক্তার ও উদ্বাস্তুরা।হাসপাতালে প্রচুর রোগী ও উদ্বাস্তু রয়েছেন। কিন্তু তারা ভবনের বাইরে যেতে পারছেন না।কেউ হাসপাতালের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলেই তাকে গুলি করে হত্যা অথবা গ্রেফতার করা হচ্ছে।খাবার,পানি,বিদ্যুৎ, অক্সিজেন কিছুই নেই হাসপাতালে।যেটুকু খাবার আছে সেটুকুই একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে খাচ্ছেন। 

ডাক্তাররা মেঝেতে, প্রসারিত হলওয়েতে রোগীদের চিকিৎসা করছেন। সেখানে পর্যাপ্ত পরিচালনা বা পুনরুদ্ধার কক্ষ নেই।চিকিৎসার অভাবে প্রতিনিয়ত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। দাফনের জায়গা নেই।আল-শিফার মর্গেও আর জায়গা নেই।মূল ভবনের বাইরে মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য একটি তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে।হিমায়িত মুরগি সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত রেফ্রিজারেটরে রাখা হয়েছে বেশকিছু মরদেহ। 

একদিকে জীবিতদের উপচে পড়া ভিড়,আরেক দিকে লাশের স্তূপ।সব দিকেই হাহাকার।না পারছে কেউ বাইরে যেতে,না পারছে ভেতরে থাকতে।একেবারেই দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের জীবন।ভেঙে পড়েছে হাসপাতালের অবকাঠামো।সম্প্রতি আইসিইউতে থাকা দুই নবজাতকেরও মৃত্যু হয়েছে।ভেন্টিলেটর মেশিন না থাকায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।এখন হাসপাতালের সবাই শুধু মুক্তির অপেক্ষায়।