সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে হাম ও রুবেলা রোগে ২ শিশুর মৃত্যু সিলেটে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪ সিলেট মহানগরের জনদুর্ভোগ লাঘব ও নগরবাসীর নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সকল অফিসার ও ফোর্সদের আহ্বান-পুলিশ কমিশনার সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ৭০৭তম পবিত্র উরুস উপলক্ষে মাজার পরিদর্শন ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং সিলেটের জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে রাস্তায় ব্যবসায়ীরা কম সময়ে উন্নত সেবা দিতেকর্মীদের প্রতি আহ্বান,শ্রমিক সমাবেশে-সিসিক শাহজালাল (রহ.) মাজারের ওরসে প্রধানমন্ত্রীরউপহার হস্তান্তর করলেন- সিসিক সিলেট থেকে হজ্জ ফ্লাইটের উদ্বোধন,৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে প্রথম হজ্জ ফ্লাইট মদিনার উদ্দেশ্যে সিলেটে ট্রাক ও পিকআপ সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৯ জৈন্তিয়ার ঐতিহ্য ‘ঢুপির সরাইখানা’, সংরক্ষণের দাবি

সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র ফিরে পেলেন ১ মেয়র ও ৭ কাউন্সিলর প্রার্থী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩ ২২১ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক,,

সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় বাদ পড়াদের মধ্যে এক মেয়র ও সাত কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সিসিক নির্বাচনের আপিল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থাকা সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের কাছে তারা আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হলেন মো. শাহজাহান মিয়া। মঙ্গলবার দিনব্যাপী সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আপিলের শুনানী অনুষ্ঠিত হয়।সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব এবং পরিচালক স্থানীয় সরকার) মো: জাকারিয়া বলেন, আপিল করা প্রার্থীদের মধ্যে দুজন মেয়র প্রার্থীর আপিল নামঞ্জুর হয়েছে। এর বাইরে সংরক্ষিত ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে আরও দুই প্রার্থীর আপিল আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। বাকি আট প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর হয়েছে। তাদের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই।

অন্যদিকে, প্রার্থীতা ফিরে পেতে মেয়র পদে ৩ জন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫ জন নারী কাউন্সিলর ও সাধারণ ওয়ার্ডে ৪ জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আপিল করেছিলেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলী সরকার, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তাহমিনা বেগম ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোছা. কামরুন নাহার চৌধুরী, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ফখরুল ইসলাম, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের আবু সাদেক মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. রফিকুল ইসলাম ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শাহাব উদ্দিন লাল প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে-তারা হলেন, দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান খান ও মাওলানা জাহিদ উদ্দিন চৌধুরী। এছাড়া, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ২ নম্বর ওয়ার্ডের জুমানা আক্তার জুঁই ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আয়শা বেগম। তবে আপিলে সাধারণ কাউন্সিলরের সবাই তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

গত ২৫ মে যাচাই-বাছাইকালে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সম্পদ বিবরণী ও আয়কর রিটার্নের কপি জমা না দেওয়ায় শাহজাহান মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন সিসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সল কাদির। আপিল শুনানির আগে সম্পদ বিবরণী ও আয়কর রিটার্নের কপি জমা দেওয়ায় তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আপিল করে দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান খান ও মাওলানা জাহিদ উদ্দিন চৌধুরীর ভাগ্য ফেরেনি। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া সমর্থক ভোটার তালিকায় ত্রুটির জন্য তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল। শুনানিতে একজন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় এখন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৭ জন।উল্লেখ্য,আগামী ২১ জুন সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ আগামী ২ জুন। এবার ৪২টি সাধারণ ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৩ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র ফিরে পেলেন ১ মেয়র ও ৭ কাউন্সিলর প্রার্থী

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক,,

সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় বাদ পড়াদের মধ্যে এক মেয়র ও সাত কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সিসিক নির্বাচনের আপিল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থাকা সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের কাছে তারা আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হলেন মো. শাহজাহান মিয়া। মঙ্গলবার দিনব্যাপী সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আপিলের শুনানী অনুষ্ঠিত হয়।সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব এবং পরিচালক স্থানীয় সরকার) মো: জাকারিয়া বলেন, আপিল করা প্রার্থীদের মধ্যে দুজন মেয়র প্রার্থীর আপিল নামঞ্জুর হয়েছে। এর বাইরে সংরক্ষিত ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে আরও দুই প্রার্থীর আপিল আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। বাকি আট প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর হয়েছে। তাদের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই।

অন্যদিকে, প্রার্থীতা ফিরে পেতে মেয়র পদে ৩ জন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫ জন নারী কাউন্সিলর ও সাধারণ ওয়ার্ডে ৪ জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আপিল করেছিলেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলী সরকার, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তাহমিনা বেগম ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোছা. কামরুন নাহার চৌধুরী, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ফখরুল ইসলাম, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের আবু সাদেক মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. রফিকুল ইসলাম ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শাহাব উদ্দিন লাল প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে-তারা হলেন, দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান খান ও মাওলানা জাহিদ উদ্দিন চৌধুরী। এছাড়া, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ২ নম্বর ওয়ার্ডের জুমানা আক্তার জুঁই ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আয়শা বেগম। তবে আপিলে সাধারণ কাউন্সিলরের সবাই তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

গত ২৫ মে যাচাই-বাছাইকালে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সম্পদ বিবরণী ও আয়কর রিটার্নের কপি জমা না দেওয়ায় শাহজাহান মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন সিসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সল কাদির। আপিল শুনানির আগে সম্পদ বিবরণী ও আয়কর রিটার্নের কপি জমা দেওয়ায় তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আপিল করে দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান খান ও মাওলানা জাহিদ উদ্দিন চৌধুরীর ভাগ্য ফেরেনি। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া সমর্থক ভোটার তালিকায় ত্রুটির জন্য তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল। শুনানিতে একজন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় এখন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৭ জন।উল্লেখ্য,আগামী ২১ জুন সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ আগামী ২ জুন। এবার ৪২টি সাধারণ ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৩ জন।