সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান হবিগঞ্জ বহুলায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে প্রত্যাহার বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় যু’ক্তরাষ্ট্র সিলেটে হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন- আরিফ জরুরী মুহুর্তসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীদের দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের নির্দেশ- এমপি লুনা সিলেট বিভিন্ন অপরাধে অপরাধে গ্রেফতার ৬২, ১৪৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা বিয়ানীবাজারে শিশুকে বলাৎকার অভিযোগে আটক ১ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল- মন্ত্রী আরিফ

হবিগঞ্জে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,

সালিশ-বিচারক তোতা মিয়া হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত মো. আজিজুল হক এ রায় দেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- ভিংরাজ মিয়া, সিজিল মিয়া, ফজল মিয়া, জিতু মিয়া ও শাহ আলম। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন ইউনুছ মিয়া ও আব্দুল্লাহ মিয়া। এছাড়াও ৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মামলার বাকি ১৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুজ্জামান জানান, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সঠিক বিচার পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এর মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায়, সদর উপজেলার দীঘলবাক গ্রামের চলাচলের রাস্তার কিছু অংশ দখল করে টয়লেট নির্মাণ করেন একই গ্রামের শাহআলম। টয়লেটের ময়লাও তিনি রাস্তায় ছেড়ে দেন। এমনকি পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের কিছু অংশ কেটে তিনি নিজের জমির সঙ্গে মিশিয়ে নেন। এ নিয়ে গ্রামবাসী প্রতিবাদ জানান।

বিষয়টি দেখে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালিশের আয়োজন করেন। কিন্তু তিনি তাও মানেননি। উল্টো রাস্তা দখল করে মাচা বেঁধে চলাচল বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় মুরব্বি ও সালিশ বিচারক তোতা মিয়াসহ কয়েকজন আইনের দোহাই দিয়ে তাকে রাস্তা বন্ধ করতে নিষেধ করেন। তখন তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহআলম উত্তেজিত হয়ে তাদের শাসান।

২০১৪ সালের ১ আগস্ট দুপুরে তিনি দলবল নিয়ে তোতা মিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পর দিন ২ আগস্ট নিহতের ছেলে আব্দুল কাইয়ূম বাদী হয়ে ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,

সালিশ-বিচারক তোতা মিয়া হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত মো. আজিজুল হক এ রায় দেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- ভিংরাজ মিয়া, সিজিল মিয়া, ফজল মিয়া, জিতু মিয়া ও শাহ আলম। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন ইউনুছ মিয়া ও আব্দুল্লাহ মিয়া। এছাড়াও ৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মামলার বাকি ১৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুজ্জামান জানান, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সঠিক বিচার পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এর মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায়, সদর উপজেলার দীঘলবাক গ্রামের চলাচলের রাস্তার কিছু অংশ দখল করে টয়লেট নির্মাণ করেন একই গ্রামের শাহআলম। টয়লেটের ময়লাও তিনি রাস্তায় ছেড়ে দেন। এমনকি পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের কিছু অংশ কেটে তিনি নিজের জমির সঙ্গে মিশিয়ে নেন। এ নিয়ে গ্রামবাসী প্রতিবাদ জানান।

বিষয়টি দেখে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালিশের আয়োজন করেন। কিন্তু তিনি তাও মানেননি। উল্টো রাস্তা দখল করে মাচা বেঁধে চলাচল বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় মুরব্বি ও সালিশ বিচারক তোতা মিয়াসহ কয়েকজন আইনের দোহাই দিয়ে তাকে রাস্তা বন্ধ করতে নিষেধ করেন। তখন তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহআলম উত্তেজিত হয়ে তাদের শাসান।

২০১৪ সালের ১ আগস্ট দুপুরে তিনি দলবল নিয়ে তোতা মিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পর দিন ২ আগস্ট নিহতের ছেলে আব্দুল কাইয়ূম বাদী হয়ে ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।