সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ​মাদানী ঈদগাহ-ইকো পার্ক সড়কের বেহাল দশা: দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের​ শাহজালাল মাজারে ৫ লাখ টাকা দিলেন সাবেক ডিসি সারওয়ার সাংবাদিকের কলার ধরে ঘুষি-লাথি, অভিযুক্ত জামায়াত কর্মীরা– এসএমপির ডিবির অভিযান, চোরাইকৃত ৫ সিএনজিসহ গ্রেফতার ২ আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংবর্ধনা,‘সিলেটের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও শিক্ষার আধুনিকায়নে কাজ করব’: কয়েস লোদী মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করবেন: আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী, সোবহানীঘাট কামিল মাদরাসার বার্ষিক পাগড়ী প্রদান মাহফিল সিলেটে বনফুলের সামনে থেকে আটক সুহের সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে হ ত্যা র হুমকি বিদায়বেলায় সাবেক ডিসি সারওয়ার আলমের আবেগঘন স্ট্যাটাস ​সিলেটে স্থাপিত হচ্ছে দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট: বর্জ্য হবে জ্বালানি​- নগরভবনে মতবিনিময় সভা

হবিগঞ্জে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,

সালিশ-বিচারক তোতা মিয়া হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত মো. আজিজুল হক এ রায় দেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- ভিংরাজ মিয়া, সিজিল মিয়া, ফজল মিয়া, জিতু মিয়া ও শাহ আলম। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন ইউনুছ মিয়া ও আব্দুল্লাহ মিয়া। এছাড়াও ৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মামলার বাকি ১৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুজ্জামান জানান, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সঠিক বিচার পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এর মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায়, সদর উপজেলার দীঘলবাক গ্রামের চলাচলের রাস্তার কিছু অংশ দখল করে টয়লেট নির্মাণ করেন একই গ্রামের শাহআলম। টয়লেটের ময়লাও তিনি রাস্তায় ছেড়ে দেন। এমনকি পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের কিছু অংশ কেটে তিনি নিজের জমির সঙ্গে মিশিয়ে নেন। এ নিয়ে গ্রামবাসী প্রতিবাদ জানান।

বিষয়টি দেখে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালিশের আয়োজন করেন। কিন্তু তিনি তাও মানেননি। উল্টো রাস্তা দখল করে মাচা বেঁধে চলাচল বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় মুরব্বি ও সালিশ বিচারক তোতা মিয়াসহ কয়েকজন আইনের দোহাই দিয়ে তাকে রাস্তা বন্ধ করতে নিষেধ করেন। তখন তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহআলম উত্তেজিত হয়ে তাদের শাসান।

২০১৪ সালের ১ আগস্ট দুপুরে তিনি দলবল নিয়ে তোতা মিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পর দিন ২ আগস্ট নিহতের ছেলে আব্দুল কাইয়ূম বাদী হয়ে ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,

সালিশ-বিচারক তোতা মিয়া হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত মো. আজিজুল হক এ রায় দেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- ভিংরাজ মিয়া, সিজিল মিয়া, ফজল মিয়া, জিতু মিয়া ও শাহ আলম। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন ইউনুছ মিয়া ও আব্দুল্লাহ মিয়া। এছাড়াও ৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মামলার বাকি ১৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুজ্জামান জানান, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সঠিক বিচার পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এর মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায়, সদর উপজেলার দীঘলবাক গ্রামের চলাচলের রাস্তার কিছু অংশ দখল করে টয়লেট নির্মাণ করেন একই গ্রামের শাহআলম। টয়লেটের ময়লাও তিনি রাস্তায় ছেড়ে দেন। এমনকি পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের কিছু অংশ কেটে তিনি নিজের জমির সঙ্গে মিশিয়ে নেন। এ নিয়ে গ্রামবাসী প্রতিবাদ জানান।

বিষয়টি দেখে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালিশের আয়োজন করেন। কিন্তু তিনি তাও মানেননি। উল্টো রাস্তা দখল করে মাচা বেঁধে চলাচল বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় মুরব্বি ও সালিশ বিচারক তোতা মিয়াসহ কয়েকজন আইনের দোহাই দিয়ে তাকে রাস্তা বন্ধ করতে নিষেধ করেন। তখন তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহআলম উত্তেজিত হয়ে তাদের শাসান।

২০১৪ সালের ১ আগস্ট দুপুরে তিনি দলবল নিয়ে তোতা মিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পর দিন ২ আগস্ট নিহতের ছেলে আব্দুল কাইয়ূম বাদী হয়ে ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।