সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসকঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুলাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে কুলাউড়া গোগালী ছড়া বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত সিলেট ভারতীয় মসলার চালান উদ্ধার সিলেটের পীরমহল্লা থেকে অস্ত্রসহ আটক ১ সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১, ভর্তি ৪৩ সিলেটের ডিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের শোকজ সিলেট জেলা ডিবি ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২ কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত এসএমপি ট্রাফিক বিভাগের অভিযানে অবৈধ ভারতীয় কম্বল উদ্ধার সিলেটে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস- ২০২৬ উদযাপিত

বিয়েবাড়ির সাজে মার্কেট,লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নগরবাসী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন,

প্রচণ্ড গরমের মধ্যেই কয়েক দিন ধরে সিলেটে বেড়েছে লোডশেডিং।দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নগরবাসী।এর মধ্যে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর বিভিন্ন মার্কেট সেজেছে বিয়েবাড়ির সাজে।ক্রেতা টানতে নগরীর বিপণিবিতানগুলোতে এমন আলোকসজ্জা করা হয়েছে। সাধারণত মধ্য রোজার পর থেকে একে একে মার্কেটগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়। রকমারি বাতি জ্বালাতে অনেকেই ব্যবহার করছেন বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ।ফলে গত কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে যা প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ওপর।প্রচণ্ড গরমেও তাদের শিকার হতে হচ্ছে লোডশেডিংয়ের।

ইফতার-সেহরি সারতে হচ্ছে বিদ্যুৎহীন। দিনের অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গৃহস্থালি কাজের পানি সংকটে ভুগছেন অনেক এলাকার লোকজন।নগরীর জিন্দাবাজার, কোর্ট পয়েন্ট, নয়াসড়ক, বন্দরবাজার, বারুতখানা, উপশহর, কুমারপাড়া, আম্বরখানা, লামাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিজাত বিপণিবিতান ও মার্কেটগুলো আলোকসজ্জা করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ফুটপাতের ভাসমান দোকানদাররাও সরাসরি বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ টেনে আলোকসজ্জায় লিপ্ত হয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতাদের দৃষ্টি কাড়তেই প্রতি বছর ঈদের সময় মার্কেট আলোকসজ্জা করা হয়ে থাকে।জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জার ক্ষেত্রে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর হারই বেশি। তাদের বেশির ভাগই নামেমাত্র জেনারেটর রাখেন; কিন্তু গোপনে তারা আলোকসজ্জায় ব্যবহৃত সংযোগ নিজস্ব মিটার অথবা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ব্যবহার করছেন।

কুমারপাড়ায় অবস্থিত বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজগুলোতে রীতিমতো বিয়েবাড়ির লাইটিং করা হয়েছে। আলাদা জেনারেটর সংযোগ ছাড়াই এসব লাইটিং করা হয়। অবৈধ সংযোগ ব্যবহারে তাদের সহযোগিতা করেন বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু লাইনম্যান। যদিও সরকারিভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী নীতি অর্থাৎ অপচয়রোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু সিলেটের ঈদ মৌসুমে এই নীতিমালা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। চরম দুর্ভোগের শিকার হয়ে যার খেসারত দিচ্ছেন নগরবাসী।

এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানান,স্থানীয় সমস্যা, বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটির জন্য লোডশেডিং হয়।তবে লোডশেডিং করার কোনো নির্দেশনা নেই।মার্কেটে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেকে এ নিয়ম মানছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ ব্যবহার জনভোগান্তির সৃষ্টি করছে। তবে চোরাইভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেবে পিডিবি।এছাড়া কেউ মিটার থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও তার কাছ থেকে বাণিজ্যিক হারে দাম নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিয়েবাড়ির সাজে মার্কেট,লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নগরবাসী

আপডেট সময় : ০২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন,

প্রচণ্ড গরমের মধ্যেই কয়েক দিন ধরে সিলেটে বেড়েছে লোডশেডিং।দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নগরবাসী।এর মধ্যে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর বিভিন্ন মার্কেট সেজেছে বিয়েবাড়ির সাজে।ক্রেতা টানতে নগরীর বিপণিবিতানগুলোতে এমন আলোকসজ্জা করা হয়েছে। সাধারণত মধ্য রোজার পর থেকে একে একে মার্কেটগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়। রকমারি বাতি জ্বালাতে অনেকেই ব্যবহার করছেন বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ।ফলে গত কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে যা প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ওপর।প্রচণ্ড গরমেও তাদের শিকার হতে হচ্ছে লোডশেডিংয়ের।

ইফতার-সেহরি সারতে হচ্ছে বিদ্যুৎহীন। দিনের অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গৃহস্থালি কাজের পানি সংকটে ভুগছেন অনেক এলাকার লোকজন।নগরীর জিন্দাবাজার, কোর্ট পয়েন্ট, নয়াসড়ক, বন্দরবাজার, বারুতখানা, উপশহর, কুমারপাড়া, আম্বরখানা, লামাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিজাত বিপণিবিতান ও মার্কেটগুলো আলোকসজ্জা করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ফুটপাতের ভাসমান দোকানদাররাও সরাসরি বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ টেনে আলোকসজ্জায় লিপ্ত হয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতাদের দৃষ্টি কাড়তেই প্রতি বছর ঈদের সময় মার্কেট আলোকসজ্জা করা হয়ে থাকে।জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জার ক্ষেত্রে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর হারই বেশি। তাদের বেশির ভাগই নামেমাত্র জেনারেটর রাখেন; কিন্তু গোপনে তারা আলোকসজ্জায় ব্যবহৃত সংযোগ নিজস্ব মিটার অথবা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ব্যবহার করছেন।

কুমারপাড়ায় অবস্থিত বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজগুলোতে রীতিমতো বিয়েবাড়ির লাইটিং করা হয়েছে। আলাদা জেনারেটর সংযোগ ছাড়াই এসব লাইটিং করা হয়। অবৈধ সংযোগ ব্যবহারে তাদের সহযোগিতা করেন বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু লাইনম্যান। যদিও সরকারিভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী নীতি অর্থাৎ অপচয়রোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু সিলেটের ঈদ মৌসুমে এই নীতিমালা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। চরম দুর্ভোগের শিকার হয়ে যার খেসারত দিচ্ছেন নগরবাসী।

এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানান,স্থানীয় সমস্যা, বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটির জন্য লোডশেডিং হয়।তবে লোডশেডিং করার কোনো নির্দেশনা নেই।মার্কেটে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেকে এ নিয়ম মানছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ ব্যবহার জনভোগান্তির সৃষ্টি করছে। তবে চোরাইভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেবে পিডিবি।এছাড়া কেউ মিটার থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও তার কাছ থেকে বাণিজ্যিক হারে দাম নেওয়া হবে।