সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে সিলেটে চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের হবিগঞ্জ চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি হবিগঞ্জ বাহুবল-রাজাপুর সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সিলেট হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু সিলেট পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৭১ সিলেট চোরাই পণ্য বালুর ট্রাক ও প্রাইভেট কারসহ আটক ১ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪ প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান

গুলিস্তানে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনো নিখোঁজ ৩

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজারে ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনো তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন।বুধবার সকালে ঢাকা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।নিখোঁজ তিনজন হলেন মো. মেহেদী হাসান স্বপন, ইমতিয়াজ মোহাম্মদ ভূঁইয়া (সেলিম) ও মো. রবিন হোসেন।আব্দুর রহমান জানান, রাতে পাঁচজনের পরিবার ঢাকা মেডিকেলে তাদের স্বজনদের খুঁজতে আসেন। পরে দুজনের খোঁজ পাওয়া গেছে। বাকি তিনজনের এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মো. মেহেদী হাসানের দুলাভাই আবু তাহের গণমাধ্যমকে জানান, তার শ্যালক সিদ্দিকবাজারের ওই ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে বাংলাদেশ স্যানিটারি নামের একটি দোকানে কাজ করত। ঘটনার পর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।বাকি দুজনের মধ্যে ইমতিয়াজ মোহাম্মদ ভূঁইয়া পথচারী ও রবিন হোসেন ওই ভবনের একটি দোকানে কাজ করত বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিবারের কারওর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এদিকে নিহতদের মধ্যে ১৬ জনের মরদেহ মঙ্গলবার রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া গুরুতর আহতদের ২৫ হাজার টাকা এবং কম আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অস্থায়ী বুথ করে এসব সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।এর আগে মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে গুলিস্তানে বিআরটিসির বাস কাউন্টারের কাছে সিদ্দিকবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাশাপাশি দুটি বহুতল ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি ভবন সাততলা এবং আরেকটি পাঁচতলা। এর মধ্যে সাততলা ভবনের বেসমেন্ট, প্রথম ও দ্বিতীয়তলা বিধ্বস্ত হয়েছে। আর পাঁচতলা ভবনের নিচতলা বিধ্বস্ত হয়েছে। এই ভবনের দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যালয়।এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গুলিস্তানে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনো নিখোঁজ ৩

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩

রাজধানীর গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজারে ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনো তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন।বুধবার সকালে ঢাকা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।নিখোঁজ তিনজন হলেন মো. মেহেদী হাসান স্বপন, ইমতিয়াজ মোহাম্মদ ভূঁইয়া (সেলিম) ও মো. রবিন হোসেন।আব্দুর রহমান জানান, রাতে পাঁচজনের পরিবার ঢাকা মেডিকেলে তাদের স্বজনদের খুঁজতে আসেন। পরে দুজনের খোঁজ পাওয়া গেছে। বাকি তিনজনের এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মো. মেহেদী হাসানের দুলাভাই আবু তাহের গণমাধ্যমকে জানান, তার শ্যালক সিদ্দিকবাজারের ওই ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে বাংলাদেশ স্যানিটারি নামের একটি দোকানে কাজ করত। ঘটনার পর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।বাকি দুজনের মধ্যে ইমতিয়াজ মোহাম্মদ ভূঁইয়া পথচারী ও রবিন হোসেন ওই ভবনের একটি দোকানে কাজ করত বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিবারের কারওর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এদিকে নিহতদের মধ্যে ১৬ জনের মরদেহ মঙ্গলবার রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া গুরুতর আহতদের ২৫ হাজার টাকা এবং কম আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অস্থায়ী বুথ করে এসব সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।এর আগে মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে গুলিস্তানে বিআরটিসির বাস কাউন্টারের কাছে সিদ্দিকবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাশাপাশি দুটি বহুতল ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি ভবন সাততলা এবং আরেকটি পাঁচতলা। এর মধ্যে সাততলা ভবনের বেসমেন্ট, প্রথম ও দ্বিতীয়তলা বিধ্বস্ত হয়েছে। আর পাঁচতলা ভবনের নিচতলা বিধ্বস্ত হয়েছে। এই ভবনের দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যালয়।এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।