সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট ওসমানী হাসপাতালের পাঁচ তলা থেকে পড়ে রোগীর আত্মহত্যা ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মহাসচিব মনোনয়ন গ্রহণ থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে থাই প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে এসএসসিতে শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ফেল ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ সিলেট দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ সিলেটে স্বামী উপপরিচালক ক্ষমতার কেন্দ্রে স্ত্রী! জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মাধবপুর ডিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার সিলেটে হামের উপসর্গে মৃত্যু ৩

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি এবং মাংস বণ্টন করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এসময় মাংস বেশি খাওয়া হয়। তবে এই মাংস খেতে হবে বুঝেশুনে। নয়তো দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্য জটিলতা। সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, খালি, ভেড়া, উট, দুম্বা ইত্যাদি প্রাণী কুরবানি দেওয়া হয়। এসব পশুর মাংসে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তার সঙ্গে আরও অনেক ভারি খাবারের আয়োজন থাকে। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গরুর মাংস খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোন খাবার, চলুন জেনে নেই- ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিকিতা কোহলি সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে এই সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন। তার মতে, মাংস খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হলো দুধ। মাংস খাওয়ার পর দুধ বা দুধজাতীয় কোনো খাবার খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কেননা, দুধ হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।

অন্যদিকে মাংসও সহজে হজম বা শোষণ হয় না। তাই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মাংস আর দুধ দুটো খাবার পাচনক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করে, যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করার পাশাপাশি এর ক্ষতিসাধন করতে শুরু করে। এটি ত্বকের নানা সমস্যা, অ্যালার্জি, স্টমাক সমস্যা, হজমের সমস্যা, গ্যাস হওয়া, আলসারের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অ্যাসিড বা আরও রোগের কারণ হতে পারে। কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস, ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পর পর খাবেন না। মাংস রান্নায় তরল দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না

আপডেট সময় : ১০:১৭:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি এবং মাংস বণ্টন করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এসময় মাংস বেশি খাওয়া হয়। তবে এই মাংস খেতে হবে বুঝেশুনে। নয়তো দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্য জটিলতা। সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, খালি, ভেড়া, উট, দুম্বা ইত্যাদি প্রাণী কুরবানি দেওয়া হয়। এসব পশুর মাংসে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তার সঙ্গে আরও অনেক ভারি খাবারের আয়োজন থাকে। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গরুর মাংস খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোন খাবার, চলুন জেনে নেই- ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিকিতা কোহলি সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে এই সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন। তার মতে, মাংস খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হলো দুধ। মাংস খাওয়ার পর দুধ বা দুধজাতীয় কোনো খাবার খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কেননা, দুধ হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।

অন্যদিকে মাংসও সহজে হজম বা শোষণ হয় না। তাই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মাংস আর দুধ দুটো খাবার পাচনক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করে, যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করার পাশাপাশি এর ক্ষতিসাধন করতে শুরু করে। এটি ত্বকের নানা সমস্যা, অ্যালার্জি, স্টমাক সমস্যা, হজমের সমস্যা, গ্যাস হওয়া, আলসারের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অ্যাসিড বা আরও রোগের কারণ হতে পারে। কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস, ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পর পর খাবেন না। মাংস রান্নায় তরল দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।