সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত শনিবার থেকে সব বাসে জিপিএস বাধ্যতামূলক ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিনা, যা জানা গেল এমএসএফের প্রতিবেদন জুলাইয়ে বেড়েছে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা সিলেটে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ ফোরামের আলোচনা সভা সম্পন্ন ‘ইউথহাব সিলেট’র উদ্যোগে অসহায়দের মধ্যে খাবার বিতরণ এসপিএসের তৃতীয় জাতীয় আলোকচিত্র প্রদর্শনী সিলেট-সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ রেলপথ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আত্ম প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ‘‌জাতীয় অতিথি ও প্রশাসনের অংশগ্রহণে রথযাত্রা মহামিলনমেলায় পরিণত’ সরকারে ৫ মাসেই তারেক রহমান, দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছেন- সিলেটে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

সিলেট জেলায় চার লাখের অধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক‍্যাপসুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :
সিলেট জেলায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ৪ লাখ ১৫ হাজার ২৪৭ জন শিশুকে । শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ‘এ’ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুপুষ্টি। ভিটামিন এ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’ এ প্রতিপাদ্যে জেলায় আগামী শনিবার (১ জুন) দিনব্যাপী জেলার মোট ২ হাজার ৪ শতটি অস্থায়ী ও ১৩টি স্থায়ী কেন্দ্রে এ ক্যাম্পেইন চলবে। আজ বৃহস্পতিবার ৩০ মে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই সভাকক্ষে আয়োজিত জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৪ বিষয়ে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় এতথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী।

তিনি বলেন, ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবুজ শাক সবজি ও হলুদ ফল মূল খাওয়ানো এবং রান্নায় ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্য তেল ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন পুষ্টি বার্তাও এ ক্যাম্পেইন প্রদান করা হবে। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৪ হাজার ৬৪৩ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৭০ হাজার ৬০৪জন শিশুকে লাল রঙয়ের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি আরো বলেন, ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা থেকে শুরু করে জেরোপথ্যালমিয়ার মত রোগ হতে পারে যাতে চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ লোপ পেতে পারে। কোন শিশুই যেন ভিটামিন এ প্লাস প্রোগ্রামের বাইরে না থাকে সেজন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সিলেট জেলার সকল উপজেলার তদারককারি, মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসবীগণকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ক্যাম্পেইনের প্রতিটি কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবীসহ মোট তিন জন করে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, মেডিকেল অফিসার (সিএস) ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায়, মেডিকেল অফিসার (ডিআরএস) স্নিগ্ধা তালুকদারসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট জেলায় চার লাখের অধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক‍্যাপসুল

আপডেট সময় : ০২:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন :
সিলেট জেলায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ৪ লাখ ১৫ হাজার ২৪৭ জন শিশুকে । শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ‘এ’ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুপুষ্টি। ভিটামিন এ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’ এ প্রতিপাদ্যে জেলায় আগামী শনিবার (১ জুন) দিনব্যাপী জেলার মোট ২ হাজার ৪ শতটি অস্থায়ী ও ১৩টি স্থায়ী কেন্দ্রে এ ক্যাম্পেইন চলবে। আজ বৃহস্পতিবার ৩০ মে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই সভাকক্ষে আয়োজিত জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৪ বিষয়ে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় এতথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী।

তিনি বলেন, ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবুজ শাক সবজি ও হলুদ ফল মূল খাওয়ানো এবং রান্নায় ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্য তেল ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন পুষ্টি বার্তাও এ ক্যাম্পেইন প্রদান করা হবে। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৪ হাজার ৬৪৩ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৭০ হাজার ৬০৪জন শিশুকে লাল রঙয়ের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি আরো বলেন, ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা থেকে শুরু করে জেরোপথ্যালমিয়ার মত রোগ হতে পারে যাতে চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ লোপ পেতে পারে। কোন শিশুই যেন ভিটামিন এ প্লাস প্রোগ্রামের বাইরে না থাকে সেজন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সিলেট জেলার সকল উপজেলার তদারককারি, মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসবীগণকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ক্যাম্পেইনের প্রতিটি কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবীসহ মোট তিন জন করে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, মেডিকেল অফিসার (সিএস) ডা. স্বপ্নীল সৌরভ রায়, মেডিকেল অফিসার (ডিআরএস) স্নিগ্ধা তালুকদারসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।