সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জলাবদ্ধতা নিরসনে সিলেটের তিন ওয়ার্ডে ৬টি বর্জ্যবাহী ভ্যান বিতরণ সিলেট শহরের প্রতিটি স্কুলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হবে: সিসিক প্রশাসক সিলেটে মৃত্যু ১, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি আক্রান্ত রোগী ২০০ সিলেট সীমান্ত থেকে একাত্তর লক্ষ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটে কাজলশাহ বাধন আবাসিক হোটেল থেকে ৬ নারী-পুরুষ আটক সাংবাদিক তুহিনের মৃত্যুতে সিসিক প্রশাসকের শোক বিশ্ব হার্ট দিবসের আলোচনায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী পরিবেশ দূষণ রোধে দেয়াল লিখন প্রতিযোগিতা স্মরণসভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট চেম্বারের প্রশাসকের সাথে ভারত থেকে আগত বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়

রমজানের শেষ দশকে রাসূলের ৬টি কাজ মনে করিয়ে দিলেন-শায়খ আহমাদুল্লাহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪ ২৭০ বার পড়া হয়েছে

 ইসলাম ও জীবন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

রমজানের শেষ দশক শুরু হয়ে গেছে। রহমত, মাগফিরাতের পর নাজাতের দশক চলছে। রমজানের শেষ দশ দিনে রাসূল (সা.) ছয়টি কাজ বেশি বেশি করতেন। সেগুলো মনে করিয়ে দিয়ে সবাইকে তা অনুস্মরণের আহ্বান জানিয়েছেন আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
 
রাসুল যা করতেন-
এক. ইতিকাফ করতেন। 
দুই. জীবনের অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ইবাদত সাধনায় রত থাকতেন। 
তিন. রাত্রি জাগরণ করতেন। 
চার. পরিবারকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। 
পাঁচ. কোমর বেঁধে ইবাদতে মগ্ন হতেন। 
ছয়. লাইলাতুল কদর খোঁজার আশায় শেষ দশ রাতে (বিশেষত বেজোড় রাতগুলোতে) ইবাদত করতেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, রমজানের শেষ দশক মহাসৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়। এই সৌভাগ্য লাভ করতে হলে আমাদেরকে ইবাদত ও রাত্রি জাগরণের পেছনে সর্বশক্তি ব্যয় করতে হবে। ঈদের কেনাকাটা এবং গ্রামের বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি যেন আমাদের শেষ দশকের ইবাদতে বাধা সৃষ্টি না করে। আল্লাহ তাওফীক দান করুন, আমীন।

রোজা নিয়ে আমাদের ২০ ভুল ধারণা: শায়খ আহমাদুল্লাহ

রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস হলো পবিত্র রমজান। সংযম ও সহনশীলতা অনুশীলনের জন্য আল্লাহ আমাদের ওপর রোজা ফরজ করেছেন। রমজানের রোজা সম্পর্কে আমাদের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। এই ভুলধারণাগুলো সংশোধন করে নিতে বলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

রোজা সম্পর্কিত ২০টি ভুল হচ্ছে-

১. রমজানের চাঁদ না দেখা।
২. রোজার জন্য শুধু খাবার মজুদ করা।
৩. বাচ্চাদের রোজা রাখতে না দেয়া।
৪. মুখের নিয়তকে জরুরি মনে করা।
৫. রোজা রেখেও পাপ কাজ করা।
৬. মিসওয়াক করাকে দোষের মনে করা।
৭. সেহরি বেশি দ্রুত বা বেশি দেরি করে খাওয়া।
৮. গোসল ফরজ হলে সেহরি খাওয়াকে দোষের মনে করা।
৯. সেহরি না খেলে রোজা হয় না মনে করা।
১০. সেহরিতে খেজুর না খাওয়া।

১১. সেহরিতে দোয়া না করা।
১২. থুতু গিললে রোজা ভেঙে গেছে মনে করা।
১৩. ফজর পড়ে ঘুমানো।
১৪. মাগরিবের আজানের জবাব না দেয়া।
১৫. তারাবির নামাজে তাড়াহুড়ো ও চার রাকাত পরপর দোয়াকে জরুরি মনে করা।
১৬. রোজা রেখে সময় অপচয় করা।
১৭. ইফতারদাতার জন্য দোয়া না করা।
১৮. ইতেকাফ না করা।
১৯. রোজার শেষ দিন কেনাকাটায় বেশি ব্যস্ত হওয়া।
২০. ফিতরা সময়মতো আদায় না করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রমজানের শেষ দশকে রাসূলের ৬টি কাজ মনে করিয়ে দিলেন-শায়খ আহমাদুল্লাহ

আপডেট সময় : ০৭:০২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

 ইসলাম ও জীবন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

রমজানের শেষ দশক শুরু হয়ে গেছে। রহমত, মাগফিরাতের পর নাজাতের দশক চলছে। রমজানের শেষ দশ দিনে রাসূল (সা.) ছয়টি কাজ বেশি বেশি করতেন। সেগুলো মনে করিয়ে দিয়ে সবাইকে তা অনুস্মরণের আহ্বান জানিয়েছেন আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
 
রাসুল যা করতেন-
এক. ইতিকাফ করতেন। 
দুই. জীবনের অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ইবাদত সাধনায় রত থাকতেন। 
তিন. রাত্রি জাগরণ করতেন। 
চার. পরিবারকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। 
পাঁচ. কোমর বেঁধে ইবাদতে মগ্ন হতেন। 
ছয়. লাইলাতুল কদর খোঁজার আশায় শেষ দশ রাতে (বিশেষত বেজোড় রাতগুলোতে) ইবাদত করতেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, রমজানের শেষ দশক মহাসৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়। এই সৌভাগ্য লাভ করতে হলে আমাদেরকে ইবাদত ও রাত্রি জাগরণের পেছনে সর্বশক্তি ব্যয় করতে হবে। ঈদের কেনাকাটা এবং গ্রামের বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি যেন আমাদের শেষ দশকের ইবাদতে বাধা সৃষ্টি না করে। আল্লাহ তাওফীক দান করুন, আমীন।

রোজা নিয়ে আমাদের ২০ ভুল ধারণা: শায়খ আহমাদুল্লাহ

রহমত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস হলো পবিত্র রমজান। সংযম ও সহনশীলতা অনুশীলনের জন্য আল্লাহ আমাদের ওপর রোজা ফরজ করেছেন। রমজানের রোজা সম্পর্কে আমাদের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। এই ভুলধারণাগুলো সংশোধন করে নিতে বলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

রোজা সম্পর্কিত ২০টি ভুল হচ্ছে-

১. রমজানের চাঁদ না দেখা।
২. রোজার জন্য শুধু খাবার মজুদ করা।
৩. বাচ্চাদের রোজা রাখতে না দেয়া।
৪. মুখের নিয়তকে জরুরি মনে করা।
৫. রোজা রেখেও পাপ কাজ করা।
৬. মিসওয়াক করাকে দোষের মনে করা।
৭. সেহরি বেশি দ্রুত বা বেশি দেরি করে খাওয়া।
৮. গোসল ফরজ হলে সেহরি খাওয়াকে দোষের মনে করা।
৯. সেহরি না খেলে রোজা হয় না মনে করা।
১০. সেহরিতে খেজুর না খাওয়া।

১১. সেহরিতে দোয়া না করা।
১২. থুতু গিললে রোজা ভেঙে গেছে মনে করা।
১৩. ফজর পড়ে ঘুমানো।
১৪. মাগরিবের আজানের জবাব না দেয়া।
১৫. তারাবির নামাজে তাড়াহুড়ো ও চার রাকাত পরপর দোয়াকে জরুরি মনে করা।
১৬. রোজা রেখে সময় অপচয় করা।
১৭. ইফতারদাতার জন্য দোয়া না করা।
১৮. ইতেকাফ না করা।
১৯. রোজার শেষ দিন কেনাকাটায় বেশি ব্যস্ত হওয়া।
২০. ফিতরা সময়মতো আদায় না করা।