সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান কেরালায় বাম দুর্গে মুসলিম তরুণীর বিজয় আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান ভোট দিয়ে বেহেশত নয়, আমলই আসল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ‘আমার জানাজা পড়াবে না যারা বলে তারা জামায়াতের লোক’ ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি হবিগঞ্জ আজমিরীগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড সিলেটে হাম ও রুবেলা রোগে ২ শিশুর মৃত্যু সিলেটে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৪ সিলেট মহানগরের জনদুর্ভোগ লাঘব ও নগরবাসীর নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সকল অফিসার ও ফোর্সদের আহ্বান-পুলিশ কমিশনার সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ৭০৭তম পবিত্র উরুস উপলক্ষে মাজার পরিদর্শন ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং

ওসমানীতে বন্ধ হতে পারে বিমান ওঠা-নামা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন:

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আধুনিকায়নের কাজের জন্য মাটি খনন করতে গিয়ে জেট ফুয়েল সরবরাহের হাইড্রেন্ট লাইনটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি কাটা পড়েছে ডিপোর পিএলসি সিস্টেমের অপটিক্যাল ফাইবার কেব্‌লও (ওএফসি)।এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিমানবন্দরে নিরবচ্ছিন্ন জেট ফুয়েল সরবরাহ।ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আধুনিকায়নে নতুন টার্মিনাল নির্মাণ,রানওয়ে সম্প্রসারণসহ নানা কাজ চলছে।এর অংশ হিসেবে বর্ধিত করা হচ্ছে অ্যাপ্রোন।

জেট ফুয়েল সরবরাহ বন্ধের ঝুঁকির বিষয়টি জানিয়ে ২০ নভেম্বর ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালককে চিঠি দিয়েছে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পক্ষে সংস্থার উপব্যবস্থাপক (এভিয়েশন) মো. আনোয়ার সাদাত ওই চিঠি দেন।চিঠিতে বলা হয়,সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) কর্তৃক ৪ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ কাজে এক্সকাভেটরের মাধ্যমে মাটি খননের সময় পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত জেট এ-১ হাইড্রেন্ট লাইনটি উন্মুক্ত হয়ে যায়।এ সময় ডিপোর পিএলসি সিস্টেমের ওএফসি কেব্‌ল কাটা পড়ে। যার ফলে অ্যাপ্রোন এলাকায় ইমার্জেন্সি শাট অফ বাটনের (ইএসবি) সঙ্গে ডিপোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।অন্যদিকে বেবিচকের বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র থেকে পদ্মা অয়েল ডিপো পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ এলাকা বরাবর পদ্মা অয়েল এ ডিপো পর্যন্ত গেছে।তাই অ্যাপ্রোন নির্মাণকালীন বিচ্ছিন্ন ইএসবি অবিলম্বে পুনঃসংযোগ করে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়ন ও অবতরণ বিমানে জ্বালানি সরবরাহে নিরাপত্তা ও ঝুঁকি পরিহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

হাইড্রেন্ট লাইনটি ওসমানী বিমানবন্দরের জ্বালানি তেল সরবরাহের অন্যতম ব্যবস্থা জানিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়,হাইড্রেন্টে কোনো সমস্যা হলে বিমানবন্দরের জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধসহ নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া ৪ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজসংলগ্ন অ্যাপ্রোনের বর্ধিতকরণ কাজের এলাকায় হাইড্রেন্ট লাইনের ভাল্‌ভ চেম্বার রয়েছে। অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ কাজের ফলে এই ভাল্‌ভ চেম্বার ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।মাটি খননের কারণে পাইপলাইন উন্মুক্ত হয়েছে।এ জন্য সতর্কতার সঙ্গে বাকি কাজ সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে পদ্মা অয়েল।নতুবা পাইপলাইনের লেভেল পরিবর্তন হয়ে এই লাইনে জ্বালানি তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হবে বলে সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ প্রসঙ্গে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন,বিমানবন্দরের ৪ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ কাজ চলছে।সেখানে এক্সকাভেটরের মাধ্যমে মাটি খননের সময় কেব্‌ল কাটা পড়েছে।এটি কোনো বড় ঘটনা নয়।হাইড্রেন্ট লাইনটি উন্মুক্ত হওয়ায় বিমানবন্দরে জ্বালানি সরবরাহেও কোনো সমস্যা হয়নি।উড়োজাহাজে জেট ফুয়েল সরবরাহ স্বাভাবিক আছে।উল্লেখ্য,ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেট ফুয়েল ডিপো,পূর্ণাঙ্গ টার্মিনাল ভবন নির্মাণসহ মেগা প্রকল্পের খরচ ধরা হয় ২ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা।প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বছরে ২০ লাখ যাত্রী চলাচল করতে পারবে।বর্তমানে প্রতিবছর গড়ে ৫ লাখ যাত্রী বিমানবন্দরটি ব্যবহার করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ওসমানীতে বন্ধ হতে পারে বিমান ওঠা-নামা

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন:

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আধুনিকায়নের কাজের জন্য মাটি খনন করতে গিয়ে জেট ফুয়েল সরবরাহের হাইড্রেন্ট লাইনটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি কাটা পড়েছে ডিপোর পিএলসি সিস্টেমের অপটিক্যাল ফাইবার কেব্‌লও (ওএফসি)।এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিমানবন্দরে নিরবচ্ছিন্ন জেট ফুয়েল সরবরাহ।ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আধুনিকায়নে নতুন টার্মিনাল নির্মাণ,রানওয়ে সম্প্রসারণসহ নানা কাজ চলছে।এর অংশ হিসেবে বর্ধিত করা হচ্ছে অ্যাপ্রোন।

জেট ফুয়েল সরবরাহ বন্ধের ঝুঁকির বিষয়টি জানিয়ে ২০ নভেম্বর ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালককে চিঠি দিয়েছে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পক্ষে সংস্থার উপব্যবস্থাপক (এভিয়েশন) মো. আনোয়ার সাদাত ওই চিঠি দেন।চিঠিতে বলা হয়,সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) কর্তৃক ৪ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ কাজে এক্সকাভেটরের মাধ্যমে মাটি খননের সময় পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত জেট এ-১ হাইড্রেন্ট লাইনটি উন্মুক্ত হয়ে যায়।এ সময় ডিপোর পিএলসি সিস্টেমের ওএফসি কেব্‌ল কাটা পড়ে। যার ফলে অ্যাপ্রোন এলাকায় ইমার্জেন্সি শাট অফ বাটনের (ইএসবি) সঙ্গে ডিপোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।অন্যদিকে বেবিচকের বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র থেকে পদ্মা অয়েল ডিপো পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ এলাকা বরাবর পদ্মা অয়েল এ ডিপো পর্যন্ত গেছে।তাই অ্যাপ্রোন নির্মাণকালীন বিচ্ছিন্ন ইএসবি অবিলম্বে পুনঃসংযোগ করে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়ন ও অবতরণ বিমানে জ্বালানি সরবরাহে নিরাপত্তা ও ঝুঁকি পরিহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

হাইড্রেন্ট লাইনটি ওসমানী বিমানবন্দরের জ্বালানি তেল সরবরাহের অন্যতম ব্যবস্থা জানিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়,হাইড্রেন্টে কোনো সমস্যা হলে বিমানবন্দরের জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধসহ নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া ৪ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজসংলগ্ন অ্যাপ্রোনের বর্ধিতকরণ কাজের এলাকায় হাইড্রেন্ট লাইনের ভাল্‌ভ চেম্বার রয়েছে। অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ কাজের ফলে এই ভাল্‌ভ চেম্বার ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।মাটি খননের কারণে পাইপলাইন উন্মুক্ত হয়েছে।এ জন্য সতর্কতার সঙ্গে বাকি কাজ সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে পদ্মা অয়েল।নতুবা পাইপলাইনের লেভেল পরিবর্তন হয়ে এই লাইনে জ্বালানি তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হবে বলে সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ প্রসঙ্গে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন,বিমানবন্দরের ৪ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অ্যাপ্রোন বর্ধিতকরণ কাজ চলছে।সেখানে এক্সকাভেটরের মাধ্যমে মাটি খননের সময় কেব্‌ল কাটা পড়েছে।এটি কোনো বড় ঘটনা নয়।হাইড্রেন্ট লাইনটি উন্মুক্ত হওয়ায় বিমানবন্দরে জ্বালানি সরবরাহেও কোনো সমস্যা হয়নি।উড়োজাহাজে জেট ফুয়েল সরবরাহ স্বাভাবিক আছে।উল্লেখ্য,ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেট ফুয়েল ডিপো,পূর্ণাঙ্গ টার্মিনাল ভবন নির্মাণসহ মেগা প্রকল্পের খরচ ধরা হয় ২ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা।প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বছরে ২০ লাখ যাত্রী চলাচল করতে পারবে।বর্তমানে প্রতিবছর গড়ে ৫ লাখ যাত্রী বিমানবন্দরটি ব্যবহার করছে।