কর্তৃত্ব নয় ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে জনগণকে আপন করে নিতে হবে- সিলেটে রাষ্ট্রদূত মুশফিক
- আপডেট সময় : ০৪:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫ ৬১ বার পড়া হয়েছে
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাষ্ট্র কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব সরকারী কর্মকর্তাদের জন্য সেবা করার একটা সুযোগ উল্লেখ করে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, ‘কর্তৃত্ব নয় ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে সেবা করার জন্য দেশের জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে, নিতে হবে আপন করে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশে একটা গণঅভ্যুত্থান ঘটে যাবার পর যতই আপনি উন্নয়নের কথা বলেন, যদি মানসিকতার পরিবর্তন না হয়, তাহলে এই সংকটগুলো থেকেই যাবে, আমাদের মধ্যে হতাশা বাসা বাঁধবে। আমরা যে যেখানে আছি নিজের কাজটা ঠিকমত করে অন্তত অন্যের সমালোচনায় মুখর হই।
শনিবার সিলেট শহরে জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ‘সিলেট বিভাগের বর্তমান শিক্ষা ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী এসব কথা বলেন।
সিলেট জেলা প্রশাসন এবং জালালাবাদ অফিসার্স এসোসিয়েশন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. সৈয়দ মাসুম আহমেদ চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জালালাবাদ অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি এবং ডাক এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু নাসের খান।
রাষ্ট্রদূত মুশফিক তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘সরকারী কর্মকর্তা যারা বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন তাদের মনে রাখা উচিত ট্যাক্সের টাকায় আপনাদের বেতন-ভাতা নিশ্চিত হয়, ভালো গাড়িতে চড়েন। এই জবাবদিহিতাটুকু থাকতে হব। মনে রাখতে হবে আমরা মনিবের আসনে নই, সেবকের দায়িত্বে।’
বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রশাসনের কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা পরিহারের আহ্বান জানিয়ে এই রাষ্ট্রদূত বলেন, “কর্তৃত্বপরায়ণতা যেনো আমাদের গ্রাস না করে, পারস্পরিক সমঝোতা এবং সম্মানের একটি পরিবেশ যেনো তৈরি হয়। এই জিনিসটা আমাদের সমাজে খুব অভাব। এক শ্রেণী মনে করে আমি উপরতলার মানুষ, আর অন্য জন মনে করে আমার জন্মই হয়েছে যেনো মানুষকে সালাম দেয়ার জন্য – এই ব্যবধান এবং দ্বিধার জায়গা ভেঙে দিতে হবে।


























