সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ছবি তুললেই হামলা, কারণ কী? ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকা বিভাগে সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ সিলেটে আরও একজনের প্রাণ হানি পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রে প্তা রি পরোয়ানা সিলেটে ৫ বছরে সব রাস্তা পাকাকরণের আশ্বাস – সিসিক প্রশাসক সিলেট জৈন্তাপুরে ৬৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, আটক ৩ সিলেট ৪১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসকনগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না

সিলেটে ভারী বর্ষণ, সুরমা ও কুশিয়ারার ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায় পানি বাড়ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের অঞ্চলে আরও দু’একদিন ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলেও জানিয়েছে  আবহাওয়া অফিস। স্বাভাবিকভাবে সুরমা কুশিয়ারার পানিও বাড়তে থাকবে।উজানে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। বৃষ্টি হচ্ছে সিলেট অঞ্চলেও। গত ২৪ ঘন্টায় এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৮৯ দশমিক ৭ মিলিমিটার। এর প্রভাব পড়ছে সিলেটের নদ-নদীতে। বিশেষ করে সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বাড়ছে।

রবিবার (২১ জুন) বিকালে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সুরমা কুশিয়ারাসহ সিলেট অঞ্চলের সবগুলো নদীর পানিই বাড়ছে। যদিও তা এখনো বিপৎসীমার নিচেই আছে।

সিলেটের কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। রবিবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায়। সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ১৪ মিটারে। দুপুর ১২টায় ছিল ১২ দশমিক ২৫ মিটার উচ্চতায়। তবে এরপর এ পয়েন্টে পানি কিছুটা কমেছে। বিকাল ৩টায় কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ১২ দশমিক ১৮ মিটার উচ্চতায়।

সিলেট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার। রবিবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ৯ দশমিক ২৬ মিটার উচ্চতায়। আর বিকাল ৩টায় পানি বেড়ে দাঁঢ়িয়েছে ৯দশমিক ৪৯মিটাির।

আমলশিদ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ১১ মিটার। আর বিকাল ৩টা তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ২০ মিটারে।

শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১১ মিটার। আর বিকাল তিনটায় পানির উচ্চতা দাঁড়ায় ১১ দশমিক ১ মিটারে।

ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৪৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৯ দশমিক ৬ মিটার।

শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ৪৫ মিটার। আর বিকাল ৩টায় তা কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৪২ মিটারে।

এছাড়াও সিলেটের পাহাড়ী নদী সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাইয়ের পানিও বাড়ছে।

ইতিমধ্যে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে সিলেটের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওর এবং নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে ভারী বর্ষণ, সুরমা ও কুশিয়ারার ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায় পানি বাড়ছে

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেটের অঞ্চলে আরও দু’একদিন ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলেও জানিয়েছে  আবহাওয়া অফিস। স্বাভাবিকভাবে সুরমা কুশিয়ারার পানিও বাড়তে থাকবে।উজানে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। বৃষ্টি হচ্ছে সিলেট অঞ্চলেও। গত ২৪ ঘন্টায় এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৮৯ দশমিক ৭ মিলিমিটার। এর প্রভাব পড়ছে সিলেটের নদ-নদীতে। বিশেষ করে সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বাড়ছে।

রবিবার (২১ জুন) বিকালে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সুরমা কুশিয়ারাসহ সিলেট অঞ্চলের সবগুলো নদীর পানিই বাড়ছে। যদিও তা এখনো বিপৎসীমার নিচেই আছে।

সিলেটের কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। রবিবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায়। সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ১৪ মিটারে। দুপুর ১২টায় ছিল ১২ দশমিক ২৫ মিটার উচ্চতায়। তবে এরপর এ পয়েন্টে পানি কিছুটা কমেছে। বিকাল ৩টায় কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ১২ দশমিক ১৮ মিটার উচ্চতায়।

সিলেট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার। রবিবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ৯ দশমিক ২৬ মিটার উচ্চতায়। আর বিকাল ৩টায় পানি বেড়ে দাঁঢ়িয়েছে ৯দশমিক ৪৯মিটাির।

আমলশিদ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ১১ মিটার। আর বিকাল ৩টা তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ২০ মিটারে।

শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১১ মিটার। আর বিকাল তিনটায় পানির উচ্চতা দাঁড়ায় ১১ দশমিক ১ মিটারে।

ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৪৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৯ দশমিক ৬ মিটার।

শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ৪৫ মিটার। আর বিকাল ৩টায় তা কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৪২ মিটারে।

এছাড়াও সিলেটের পাহাড়ী নদী সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাইয়ের পানিও বাড়ছে।

ইতিমধ্যে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে সিলেটের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওর এবং নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।