সিলেটে ভারী বর্ষণ, সুরমা ও কুশিয়ারার ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায় পানি বাড়ছে
- আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার :
সিলেটের অঞ্চলে আরও দু’একদিন ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। স্বাভাবিকভাবে সুরমা কুশিয়ারার পানিও বাড়তে থাকবে।উজানে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। বৃষ্টি হচ্ছে সিলেট অঞ্চলেও। গত ২৪ ঘন্টায় এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৮৯ দশমিক ৭ মিলিমিটার। এর প্রভাব পড়ছে সিলেটের নদ-নদীতে। বিশেষ করে সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বাড়ছে।
রবিবার (২১ জুন) বিকালে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সুরমা কুশিয়ারাসহ সিলেট অঞ্চলের সবগুলো নদীর পানিই বাড়ছে। যদিও তা এখনো বিপৎসীমার নিচেই আছে।
সিলেটের কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। রবিবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ১২ দশমিক ০২ মিটার উচ্চতায়। সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ১৪ মিটারে। দুপুর ১২টায় ছিল ১২ দশমিক ২৫ মিটার উচ্চতায়। তবে এরপর এ পয়েন্টে পানি কিছুটা কমেছে। বিকাল ৩টায় কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ১২ দশমিক ১৮ মিটার উচ্চতায়।
সিলেট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার। রবিবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ৯ দশমিক ২৬ মিটার উচ্চতায়। আর বিকাল ৩টায় পানি বেড়ে দাঁঢ়িয়েছে ৯দশমিক ৪৯মিটাির।
আমলশিদ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ১১ মিটার। আর বিকাল ৩টা তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ২০ মিটারে।
শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১১ মিটার। আর বিকাল তিনটায় পানির উচ্চতা দাঁড়ায় ১১ দশমিক ১ মিটারে।
ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৪৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৯ দশমিক ৬ মিটার।
শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ৪৫ মিটার। আর বিকাল ৩টায় তা কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৪২ মিটারে।
এছাড়াও সিলেটের পাহাড়ী নদী সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাইয়ের পানিও বাড়ছে।
ইতিমধ্যে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে সিলেটের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওর এবং নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।





















