ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪৩ যেসব কারণে এই গরমে দই খাওয়া জরুরি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে নীতিমালা করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী তেল ছাড়াই ১২০ কিমি. গেল রতনের ‘বাইক’ এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া হবিগঞ্জ মাধবপুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৫ সিলেট জৈন্তাপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, আটক ১ হবিগঞ্জ বনবিভাগের অভিযানে পাচার করা আকাশমনি কাঠ জব্দ সিলেট রবিবার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

জাতিসংঘের বিশেষ দূত-ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিত রাখার সুপারিশ 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩ ১৮০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন,অনলাইন সংস্করণ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের গুণগত পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আইনটি স্থগিত রাখার সুপারিশ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত (চরম দারিদ্র্য ও মানবাধিকারবিষয়ক) অলিভিয়ের ডি শ্যুটার। তিনি মনে করেন, স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার চর্চা করার কারণে সাংবাদিক,মানবাধিকারকর্মী,বিরোধী রাজনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদদের এই আইনের আওতায় আটক করা হয়েছে।চরম দারিদ্র্য ও মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশে ১২ দিনের সফর শেষে সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করেন অলিভিয়ের ডি শ্যুটার।সেখানেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে নিজের এমন অভিমত তুলে ধরেন তিনি।যারা মানবাধিকারের জন্য লড়াই করেন,তারা ভয়-আতঙ্কের মধ্যে থাকবেন—এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয় বলে উল্লেখ করেন অলিভিয়ের ডি শ্যুটার। যতক্ষণ পর্যন্ত এ আইনের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন না হয়,ততক্ষণ পর্যন্ত আইনটি স্থগিত রাখতে সুপারিশ করেন তিনি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪০০–এর বেশি মানুষকে অভিযুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে ডি শ্যুটার বলেন, এ আইনে করা মামলায় অনেকে দীর্ঘ সময় আটকে ছিলেন।এসব বিষয় দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করবে এবং বাংলাদেশ যে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে চাইছে,তাদেরও শঙ্কিত করবে। তিনি বলেন,আপনি জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা বা সামাজিক সুরক্ষা দিতে পারবেন না।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার ডি শ্যুটার বলেন,বিষয়টি নিয়ে তিনি সরকার, বিশেষ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করেছেন। এ সময় তিনি আরও বলেন,আমার সহকর্মীরাও এ নিয়ে (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) কথা বলেছেন। তাই এই আইনের গুণগত পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমি তা স্থগিত রাখার সুপারিশ করছি।

ডি শ্যুটার তাঁর ১২ দিনের সফরে রংপুর,কুড়িগ্রাম ও কক্সবাজারেও যান।এসব জেলায় তিনি শ্রমিক,কৃষক,নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন,দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও পরিস্থিতি বেশ নড়বড়ে।এমন পরিস্থিতির পেছনে চরম আয়বৈষম্য ও মূল্যস্ফীতিকে বড় কারণ মনে করছেন তিনি।এ জন্য তিনি সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।বাংলাদেশ সফরের সময় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে ডি শ্যুটার বলেন,এখনো বহুমাত্রিক দারিদ্র্য রয়ে গেছে,বিশেষ করে শহরাঞ্চলে আয়বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতিসংঘের বিশেষ দূত-ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিত রাখার সুপারিশ 

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন,অনলাইন সংস্করণ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের গুণগত পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আইনটি স্থগিত রাখার সুপারিশ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত (চরম দারিদ্র্য ও মানবাধিকারবিষয়ক) অলিভিয়ের ডি শ্যুটার। তিনি মনে করেন, স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার চর্চা করার কারণে সাংবাদিক,মানবাধিকারকর্মী,বিরোধী রাজনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদদের এই আইনের আওতায় আটক করা হয়েছে।চরম দারিদ্র্য ও মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশে ১২ দিনের সফর শেষে সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করেন অলিভিয়ের ডি শ্যুটার।সেখানেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে নিজের এমন অভিমত তুলে ধরেন তিনি।যারা মানবাধিকারের জন্য লড়াই করেন,তারা ভয়-আতঙ্কের মধ্যে থাকবেন—এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয় বলে উল্লেখ করেন অলিভিয়ের ডি শ্যুটার। যতক্ষণ পর্যন্ত এ আইনের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন না হয়,ততক্ষণ পর্যন্ত আইনটি স্থগিত রাখতে সুপারিশ করেন তিনি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪০০–এর বেশি মানুষকে অভিযুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে ডি শ্যুটার বলেন, এ আইনে করা মামলায় অনেকে দীর্ঘ সময় আটকে ছিলেন।এসব বিষয় দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করবে এবং বাংলাদেশ যে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে চাইছে,তাদেরও শঙ্কিত করবে। তিনি বলেন,আপনি জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা বা সামাজিক সুরক্ষা দিতে পারবেন না।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার ডি শ্যুটার বলেন,বিষয়টি নিয়ে তিনি সরকার, বিশেষ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করেছেন। এ সময় তিনি আরও বলেন,আমার সহকর্মীরাও এ নিয়ে (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) কথা বলেছেন। তাই এই আইনের গুণগত পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমি তা স্থগিত রাখার সুপারিশ করছি।

ডি শ্যুটার তাঁর ১২ দিনের সফরে রংপুর,কুড়িগ্রাম ও কক্সবাজারেও যান।এসব জেলায় তিনি শ্রমিক,কৃষক,নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন,দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও পরিস্থিতি বেশ নড়বড়ে।এমন পরিস্থিতির পেছনে চরম আয়বৈষম্য ও মূল্যস্ফীতিকে বড় কারণ মনে করছেন তিনি।এ জন্য তিনি সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।বাংলাদেশ সফরের সময় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে ডি শ্যুটার বলেন,এখনো বহুমাত্রিক দারিদ্র্য রয়ে গেছে,বিশেষ করে শহরাঞ্চলে আয়বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে।