সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন গ্যাসের তীব্র সংকট : লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিলেটের সাবেক দুই ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে সিলেটে ময়লার স্তুপে পাওয়া খণ্ডিত পায়ের পাতা নিয়ে আতঙ্ক সিলেট চেম্বার অবকমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাসহ নিজ বাসায় তিন খুন ‎শিশু ফাহিমা হত্যা ‎ঘাতক জাকিরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের মানববন্ধন দৈনিক ঘোষণার ২০২৬ বর্ষেসেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শ্রেষ্ঠ ও সংগঠক সাদিক হোসেন এপলু। যেসব অভ্যাস মেনে চললে কিডনি নিয়ে কখনোই ভাবতে হবে না হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ

দুই বছরের শিশুর কামড়ে কোবরা সাপের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের বিহার রাজ্যে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। মাত্র দুই বছরের এক শিশু কোবরা সাপকে দাঁত দিয়ে কামড়ে মেরে ফেলেছে। সাপটি শিশুর হাত জড়িয়ে ধরার পর এই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটে। বিষাক্ত সাপের কামড়ে অজ্ঞান হয়ে গেলেও দ্রুত চিকিৎসা পাওয়ায় শিশুটি এখন আশঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়া।

ঘটনাটি শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম চম্পারণ জেলার মাজহাউলিয়া ব্লকের বাংকাটওয়া গ্রামে ঘটেছে। গোবিন্দ কুমার নামে ওই শিশু বাড়ির কাছেই খেলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, খেলতে খেলতে কৌতূহলী গোবিন্দ একটি কোবরা দেখতে পায় এবং অজান্তে ইটের টুকরো ছুড়ে মারে। এতে সাপটি ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুর ছোট ছোট হাত শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু ভয় পেয়ে চিৎকার না করে, অবাক করা কাণ্ড ঘটিয়ে বসে গোবিন্দ—সে দাঁত দিয়ে এত জোরে সাপটিকে কামড় দেয় যে সাপটি সেখানেই মারা যায়।

গোবিন্দর দাদি মাতেশ্বরী দেবী জানান, ‘আমরা যখন সাপটি শিশুর হাতে জড়ানো অবস্থায় দেখি, তখন সবাই দৌড়ে যাই। কিন্তু ততক্ষণে ও সাপটিকে কামড়ে মেরে ফেলেছে।’

সাপের বিষক্রিয়ায় গোবিন্দ সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয় এবং পরে বেত্তিয়ার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত বিরল’ বলে উল্লেখ করেন। তারা জানান, শিশুর কামড়ে সাপটির মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত লাগে, যা এর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সৌভাগ্যক্রমে বিষের প্রভাব গোবিন্দের জন্য প্রাণঘাতী হয়নি।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সৌরভ কুমার বলেন, ‘সময়মতো চিকিৎসা দেওয়ায় গোবিন্দের জীবন বেঁচে গেছে। শিশুটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এবং আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুই বছরের শিশুর কামড়ে কোবরা সাপের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০১:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের বিহার রাজ্যে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। মাত্র দুই বছরের এক শিশু কোবরা সাপকে দাঁত দিয়ে কামড়ে মেরে ফেলেছে। সাপটি শিশুর হাত জড়িয়ে ধরার পর এই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটে। বিষাক্ত সাপের কামড়ে অজ্ঞান হয়ে গেলেও দ্রুত চিকিৎসা পাওয়ায় শিশুটি এখন আশঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়া।

ঘটনাটি শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম চম্পারণ জেলার মাজহাউলিয়া ব্লকের বাংকাটওয়া গ্রামে ঘটেছে। গোবিন্দ কুমার নামে ওই শিশু বাড়ির কাছেই খেলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, খেলতে খেলতে কৌতূহলী গোবিন্দ একটি কোবরা দেখতে পায় এবং অজান্তে ইটের টুকরো ছুড়ে মারে। এতে সাপটি ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুর ছোট ছোট হাত শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু ভয় পেয়ে চিৎকার না করে, অবাক করা কাণ্ড ঘটিয়ে বসে গোবিন্দ—সে দাঁত দিয়ে এত জোরে সাপটিকে কামড় দেয় যে সাপটি সেখানেই মারা যায়।

গোবিন্দর দাদি মাতেশ্বরী দেবী জানান, ‘আমরা যখন সাপটি শিশুর হাতে জড়ানো অবস্থায় দেখি, তখন সবাই দৌড়ে যাই। কিন্তু ততক্ষণে ও সাপটিকে কামড়ে মেরে ফেলেছে।’

সাপের বিষক্রিয়ায় গোবিন্দ সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয় এবং পরে বেত্তিয়ার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত বিরল’ বলে উল্লেখ করেন। তারা জানান, শিশুর কামড়ে সাপটির মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত লাগে, যা এর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সৌভাগ্যক্রমে বিষের প্রভাব গোবিন্দের জন্য প্রাণঘাতী হয়নি।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সৌরভ কুমার বলেন, ‘সময়মতো চিকিৎসা দেওয়ায় গোবিন্দের জীবন বেঁচে গেছে। শিশুটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এবং আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।’