সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ

মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে প্রক্রিয়াধীন সব আইন এখনই স্থগিতের দাবি সম্পাদক পরিষদের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক,ঢাকা

স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে যেসব আইন প্রক্রিয়াধীন আছে,সেই প্রক্রিয়া এখনই স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।একই সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠনটি।বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই দাবি সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে তুলে ধরেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম।‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সকল প্রকার মানবাধিকারের চালিকা শক্তি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় আয়োজক সম্পাদক পরিষদ। মাহ্ফুজ আনাম সম্পাদক পরিষদের সভাপতি।

সম্পাদক পরিষদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে যেসব আইন প্রক্রিয়াধীন আছে,সেই প্রক্রিয়া এখনই স্থগিত করা। আইনগুলোর মধ্যে যেসব ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে ব্যাহত করতে পারে,সেগুলো আইন থেকে বাদ দেওয়া।

২. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।আর যদি তা বাতিলে সরকারের কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকে, তাহলে এমন একটি ধারা যুক্ত করতে হবে,যেখানে বলা থাকবে,এই আইন গণমাধ্যম,স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য প্রযোজ্য নয়।সাংবাদিকতার কারণে আজ পর্যন্ত যেসব মামলা করা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের মুক্তি দিতে হবে।

৩. যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, সেটি সরকার উদ্যোগী হয়ে যেন একেবারেই মুছে ফেলে।

৪. সাংবাদিকতার সুরক্ষার জন্য আইন হতে পারে, যা সংবিধানের চেতনার মধ্যে রয়েছে।

আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এ ছাড়াও বক্তৃতা করেন ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, সমকাল সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ,প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক,দেশ রূপান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুন।আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে প্রক্রিয়াধীন সব আইন এখনই স্থগিতের দাবি সম্পাদক পরিষদের

আপডেট সময় : ০১:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

বিশেষ প্রতিবেদক,ঢাকা

স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে যেসব আইন প্রক্রিয়াধীন আছে,সেই প্রক্রিয়া এখনই স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।একই সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠনটি।বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই দাবি সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে তুলে ধরেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম।‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সকল প্রকার মানবাধিকারের চালিকা শক্তি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় আয়োজক সম্পাদক পরিষদ। মাহ্ফুজ আনাম সম্পাদক পরিষদের সভাপতি।

সম্পাদক পরিষদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে যেসব আইন প্রক্রিয়াধীন আছে,সেই প্রক্রিয়া এখনই স্থগিত করা। আইনগুলোর মধ্যে যেসব ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে ব্যাহত করতে পারে,সেগুলো আইন থেকে বাদ দেওয়া।

২. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।আর যদি তা বাতিলে সরকারের কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকে, তাহলে এমন একটি ধারা যুক্ত করতে হবে,যেখানে বলা থাকবে,এই আইন গণমাধ্যম,স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য প্রযোজ্য নয়।সাংবাদিকতার কারণে আজ পর্যন্ত যেসব মামলা করা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের মুক্তি দিতে হবে।

৩. যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, সেটি সরকার উদ্যোগী হয়ে যেন একেবারেই মুছে ফেলে।

৪. সাংবাদিকতার সুরক্ষার জন্য আইন হতে পারে, যা সংবিধানের চেতনার মধ্যে রয়েছে।

আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এ ছাড়াও বক্তৃতা করেন ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, সমকাল সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ,প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক,দেশ রূপান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুন।আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।