সাবেক এমপি রণজিত ও হাবিবের সম্পদ জব্দ
- আপডেট সময় : ০৬:৪২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :
বগুড়া-৫ ও যশোর-৪ আসনের সাবেক সংসদ-সদস্যের সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। এরমধ্যে বগুড়া-৫ (শেরপুর- ধুনট) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ হাবিবর রহমানের (৮০) ৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ৭টি ব্যাংক হিসাবে ৯৪ লাখ টাকা রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি হাবিবর রহমানের নামে অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। হাবিবর রহমানের নামে অর্জিত অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও দলিল সম্পাদন বা অন্যকোনো পন্থায় মালিকানা পরিবর্তন বা হস্তান্তর করার সম্ভাবনা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি হাবিবর রহমানের নামে অর্জিত বর্ণিত অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
এদিকে, দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় যশোর-৪ আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য রনজিত কুমার রায়, তার স্ত্রী নিয়তি রানী রায়, দুই ছেলে রাজীব কুমার রায় এবং সজিব কুমার রায়ের চারটি ফ্ল্যাট, দুটি বাড়ি, ৬০টি দোকানসহ ৭৯ দশমিক ৬২ বিঘা জমি জব্দ ও ১৩৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭২ টাকা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক মো. সাজিদ-উর-রোমান এসব স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, রনজিত কুমার রায়, নিয়তি রায়, তাদের সন্তান রাজীব কুমার রায় ও সজিব কুমার রায়ের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সম্পৃক্ত ধারায় অপরাধ করাসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।
অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগসংশ্লিষ্টদের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন। তাদের স্থাবর সম্পদগুলো ক্রোক করা না হলে বিচারকালে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াফত করা সম্ভব হবে না। এতে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

























