সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে আসা পর্যটকদের ভ্রমণ তালিকার শীর্ষে জাফলং,পর্যটনকেন্দ্র থেকে অবাধে পাথরলুট ও পরিবেশ ধ্বংসের কারণে প্রকৃতির বিনাশ- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারগানের অনাকাঙ্ক্ষিত ফায়ারে ক্লিনার আহত সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পাখি তাড়াতে গুলি, আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী অসময়ে মেলা আয়োজন করলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে’- মন্ত্রী আরিফুল হক সিলেটে আটক ২৭ যানবাহন, মামলা ২১ সিলেট জকিগঞ্জ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ,আটক ২ সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী  কোনো চক্রান্তই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারবে না: খন্দকার মুক্তাদির লালাখাল চা বাগানে গীতা কোর্সের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ সিলেট নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে- সিসিক প্রশাসক

পাগলা কুকুর আতঙ্কে মাধবপুরের ৪ গ্রামের মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি,

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে শনিবার বিকাল থেকে রোববার রাত ৮টার মধ‍্যে এ ঘটনা ঘটে।রোববার সন্ধ‍্যা থেকে কয়েকটি গ্রামের মানুষ পাগলা কুকুর আতঙ্কে হাতে লাটিসোঁটা নিয়ে সর্তক অবস্থান নিয়েছেন।

কুকুরটি দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করায় এলাকাবাসী প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। গ্রামীণ প্রাণী চিকিৎসক সৈয়দ শামীম জানান, শনিবার বিকালে বড়ধুলিয়া গ্রামের একটি পুকুরে এক শিশু কন্যা গোসল করা অবস্থায় কালো ও সাদা রঙের একটি কুকুর পানিতে নেমে কামড়ায়।

শিশুর চিৎকারে বাড়ির লোকজন এলে কুকুরটি দৌড়ে চলে যায়। এর পর একে একে বোববার রাত ৮টা পর্যন্ত বড়ধুলিয়া, সন্তোষপুর, জগদীশপুর তেমনিয়া ও চারাভাঙ্গা গ্রামের অন্তত ২০ জনকে কামড়েছে।

মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় পাগলা কুকুরটির বিষয়ে। গ্রামবাসী কুকুটি আটক কিংবা মেরে ফেলতে লাটিসোঁটা নিয়ে তাড়া করলে ও দ্রুতগতিতে অবস্থান পরিবর্তন করায় এটিকে এখন পর্যন্ত ধরা সম্ভব হয়নি।কুকুর আতঙ্কে এখন জগদীশপুর ইউনিয়ের কয়েক গ্রামের মানুষ লাটিসোঁটা হাতে রাখছে। সন্ধ‍্যার পর লোকজন সর্তক অবস্থায় থাকছেন।

চারাভাঙ্গা গ্রামের সমাজসেবক সৈয়দ ইমরুল হাসান বলেন, পাগলা কুকুরটির উপদ্রব থেকে বাঁচতে থানার ওসিসহ স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।মাধবপুর থানা ওসি আব্দুর রাজ্জাক যুগান্তরকে বলেন, বিয়য়টি আমি শুনেছি। কিভাবে কুকুরটি উদ্ধার করা যায়, এ ব‍্যাপারে প্রশাসনের পক্ষে প্রদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশের  একটি টিম ওই এলাকায় নজরদারি করছে।

উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মকর্তা এ এইচ এম ইশতাক মামুন বলেন, কুকুরের কামড়ে আহতরা নিদিষ্ট সময়ে চিকিৎসা না নিলে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। কুকুরে আক্রান্ত  অধিকাংশ লোক স্থানীয় বাজারে গিয়ে ভ‍্যাকসিন কিনে চিকিৎসা নিয়েছেন। মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বেশ কয়েকজন চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালে ভ‍্যাকসিন না থাকায় কর্তব‍্যরত চিকিৎসক জেলা সদর হাসপালে গিয়ে ভ‍্যাকসিন নিতেপরামর্শ দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান বলেন, বিষটি আমি জেনেছি, দরিদ্র আক্রান্তদের প্রয়োজনে ভ‍্যাকসিন ক্রয়ের জন্য রোগী কল‍্যাণ তহবিল থেকে সহযোগিতা করা হবে।জগদীশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম‍্যান মাসুদ খান বলেছেন, কুকুরটি ধরার জন্য প্রশাসনসহ চেষ্টা চলছে। কুকুরটি আটক হওয়ার আগপর্যন্ত সর্তকভাবে চলাফেরার জন্য জনগণকে  পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাগলা কুকুর আতঙ্কে মাধবপুরের ৪ গ্রামের মানুষ

আপডেট সময় : ০২:৩৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি,

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে শনিবার বিকাল থেকে রোববার রাত ৮টার মধ‍্যে এ ঘটনা ঘটে।রোববার সন্ধ‍্যা থেকে কয়েকটি গ্রামের মানুষ পাগলা কুকুর আতঙ্কে হাতে লাটিসোঁটা নিয়ে সর্তক অবস্থান নিয়েছেন।

কুকুরটি দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করায় এলাকাবাসী প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। গ্রামীণ প্রাণী চিকিৎসক সৈয়দ শামীম জানান, শনিবার বিকালে বড়ধুলিয়া গ্রামের একটি পুকুরে এক শিশু কন্যা গোসল করা অবস্থায় কালো ও সাদা রঙের একটি কুকুর পানিতে নেমে কামড়ায়।

শিশুর চিৎকারে বাড়ির লোকজন এলে কুকুরটি দৌড়ে চলে যায়। এর পর একে একে বোববার রাত ৮টা পর্যন্ত বড়ধুলিয়া, সন্তোষপুর, জগদীশপুর তেমনিয়া ও চারাভাঙ্গা গ্রামের অন্তত ২০ জনকে কামড়েছে।

মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় পাগলা কুকুরটির বিষয়ে। গ্রামবাসী কুকুটি আটক কিংবা মেরে ফেলতে লাটিসোঁটা নিয়ে তাড়া করলে ও দ্রুতগতিতে অবস্থান পরিবর্তন করায় এটিকে এখন পর্যন্ত ধরা সম্ভব হয়নি।কুকুর আতঙ্কে এখন জগদীশপুর ইউনিয়ের কয়েক গ্রামের মানুষ লাটিসোঁটা হাতে রাখছে। সন্ধ‍্যার পর লোকজন সর্তক অবস্থায় থাকছেন।

চারাভাঙ্গা গ্রামের সমাজসেবক সৈয়দ ইমরুল হাসান বলেন, পাগলা কুকুরটির উপদ্রব থেকে বাঁচতে থানার ওসিসহ স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।মাধবপুর থানা ওসি আব্দুর রাজ্জাক যুগান্তরকে বলেন, বিয়য়টি আমি শুনেছি। কিভাবে কুকুরটি উদ্ধার করা যায়, এ ব‍্যাপারে প্রশাসনের পক্ষে প্রদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশের  একটি টিম ওই এলাকায় নজরদারি করছে।

উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মকর্তা এ এইচ এম ইশতাক মামুন বলেন, কুকুরের কামড়ে আহতরা নিদিষ্ট সময়ে চিকিৎসা না নিলে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। কুকুরে আক্রান্ত  অধিকাংশ লোক স্থানীয় বাজারে গিয়ে ভ‍্যাকসিন কিনে চিকিৎসা নিয়েছেন। মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বেশ কয়েকজন চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালে ভ‍্যাকসিন না থাকায় কর্তব‍্যরত চিকিৎসক জেলা সদর হাসপালে গিয়ে ভ‍্যাকসিন নিতেপরামর্শ দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান বলেন, বিষটি আমি জেনেছি, দরিদ্র আক্রান্তদের প্রয়োজনে ভ‍্যাকসিন ক্রয়ের জন্য রোগী কল‍্যাণ তহবিল থেকে সহযোগিতা করা হবে।জগদীশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম‍্যান মাসুদ খান বলেছেন, কুকুরটি ধরার জন্য প্রশাসনসহ চেষ্টা চলছে। কুকুরটি আটক হওয়ার আগপর্যন্ত সর্তকভাবে চলাফেরার জন্য জনগণকে  পরামর্শ দিয়েছেন।