সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান হবিগঞ্জ সীমান্তে পুশইন সতর্ক ৫৫ বিজিবি, পাহারায় চা বাগানের শ্রমিকরাও সংবাদপত্র হকার্স সমবায় সমিতির বার্ষিক বনভোজন ও পুনর্মিলনী সিলেট কাষ্টঘরে বিশেষ অভিযান, উদ্ধার ৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা বড়ি ও নগদ ১ লাখ ৮৬ হাজার ২০৬টাকাসহ গ্রেফতার ১ সিলেটে মাদক আস্তানায় গ্রেফতার ২ সিলেটে পুলিশের চিরুনি অভিযান, গ্রেফতার ৯৪ সিলেট অস্ত্র ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক উদ্ধার সিলেটে নতুন জেলা প্রশাসক- রেজা হাসান সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু,নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার- শিক্ষামন্ত্রী লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প

সিলেটের সেই ৪ নেতা ভারতের কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ভারতের কলকাতায় গ্রেপ্তার  সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ২ নেতা ও যুবলীগের দুই নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) মেঘালয় রাজ্যের জুআই আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা। তারা জানান, আদালতে আওয়ামী লীগ নেতাদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলেও আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে পুলিশের মহাপরিচালক ইদাশিশা নংরাং সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওই চারজনের বিরুদ্ধে ডাউকি থানার একটি মামলা ছিল। তবে, কোনো ধর্ষণের অভিযোগ নেই তাদের বিরুদ্ধে। ডাউকি থানায় এদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৪টি ধারা এবং বিদেশি আইনের ১৪ নম্বর ধারায় অভিযোগ ছিল। সেই মামলাতেই কলকাতা থেকে এদের গ্রেপ্তার করে আনা হয়েছে।

মেঘালয়ের স্থানীয় সূত্র জানা যায়, গত অক্টোবরে ডাউকি সীমান্তে ট্রাকচালকের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় আওয়ামী লীগের এ চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যেসব ধারায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে সেগুলো মূলত অস্ত্র দিয়ে হামলা (আগ্নেয়াস্ত্র নয়), হামলার জন্য জমায়েত হওয়া ও এক লাখ টাকার কম পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধনের মতো অভিযোগ। এ ছাড়া অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের মামলাও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

গ্রেপ্তার হওয়ারা হলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সহসভাপতি আবদুল লতিফ (রিপন) ও সদস্য ইলিয়াস হোসেন (জুয়েল)।

এর আগে রোববার (০৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে কলকাতা শহরের হাতিয়াড়া এলাকার একটি বাসা থেকে আওয়ামী লীগের ওই চার নেতাকে কলকাতা পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করে মেঘালয় পুলিশ। রোববার বারাসাত কোর্টে তাদের হাজির করা হলে সেখানকার আদালত তাদের মেঘালয় রাজ্যের আদালতে উপস্থিত করার আদেশ দেন। মঙ্গলবার মেঘালয় রাজ্যের জুআই আদালতে তোলা হলে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, তাদের শিলংয়ের ডাউকি থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা নম্বর- ১৯(১০)২৪। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ, ছিনতাই ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নানাভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাদের চরিত্র হনন করা হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক। আশা করি তারা আইনি প্রক্রিয়ায় সুবিচার পাবেন।

গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশ ছেড়ে পালান নাসির উদ্দিন খানসহ আওয়ামী লীগের নেতারা। তাদের উল্লেখযোগ্য অংশই শিলং অবস্থান নেন। সেখানে একটি ফ্ল্যাটে নাসির উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৬ নেতা থাকতেন। কিন্তু শিলংয়ে শীতের প্রকোপ বাড়ায় এ মাসের শুরুতে তারা কলকাতা পাড়ি জমান। সেখান থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটের সেই ৪ নেতা ভারতের কারাগারে

আপডেট সময় : ১২:১৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

ভারতের কলকাতায় গ্রেপ্তার  সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ২ নেতা ও যুবলীগের দুই নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) মেঘালয় রাজ্যের জুআই আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা। তারা জানান, আদালতে আওয়ামী লীগ নেতাদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলেও আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে পুলিশের মহাপরিচালক ইদাশিশা নংরাং সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওই চারজনের বিরুদ্ধে ডাউকি থানার একটি মামলা ছিল। তবে, কোনো ধর্ষণের অভিযোগ নেই তাদের বিরুদ্ধে। ডাউকি থানায় এদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৪টি ধারা এবং বিদেশি আইনের ১৪ নম্বর ধারায় অভিযোগ ছিল। সেই মামলাতেই কলকাতা থেকে এদের গ্রেপ্তার করে আনা হয়েছে।

মেঘালয়ের স্থানীয় সূত্র জানা যায়, গত অক্টোবরে ডাউকি সীমান্তে ট্রাকচালকের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় আওয়ামী লীগের এ চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যেসব ধারায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে সেগুলো মূলত অস্ত্র দিয়ে হামলা (আগ্নেয়াস্ত্র নয়), হামলার জন্য জমায়েত হওয়া ও এক লাখ টাকার কম পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধনের মতো অভিযোগ। এ ছাড়া অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের মামলাও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

গ্রেপ্তার হওয়ারা হলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সহসভাপতি আবদুল লতিফ (রিপন) ও সদস্য ইলিয়াস হোসেন (জুয়েল)।

এর আগে রোববার (০৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে কলকাতা শহরের হাতিয়াড়া এলাকার একটি বাসা থেকে আওয়ামী লীগের ওই চার নেতাকে কলকাতা পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করে মেঘালয় পুলিশ। রোববার বারাসাত কোর্টে তাদের হাজির করা হলে সেখানকার আদালত তাদের মেঘালয় রাজ্যের আদালতে উপস্থিত করার আদেশ দেন। মঙ্গলবার মেঘালয় রাজ্যের জুআই আদালতে তোলা হলে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, তাদের শিলংয়ের ডাউকি থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা নম্বর- ১৯(১০)২৪। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ, ছিনতাই ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নানাভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাদের চরিত্র হনন করা হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক। আশা করি তারা আইনি প্রক্রিয়ায় সুবিচার পাবেন।

গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশ ছেড়ে পালান নাসির উদ্দিন খানসহ আওয়ামী লীগের নেতারা। তাদের উল্লেখযোগ্য অংশই শিলং অবস্থান নেন। সেখানে একটি ফ্ল্যাটে নাসির উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৬ নেতা থাকতেন। কিন্তু শিলংয়ে শীতের প্রকোপ বাড়ায় এ মাসের শুরুতে তারা কলকাতা পাড়ি জমান। সেখান থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।