সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান স্মরণসভায় সিসিক প্রশাসক সিলেট চেম্বারের প্রশাসকের সাথে ভারত থেকে আগত বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদের সহযোগী জয়নাল গ্রেপ্তার সিলেটে ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ, অধ্যক্ষ শিক্ষক আন্দোলনে উত্তাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ৭ হাজার কেজি ভারতীয় পণ্যসহ আটক ২ সিলেটে দুই বেকারিতে অভিযান, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটে অনিয়ম-অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫৩৬ মামলায় জরিমানা ২৪ লাখ সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ:) মাজারে ৩ পদে চাকরির সুযোগ সিলেটে সেমিনারে সিসিক প্রশাসক সিলেট থেকে শুরু ‘রবি বোলারহান্ট’-এর ট্রায়াল শুরু

সিলেট রাতারগুলে বাড়ছে পর্যটক,আয় সাড়ে তিন বছরে ৩ কোটি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সিলেটে মিঠাপানির একমাত্র জলাবন রাতারগুল। বছরের অর্ধেক সময় বনটি থাকে পানিতে ভাসমান। আর শীতকালে দেখা পাওয়া যায় বনের নিচের মাটির। গত সাড়ে ৩ বছরে রাতারগুল জলাবন থেকে প্রবেশ ফি হিসেবে সরকার প্রায় ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। রাতারগুল জলাবন  সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। বিশ্বে মিঠাপানির যে ২২টি জলাবন আছে তার মধ্যে রাতারগুল অন্যতম। এই জলাবনের আয়তন ৩ হাজার ৩২৫ দশমিক ৬১ একর।

১৯৭৩ সালে বিশাল এই বনের ৫০৪ একর এলাকা বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১৫ সালের ৩১ মে বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর ২০৪ দশমিক ২৫ হেক্টর বনভূমিকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা হিসবে ঘোষণা করে।

চিরসবুজ এই বন গোয়াইন নদীর তীরে অবস্থিত। বনটিতে সবচেয়ে বেশি জন্মায় করচ গাছ। এখানকার গাছপালা বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে। তাই প্রতিদিন দেশি-বিদেশি হাজারো প্রকৃতিপ্রেমী ছুটে আসেন রাতারগুলে।

নিয়মিত পর্যটকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করে ২০২০ সালে রাতারগুল পর্যটনকেন্দ্র থেকে রাজস্ব আদায়ের ফি নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।  সিলেট বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন রাতারগুল থেকে প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা, ১২ বছরের নিচের শিশুদের জন্য ২৫ টাকা ও বিদেশি নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা প্রবেশ ফি নির্ধারণ করা হয়।  

রাতারগুল সহ-ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির বার্ষিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রাতারগুলে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৪১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক, ২ লাখ ২৯ হাজার৮৩ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং ৭৫১ জন বিদেশি নাগরিক প্রবেশ করেছেন।

২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রবেশ ফি থেকে সরকা ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৫ টাকা রাজস্ব আদায় করছিল। বৈশ্বিক করোনার কারণে ওই অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল কম। ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১০৩ টাকা।


২০২২-২৩ অর্থবছরে ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫১ টাকা ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছর ও ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আয় হয়েছে ৯১ লাখ ৩০ হাজার ৩১০ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট রাতারগুলে বাড়ছে পর্যটক,আয় সাড়ে তিন বছরে ৩ কোটি

আপডেট সময় : ১২:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ সিলেটে মিঠাপানির একমাত্র জলাবন রাতারগুল। বছরের অর্ধেক সময় বনটি থাকে পানিতে ভাসমান। আর শীতকালে দেখা পাওয়া যায় বনের নিচের মাটির। গত সাড়ে ৩ বছরে রাতারগুল জলাবন থেকে প্রবেশ ফি হিসেবে সরকার প্রায় ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। রাতারগুল জলাবন  সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। বিশ্বে মিঠাপানির যে ২২টি জলাবন আছে তার মধ্যে রাতারগুল অন্যতম। এই জলাবনের আয়তন ৩ হাজার ৩২৫ দশমিক ৬১ একর।

১৯৭৩ সালে বিশাল এই বনের ৫০৪ একর এলাকা বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১৫ সালের ৩১ মে বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর ২০৪ দশমিক ২৫ হেক্টর বনভূমিকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা হিসবে ঘোষণা করে।

চিরসবুজ এই বন গোয়াইন নদীর তীরে অবস্থিত। বনটিতে সবচেয়ে বেশি জন্মায় করচ গাছ। এখানকার গাছপালা বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে। তাই প্রতিদিন দেশি-বিদেশি হাজারো প্রকৃতিপ্রেমী ছুটে আসেন রাতারগুলে।

নিয়মিত পর্যটকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করে ২০২০ সালে রাতারগুল পর্যটনকেন্দ্র থেকে রাজস্ব আদায়ের ফি নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।  সিলেট বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন রাতারগুল থেকে প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা, ১২ বছরের নিচের শিশুদের জন্য ২৫ টাকা ও বিদেশি নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা প্রবেশ ফি নির্ধারণ করা হয়।  

রাতারগুল সহ-ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির বার্ষিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রাতারগুলে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৪১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক, ২ লাখ ২৯ হাজার৮৩ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং ৭৫১ জন বিদেশি নাগরিক প্রবেশ করেছেন।

২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রবেশ ফি থেকে সরকা ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৫ টাকা রাজস্ব আদায় করছিল। বৈশ্বিক করোনার কারণে ওই অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল কম। ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১০৩ টাকা।


২০২২-২৩ অর্থবছরে ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫১ টাকা ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছর ও ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আয় হয়েছে ৯১ লাখ ৩০ হাজার ৩১০ টাকা।