সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার সিলেটের পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীকে বদলী কাষ্টঘর সুইপার কলোনিতে সিসিক প্রশাসক 🚔 সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অভিযানে ৩২ ঘন্টায় ১৩৯ জন গ্রেফতার এবং ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে ২১৯ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ইসরাইলে ইরানি সাইবার হামলা বেড়েছে তিন গুণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

চলতি বছর ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে ইসরাইলের ওপর ইরানি সাইবার হামলার সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। সোমবার (২৯ জুন) ইসরাইলের একজন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরাইলের ন্যাশনাল সাইবার ডিরেক্টরেটের ডিরেক্টর জেনারেল ইয়োসি কারাদি জার্মান সংবাদপত্র ‘ডাই ওয়েল্ট’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ২০২৫ সালের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলি হামলার সময় দেশটির কর্তৃপক্ষ প্রায় ১,৬০০টি শত্রুভাবাপন্ন সাইবার আক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত করেছিল। তবে ২০২৬ সালের ঠিক একই মাসে এই হামলার সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়ে ৪,৮০০-তে গিয়ে ঠেকেছে।

জার্মান ভাষায় প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে কারাদি বলেন, হামলাকারী কিছু গ্রুপ অত্যন্ত দক্ষ। ইসরাইল এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিতে হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রথাগত বা বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের মতো সাইবার জগতে কোনো যুদ্ধবিরতি থাকে না।

কারাদি জানান, এই সাইবার হামলাগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, কেন্দ্রীয় সংস্থা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণ। আক্রান্ত ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ল ফার্ম (আইনজীবী প্রতিষ্ঠান) এবং অ্যাকাউন্টিং ফার্মগুলো অন্যতম।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এখন পর্যন্ত তারা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর ওপর হওয়া সব বড় হামলা সফলভাবে নস্যাৎ করতে পেরেছেন। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল এবং সহজে হ্যাক করা সম্ভব, সেগুলোর কম্পিউটার সিস্টেমের ডেটা বা তথ্য সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে বলে তিনি জানান। অবশ্য ক্ষতিগ্রস্ত নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম তিনি উল্লেখ করেননি।

সাধারণত ইরান অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে হ্যাকিং বা সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে থাকে, তবে তারা নিজেরা প্রায়শই সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে বলে দাবি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইসরাইলে ইরানি সাইবার হামলা বেড়েছে তিন গুণ

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

চলতি বছর ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে ইসরাইলের ওপর ইরানি সাইবার হামলার সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। সোমবার (২৯ জুন) ইসরাইলের একজন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরাইলের ন্যাশনাল সাইবার ডিরেক্টরেটের ডিরেক্টর জেনারেল ইয়োসি কারাদি জার্মান সংবাদপত্র ‘ডাই ওয়েল্ট’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ২০২৫ সালের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলি হামলার সময় দেশটির কর্তৃপক্ষ প্রায় ১,৬০০টি শত্রুভাবাপন্ন সাইবার আক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত করেছিল। তবে ২০২৬ সালের ঠিক একই মাসে এই হামলার সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়ে ৪,৮০০-তে গিয়ে ঠেকেছে।

জার্মান ভাষায় প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে কারাদি বলেন, হামলাকারী কিছু গ্রুপ অত্যন্ত দক্ষ। ইসরাইল এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিতে হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রথাগত বা বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের মতো সাইবার জগতে কোনো যুদ্ধবিরতি থাকে না।

কারাদি জানান, এই সাইবার হামলাগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, কেন্দ্রীয় সংস্থা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণ। আক্রান্ত ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ল ফার্ম (আইনজীবী প্রতিষ্ঠান) এবং অ্যাকাউন্টিং ফার্মগুলো অন্যতম।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এখন পর্যন্ত তারা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর ওপর হওয়া সব বড় হামলা সফলভাবে নস্যাৎ করতে পেরেছেন। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল এবং সহজে হ্যাক করা সম্ভব, সেগুলোর কম্পিউটার সিস্টেমের ডেটা বা তথ্য সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে বলে তিনি জানান। অবশ্য ক্ষতিগ্রস্ত নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম তিনি উল্লেখ করেননি।

সাধারণত ইরান অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে হ্যাকিং বা সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে থাকে, তবে তারা নিজেরা প্রায়শই সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে বলে দাবি করে।