সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ সিলেট নগরীতে সড়ক ও জনপথ সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যায়ক্রমে এ গ্রেডে উন্নীত করা হবে- এমপি মুক্তাদির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডা. শফিকুর রহমান সিলেটে বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি হোটেলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের সেফওয়ে সিলগালা, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোক সতর্কবার্তা সিলেট র‌্যাবের অভিযানে পুলিশের টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার চীন রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ সিলেট মহানগরীর বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে (সিসিক)কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ সারোয়ার

মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

প্রায় এক দশক ধরে চলে আসা যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছে একটি চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কম্পিউটার। নিজস্ব প্রযুক্তিতে উন্নত কম্পিউটিং সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের যে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, এই অর্জন তারই একটি বড় প্রমাণ।

জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত অন্যতম বৃহৎ কম্পিউটিং সম্মেলন ‘আইএসসি’-তে বহুল প্রতীক্ষিত ‘টপ৫০০’ তালিকার সর্বশেষ সংস্করণে ‘লাইনশাইন’ নামক এই সুপারকম্পিউটারটি শীর্ষস্থান দখল করেছে। 

২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার এই তালিকার শীর্ষে এলো। ১৯৯৩ সাল থেকে বছরে দুইবার প্রকাশিত এই তালিকাটিকে বিশ্বজুড়ে কম্পিউটিং পরাশক্তিদের শক্তির একটি অনানুষ্ঠানিক স্কোরবোর্ড বা মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে ‘লাইনশাইন’ মার্কিন জ্বালানি বিভাগের পূর্ববর্তী বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সুপারকম্পিউটার এল ক্যাপিটান-কে দ্বিতীয় স্থানে ঠেলে দিয়েছে। 

চীনের শেনঝেন শহরে স্থাপিত এই কম্পিউটারটি প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২.২ ‘এক্সাফ্লপ্স’ গতিতে গণনা বা হিসাব-নিকাশ করতে সক্ষম। এই অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—‘লাইনশাইন’ সম্পূর্ণভাবে চীনের নিজস্ব নকশায় তৈরি প্রসেসর দিয়ে নির্মিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় সুপারকম্পিউটারগুলো সচরাচর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি চিপের ওপর নির্ভর করলেও চীন এখানে কোনো মার্কিন চিপ ব্যবহার করেনি।

অবশ্য এই তালিকায় এখনো শীর্ষ চারটির মধ্যে তিনটি স্থানই ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়ার ‘লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি’তে স্থাপিত ‘এল ক্যাপিটান’ রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির ‘জুপিটার বুস্টার’ শীর্ষ পাঁচের একদম শেষ স্থানটি দখলে রেখেছে। 

সূত্র: দ্য ডন 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে

আপডেট সময় : ০২:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

প্রায় এক দশক ধরে চলে আসা যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছে একটি চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কম্পিউটার। নিজস্ব প্রযুক্তিতে উন্নত কম্পিউটিং সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের যে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, এই অর্জন তারই একটি বড় প্রমাণ।

জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত অন্যতম বৃহৎ কম্পিউটিং সম্মেলন ‘আইএসসি’-তে বহুল প্রতীক্ষিত ‘টপ৫০০’ তালিকার সর্বশেষ সংস্করণে ‘লাইনশাইন’ নামক এই সুপারকম্পিউটারটি শীর্ষস্থান দখল করেছে। 

২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার এই তালিকার শীর্ষে এলো। ১৯৯৩ সাল থেকে বছরে দুইবার প্রকাশিত এই তালিকাটিকে বিশ্বজুড়ে কম্পিউটিং পরাশক্তিদের শক্তির একটি অনানুষ্ঠানিক স্কোরবোর্ড বা মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে ‘লাইনশাইন’ মার্কিন জ্বালানি বিভাগের পূর্ববর্তী বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সুপারকম্পিউটার এল ক্যাপিটান-কে দ্বিতীয় স্থানে ঠেলে দিয়েছে। 

চীনের শেনঝেন শহরে স্থাপিত এই কম্পিউটারটি প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২.২ ‘এক্সাফ্লপ্স’ গতিতে গণনা বা হিসাব-নিকাশ করতে সক্ষম। এই অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—‘লাইনশাইন’ সম্পূর্ণভাবে চীনের নিজস্ব নকশায় তৈরি প্রসেসর দিয়ে নির্মিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় সুপারকম্পিউটারগুলো সচরাচর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি চিপের ওপর নির্ভর করলেও চীন এখানে কোনো মার্কিন চিপ ব্যবহার করেনি।

অবশ্য এই তালিকায় এখনো শীর্ষ চারটির মধ্যে তিনটি স্থানই ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়ার ‘লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি’তে স্থাপিত ‘এল ক্যাপিটান’ রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির ‘জুপিটার বুস্টার’ শীর্ষ পাঁচের একদম শেষ স্থানটি দখলে রেখেছে। 

সূত্র: দ্য ডন