সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ সিলেটে ৪২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ১, সিলেট অঞ্চলে আবারও বাড়ছে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটে অসামাজিক কার্যকলাপ,দুটি আবাসিক হোটেল সিলগালা সিলেট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাইপণ্য জব্দ,আটক ১

সিলেটে পরিবহণ শ্রমিকদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রমিকের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ১০১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিবহণ শ্রমিকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় দেলওয়ার হোসেন নামে শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর পূর্বে গুরতর আহত আরেক শ্রমিক রিপন আহমদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২ মে) মারাযান।

এ ঘটনায় বুধবার (৬ মে)  নিহতের বাবা গোলাপগঞ্জ উপজেলার রণকেলী উত্তর গ্রামের মৃত জাবিদ আলীর ছেলে ছাবলু মিয়া বাদী হয়ে ভাংচুর, মারপিট, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শ্রমিক নেতা মইনুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ২৯ জনের নামে দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা (নং ৬, ০৬/০৫/২৬) দাখিল করেছেন। এ মামলায় আরও ৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানাসূত্র।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুজ্জামান জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার মারা যান সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত সিলেট-জকিগঞ্জ মিনিবাস শ্রমিক উপ কমিটির সদস্য দিলওয়ার হোসেন।

এরপূর্বে নিহত শ্রমিক রিপন এর বাবা দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল সিলেট-জগন্নাথপুর রুটে আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল । সংঘর্ষ চলাকালে উত্তেজিত শ্রমিকরা কয়েকটি বাস ও টিকিট কাউন্টারে ভাঙচুর চালায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত চারজন শ্রমিক আহত হন বলে জানা যায়। দিনব্যাপী সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। পরবর্তীতে বিকাল ৪টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে পরিবহণ শ্রমিকদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট নগরীর কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিবহণ শ্রমিকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় দেলওয়ার হোসেন নামে শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর পূর্বে গুরতর আহত আরেক শ্রমিক রিপন আহমদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২ মে) মারাযান।

এ ঘটনায় বুধবার (৬ মে)  নিহতের বাবা গোলাপগঞ্জ উপজেলার রণকেলী উত্তর গ্রামের মৃত জাবিদ আলীর ছেলে ছাবলু মিয়া বাদী হয়ে ভাংচুর, মারপিট, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শ্রমিক নেতা মইনুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ২৯ জনের নামে দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা (নং ৬, ০৬/০৫/২৬) দাখিল করেছেন। এ মামলায় আরও ৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানাসূত্র।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুজ্জামান জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার মারা যান সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত সিলেট-জকিগঞ্জ মিনিবাস শ্রমিক উপ কমিটির সদস্য দিলওয়ার হোসেন।

এরপূর্বে নিহত শ্রমিক রিপন এর বাবা দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল সিলেট-জগন্নাথপুর রুটে আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল । সংঘর্ষ চলাকালে উত্তেজিত শ্রমিকরা কয়েকটি বাস ও টিকিট কাউন্টারে ভাঙচুর চালায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত চারজন শ্রমিক আহত হন বলে জানা যায়। দিনব্যাপী সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। পরবর্তীতে বিকাল ৪টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।