ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে: প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব- এম এ মালিক এমপি প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কার্ড শিগগির চালু হবে : প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী  সিলেট একদিনে ধরা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ১৬ জন দেশের জন্য ট্যাক্স জিডিপি রেশিও বাড়াতে হবে- বাণিজ্যমন্ত্রী মন্ত্রীদের কাঁচা কথাবার্তায় অপরাধ উস্কে দিচ্ছে- ডা, শফিকুর জনগণের কাজ আমাদেরকে ঠিকমতো করতে হবে – কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট থেকে সংসদে আলোচিত ৬ নেত্রীর নাম সিলেট বিভাগের এক এমপিকে হ ত্যা চেষ্টার মামলায় জামায়াত প্রার্থীসহ আসামি দুই শতাধিক

ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমির-ঘেরা কারাগার বানাবে ইসরাইল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫১ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য ‘কুমির-ঘেরা কারাগার’ বানানোর প্রস্তাব দিয়েছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ও চরম ডানপন্থি নেতা ইতামার বেন-গভির। তার দাবি, এতে কোনো বন্দি পালিয়ে যাওয়ার সাহসও করবে না।

গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) স্থানীয় চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, ইসরাইলের প্রিজন সার্ভিস এই ‘অস্বাভাবিক প্রস্তাব’ খতিয়ে দেখছে। যেখানে বলা হয়েছে, বন্দিদের পালানোর সুযোগ সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কারাগারের চারপাশে কুমির রাখা হবে।

পত্রিকাটি জানিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রস্তাবটি ইসরাইলি কারাগার সার্ভিসের প্রধান কমিশনার কোবি ইয়াকোবিকে শুনিয়েছেন বেন-গভির। প্রস্তাবিত কারাগারটি দেশটির উত্তরের হামাত গাদার এলাকায় স্থাপন করা হতে পারে। এটি মূলত দখলকৃত সিরিয়ার গোলান উচ্চভূমি এবং জর্ডান সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চল। এখানে ইতোমধ্যেই একটি কুমিরের খামার ও চিড়িয়াখানা রয়েছে।

এই প্রস্তাবের পাশাপাশি, ইসরাইলি কনস্টিটিউশনের কনেসেটে বেন-গভির একটি বিল অনুমোদন করতে যাচ্ছে। যেটি পাশ হলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মধ্যে যারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা বা অংশগ্রহণের অভিযোগে অভিযুক্ত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হবে।

১১ নভেম্বর প্রথম পঠনের সময় বিলটি অনুমোদন পেয়েছে এবং আইন হিসাবে কার্যকর হওয়ার জন্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠ অতিক্রম করতে হবে। বর্তমানে ইসরাইলের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যা রয়েছে শিশু ও নারীর। 

মানবাধিকার সংস্থা এবং প্রতিবেদনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বন্দিদের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও চিকিৎসার অবহেলা সংক্রান্ত অভিযোগ বেড়েছে। তবে এর মাঝে বেন-গভির প্রস্তাবটি আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্ক সৃষ্টি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমির-ঘেরা কারাগার বানাবে ইসরাইল

আপডেট সময় : ০১:২১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য ‘কুমির-ঘেরা কারাগার’ বানানোর প্রস্তাব দিয়েছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ও চরম ডানপন্থি নেতা ইতামার বেন-গভির। তার দাবি, এতে কোনো বন্দি পালিয়ে যাওয়ার সাহসও করবে না।

গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) স্থানীয় চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, ইসরাইলের প্রিজন সার্ভিস এই ‘অস্বাভাবিক প্রস্তাব’ খতিয়ে দেখছে। যেখানে বলা হয়েছে, বন্দিদের পালানোর সুযোগ সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কারাগারের চারপাশে কুমির রাখা হবে।

পত্রিকাটি জানিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রস্তাবটি ইসরাইলি কারাগার সার্ভিসের প্রধান কমিশনার কোবি ইয়াকোবিকে শুনিয়েছেন বেন-গভির। প্রস্তাবিত কারাগারটি দেশটির উত্তরের হামাত গাদার এলাকায় স্থাপন করা হতে পারে। এটি মূলত দখলকৃত সিরিয়ার গোলান উচ্চভূমি এবং জর্ডান সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চল। এখানে ইতোমধ্যেই একটি কুমিরের খামার ও চিড়িয়াখানা রয়েছে।

এই প্রস্তাবের পাশাপাশি, ইসরাইলি কনস্টিটিউশনের কনেসেটে বেন-গভির একটি বিল অনুমোদন করতে যাচ্ছে। যেটি পাশ হলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মধ্যে যারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা বা অংশগ্রহণের অভিযোগে অভিযুক্ত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হবে।

১১ নভেম্বর প্রথম পঠনের সময় বিলটি অনুমোদন পেয়েছে এবং আইন হিসাবে কার্যকর হওয়ার জন্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠ অতিক্রম করতে হবে। বর্তমানে ইসরাইলের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যা রয়েছে শিশু ও নারীর। 

মানবাধিকার সংস্থা এবং প্রতিবেদনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বন্দিদের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও চিকিৎসার অবহেলা সংক্রান্ত অভিযোগ বেড়েছে। তবে এর মাঝে বেন-গভির প্রস্তাবটি আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্ক সৃষ্টি করছে।