সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে এসএসসিতে শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ফেল ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ সিলেট দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ সিলেটে স্বামী উপপরিচালক ক্ষমতার কেন্দ্রে স্ত্রী! জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মাধবপুর ডিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার সিলেটে হামের উপসর্গে মৃত্যু ৩ সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেপ্তার হবিগঞ্জ মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২ সিলেটে কাজ করতে সিটি কর্পোরেশনের এক কর্মচারী বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু, আহত ২

মবের ভয়ে থাকা সাংবাদিকরা ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’: প্রেস সচিব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ৭২ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।ছবি: সংগৃহীত

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, যেসব সাংবাদিক মবের ভয়ে আছেন, তারা ফ্যাসিবাদের দোসর ছিলেন। এ সরকার তো কাউকে ডিজিএফআই বা এনএসআই দিয়ে হয়রানি করে নাই।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব এ সময় দাবি করে বলেন, সত্যিকার অর্থে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সাংবাদিকরা তুলনামূলক নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পেরেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে সাংবাদিকদের ওপর ভয়াবহ পরিস্থিতি নেমে আসে। তাদের ওপর নানা ধরনের নিপীড়ন ও নির্যাতন চালানো হয়। সেই জায়গা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি।

শফিকুল আলম বলেন, গত ১৫ মাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করেছি। কিন্তু রাজনৈতিক সরকার আসলে সেটি টিকে থাকবে কি না সেই প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। 

দেশে মিস ইনফরমেশন ছড়ালে সেটা মোকাবিলা করা খুবই কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন দখল করে নিচ্ছে— এটা নিয়ে এক হাজার ভুয়া নিউজ ছড়িয়েছে। মাইলস্টোন নিয়েও গুজব ছড়িয়েছে। 

‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, আমাদের সক্ষমতা খুবই সীমিত। এই মাধ্যমে মিথ্যা খবর ধরার বা প্রতিহত করার প্রয়োজনীয় টুল ও ব্যবস্থা নেই। ফলে সূরা-কেরাত পড়েও অনেকে টিভিতে গিয়ে মিথ্যা কথা ছড়িয়ে যাচ্ছেন। 

বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে দৃঢ় রাখতে হলে এসব ফেক নিউজকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে বলেও জানান তিনি। 

শফিকুল আলমের মতে, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনি মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মবের ভয়ে থাকা সাংবাদিকরা ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’: প্রেস সচিব

আপডেট সময় : ০১:১৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।ছবি: সংগৃহীত

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, যেসব সাংবাদিক মবের ভয়ে আছেন, তারা ফ্যাসিবাদের দোসর ছিলেন। এ সরকার তো কাউকে ডিজিএফআই বা এনএসআই দিয়ে হয়রানি করে নাই।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব এ সময় দাবি করে বলেন, সত্যিকার অর্থে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সাংবাদিকরা তুলনামূলক নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পেরেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে সাংবাদিকদের ওপর ভয়াবহ পরিস্থিতি নেমে আসে। তাদের ওপর নানা ধরনের নিপীড়ন ও নির্যাতন চালানো হয়। সেই জায়গা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি।

শফিকুল আলম বলেন, গত ১৫ মাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করেছি। কিন্তু রাজনৈতিক সরকার আসলে সেটি টিকে থাকবে কি না সেই প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। 

দেশে মিস ইনফরমেশন ছড়ালে সেটা মোকাবিলা করা খুবই কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন দখল করে নিচ্ছে— এটা নিয়ে এক হাজার ভুয়া নিউজ ছড়িয়েছে। মাইলস্টোন নিয়েও গুজব ছড়িয়েছে। 

‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, আমাদের সক্ষমতা খুবই সীমিত। এই মাধ্যমে মিথ্যা খবর ধরার বা প্রতিহত করার প্রয়োজনীয় টুল ও ব্যবস্থা নেই। ফলে সূরা-কেরাত পড়েও অনেকে টিভিতে গিয়ে মিথ্যা কথা ছড়িয়ে যাচ্ছেন। 

বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে দৃঢ় রাখতে হলে এসব ফেক নিউজকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে বলেও জানান তিনি। 

শফিকুল আলমের মতে, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনি মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।