সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে আসা পর্যটকদের ভ্রমণ তালিকার শীর্ষে জাফলং,পর্যটনকেন্দ্র থেকে অবাধে পাথরলুট ও পরিবেশ ধ্বংসের কারণে প্রকৃতির বিনাশ- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারগানের অনাকাঙ্ক্ষিত ফায়ারে ক্লিনার আহত সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পাখি তাড়াতে গুলি, আহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী অসময়ে মেলা আয়োজন করলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে’- মন্ত্রী আরিফুল হক সিলেটে আটক ২৭ যানবাহন, মামলা ২১ সিলেট জকিগঞ্জ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ,আটক ২ সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী  কোনো চক্রান্তই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারবে না: খন্দকার মুক্তাদির লালাখাল চা বাগানে গীতা কোর্সের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ সিলেট নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে- সিসিক প্রশাসক

কারাগারে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সোনা চোরাচালানে অভিযুক্ত নায়িকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক:

সম্প্রতি ১২ কোটি টাকার সোনাপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও বর্তমানে আদালতের নির্দেশে ডিআরআই হেফাজতে রয়েছেন। সেখানেই গোয়েন্দারা তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। কিন্তু এ ঘটনায় পুলিশি জেরার নামে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী।

ভারতের রাজস্ব গোয়েন্দা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে রানিয়া রাও বলেন, সেখানে অকথ্য ভাষায় আচরণ করা হয়েছে তার সঙ্গে। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পানিও দেওয়া হতো না তাকে।

এ ছাড়া রানিয়ার অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে তাকে। হেফাজতে থাকাকালীন তার ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। রানিয়া রাও বলেন, গ্রেফতারের মুহূর্তে আদালতে হাজির করানো পর্যন্ত বহুবার আমাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। জেরার নামে ১০-১৫ বার চড় মেরেছেন তদন্তকারীরা। আমি তাদের লিখিত বিবৃতিতে সই করতে রাজি হইনি। কিন্তু পরে নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে আমি সই করতে বাধ্য হই।

অভিনেত্রী আরও বলেন, গ্রেফতারির পর টানা ২৪ ঘণ্টা তাকে কোনো খাবার কিংবা পানি দেওয়া হয়নি। এমনকি ঘুমাতেও দেওয়া হয়নি। একটানা চলছিল জিজ্ঞাসাবাদ।

এদিকে গ্রেফতারের কয়েক দিন পর হেফাজতে থাকা রানিয়ার একটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, অভিনেত্রীর চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে। চেহারায় মানসিকভাবেও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল তাকে। তার মাঝেই রানিয়া রাওয়ের এ অভিযোগে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ রানিয়া রাওকে গ্রেফতারের পর লাভেল রোডের নন্দওয়ানি ম্যানশনে তার বাসভবনে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তল্লাশিতে ২.৬৭ কোটি রুপি ও ২.০৬ কোটি মূল্যের সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযানের পর কর্মকর্তারা তার বাড়ি থেকে তিনটি বড় বাক্স উদ্ধার করেন। মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য ১৭.২৯ কোটি রুপি।

দুবাই থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামার পর রানিয়া পুলিশ কনস্টেবল বাসবরাজুর সাহায্যে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এদিকে তার কার্যকলাপ সম্পর্কে আগে থেকেই খবর ছিল ডিআরআইয়ের কাছে। ফলে অভিনেত্রীকে সোনাসহ হাতেনাতে ধরে ফেলা সম্ভব হয়। তল্লাশি করার সময় রানিয়ার জ্যাকেটের ভেতরে ১২.৫৬ কোটি রুপি মূল্যের ১৪.২ কেজি বিদেশি সোনা পাওয়া যায়। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কারাগারে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সোনা চোরাচালানে অভিযুক্ত নায়িকার

আপডেট সময় : ০৫:২৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক:

সম্প্রতি ১২ কোটি টাকার সোনাপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও বর্তমানে আদালতের নির্দেশে ডিআরআই হেফাজতে রয়েছেন। সেখানেই গোয়েন্দারা তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। কিন্তু এ ঘটনায় পুলিশি জেরার নামে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী।

ভারতের রাজস্ব গোয়েন্দা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে রানিয়া রাও বলেন, সেখানে অকথ্য ভাষায় আচরণ করা হয়েছে তার সঙ্গে। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পানিও দেওয়া হতো না তাকে।

এ ছাড়া রানিয়ার অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে তাকে। হেফাজতে থাকাকালীন তার ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। রানিয়া রাও বলেন, গ্রেফতারের মুহূর্তে আদালতে হাজির করানো পর্যন্ত বহুবার আমাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। জেরার নামে ১০-১৫ বার চড় মেরেছেন তদন্তকারীরা। আমি তাদের লিখিত বিবৃতিতে সই করতে রাজি হইনি। কিন্তু পরে নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে আমি সই করতে বাধ্য হই।

অভিনেত্রী আরও বলেন, গ্রেফতারির পর টানা ২৪ ঘণ্টা তাকে কোনো খাবার কিংবা পানি দেওয়া হয়নি। এমনকি ঘুমাতেও দেওয়া হয়নি। একটানা চলছিল জিজ্ঞাসাবাদ।

এদিকে গ্রেফতারের কয়েক দিন পর হেফাজতে থাকা রানিয়ার একটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, অভিনেত্রীর চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে। চেহারায় মানসিকভাবেও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল তাকে। তার মাঝেই রানিয়া রাওয়ের এ অভিযোগে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ রানিয়া রাওকে গ্রেফতারের পর লাভেল রোডের নন্দওয়ানি ম্যানশনে তার বাসভবনে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তল্লাশিতে ২.৬৭ কোটি রুপি ও ২.০৬ কোটি মূল্যের সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযানের পর কর্মকর্তারা তার বাড়ি থেকে তিনটি বড় বাক্স উদ্ধার করেন। মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য ১৭.২৯ কোটি রুপি।

দুবাই থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামার পর রানিয়া পুলিশ কনস্টেবল বাসবরাজুর সাহায্যে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এদিকে তার কার্যকলাপ সম্পর্কে আগে থেকেই খবর ছিল ডিআরআইয়ের কাছে। ফলে অভিনেত্রীকে সোনাসহ হাতেনাতে ধরে ফেলা সম্ভব হয়। তল্লাশি করার সময় রানিয়ার জ্যাকেটের ভেতরে ১২.৫৬ কোটি রুপি মূল্যের ১৪.২ কেজি বিদেশি সোনা পাওয়া যায়।