সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে এসএসসিতে শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ফেল ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ সিলেট দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ সিলেটে স্বামী উপপরিচালক ক্ষমতার কেন্দ্রে স্ত্রী! জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মাধবপুর ডিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার সিলেটে হামের উপসর্গে মৃত্যু ৩ সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেপ্তার হবিগঞ্জ মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২ সিলেটে কাজ করতে সিটি কর্পোরেশনের এক কর্মচারী বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু, আহত ২

কারাগারে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সোনা চোরাচালানে অভিযুক্ত নায়িকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫ ১২৬ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক:

সম্প্রতি ১২ কোটি টাকার সোনাপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও বর্তমানে আদালতের নির্দেশে ডিআরআই হেফাজতে রয়েছেন। সেখানেই গোয়েন্দারা তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। কিন্তু এ ঘটনায় পুলিশি জেরার নামে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী।

ভারতের রাজস্ব গোয়েন্দা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে রানিয়া রাও বলেন, সেখানে অকথ্য ভাষায় আচরণ করা হয়েছে তার সঙ্গে। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পানিও দেওয়া হতো না তাকে।

এ ছাড়া রানিয়ার অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে তাকে। হেফাজতে থাকাকালীন তার ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। রানিয়া রাও বলেন, গ্রেফতারের মুহূর্তে আদালতে হাজির করানো পর্যন্ত বহুবার আমাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। জেরার নামে ১০-১৫ বার চড় মেরেছেন তদন্তকারীরা। আমি তাদের লিখিত বিবৃতিতে সই করতে রাজি হইনি। কিন্তু পরে নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে আমি সই করতে বাধ্য হই।

অভিনেত্রী আরও বলেন, গ্রেফতারির পর টানা ২৪ ঘণ্টা তাকে কোনো খাবার কিংবা পানি দেওয়া হয়নি। এমনকি ঘুমাতেও দেওয়া হয়নি। একটানা চলছিল জিজ্ঞাসাবাদ।

এদিকে গ্রেফতারের কয়েক দিন পর হেফাজতে থাকা রানিয়ার একটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, অভিনেত্রীর চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে। চেহারায় মানসিকভাবেও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল তাকে। তার মাঝেই রানিয়া রাওয়ের এ অভিযোগে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ রানিয়া রাওকে গ্রেফতারের পর লাভেল রোডের নন্দওয়ানি ম্যানশনে তার বাসভবনে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তল্লাশিতে ২.৬৭ কোটি রুপি ও ২.০৬ কোটি মূল্যের সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযানের পর কর্মকর্তারা তার বাড়ি থেকে তিনটি বড় বাক্স উদ্ধার করেন। মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য ১৭.২৯ কোটি রুপি।

দুবাই থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামার পর রানিয়া পুলিশ কনস্টেবল বাসবরাজুর সাহায্যে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এদিকে তার কার্যকলাপ সম্পর্কে আগে থেকেই খবর ছিল ডিআরআইয়ের কাছে। ফলে অভিনেত্রীকে সোনাসহ হাতেনাতে ধরে ফেলা সম্ভব হয়। তল্লাশি করার সময় রানিয়ার জ্যাকেটের ভেতরে ১২.৫৬ কোটি রুপি মূল্যের ১৪.২ কেজি বিদেশি সোনা পাওয়া যায়। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কারাগারে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সোনা চোরাচালানে অভিযুক্ত নায়িকার

আপডেট সময় : ০৫:২৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক:

সম্প্রতি ১২ কোটি টাকার সোনাপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও বর্তমানে আদালতের নির্দেশে ডিআরআই হেফাজতে রয়েছেন। সেখানেই গোয়েন্দারা তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। কিন্তু এ ঘটনায় পুলিশি জেরার নামে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী।

ভারতের রাজস্ব গোয়েন্দা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে রানিয়া রাও বলেন, সেখানে অকথ্য ভাষায় আচরণ করা হয়েছে তার সঙ্গে। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পানিও দেওয়া হতো না তাকে।

এ ছাড়া রানিয়ার অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে তাকে। হেফাজতে থাকাকালীন তার ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। রানিয়া রাও বলেন, গ্রেফতারের মুহূর্তে আদালতে হাজির করানো পর্যন্ত বহুবার আমাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। জেরার নামে ১০-১৫ বার চড় মেরেছেন তদন্তকারীরা। আমি তাদের লিখিত বিবৃতিতে সই করতে রাজি হইনি। কিন্তু পরে নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে আমি সই করতে বাধ্য হই।

অভিনেত্রী আরও বলেন, গ্রেফতারির পর টানা ২৪ ঘণ্টা তাকে কোনো খাবার কিংবা পানি দেওয়া হয়নি। এমনকি ঘুমাতেও দেওয়া হয়নি। একটানা চলছিল জিজ্ঞাসাবাদ।

এদিকে গ্রেফতারের কয়েক দিন পর হেফাজতে থাকা রানিয়ার একটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, অভিনেত্রীর চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে। চেহারায় মানসিকভাবেও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল তাকে। তার মাঝেই রানিয়া রাওয়ের এ অভিযোগে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ রানিয়া রাওকে গ্রেফতারের পর লাভেল রোডের নন্দওয়ানি ম্যানশনে তার বাসভবনে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তল্লাশিতে ২.৬৭ কোটি রুপি ও ২.০৬ কোটি মূল্যের সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযানের পর কর্মকর্তারা তার বাড়ি থেকে তিনটি বড় বাক্স উদ্ধার করেন। মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য ১৭.২৯ কোটি রুপি।

দুবাই থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামার পর রানিয়া পুলিশ কনস্টেবল বাসবরাজুর সাহায্যে নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এদিকে তার কার্যকলাপ সম্পর্কে আগে থেকেই খবর ছিল ডিআরআইয়ের কাছে। ফলে অভিনেত্রীকে সোনাসহ হাতেনাতে ধরে ফেলা সম্ভব হয়। তল্লাশি করার সময় রানিয়ার জ্যাকেটের ভেতরে ১২.৫৬ কোটি রুপি মূল্যের ১৪.২ কেজি বিদেশি সোনা পাওয়া যায়।