সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর,শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত সিলেটে বা*সা-বা*ড়ি নির্মাণ নিয়ে নির্দেশনা দিল সিউক— সিলেট উপশহরে একটি বাসায় এসি চুরি করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু সিলেটে ট্রিপল মার্ডার নিয়ে রহস্য, তৈরি হয়েছে জটিলতা পুলিশ খুঁজছে প্রেমের সূত্র, পরিবারের দাবি সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব*** আগামী ৫দিন সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে সিলেটে রায়নগর ট্রি প ল মার্ডার, বাবুল ৪দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর সিলেটে গ্যাস সংকটে যানবাহনের ভাড়া বৃদ্ধি, ক্ষোভ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৩৪ দিনে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা সিলেট রায়নগর রাজবাড়ী মিতালি ১১১ নম্বর বাসায় খুন হওয়া সাত্তার-সুরাইয়ার সন্তানসহ স্বজনদের শান্তনা দেন মন্ত্রী মুক্তাদির ও আরিফ বঙ্গবন্ধুর ৫১ তম শাহাদাত বার্ষিকী ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার

যুদ্ধবিরতির আনন্দে গাজায় কর্মরত সাংবাদিকদের আবেগ-উল্লাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫ ১২৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনন্দ ছুঁয়ে গেছে গাজায় কর্মরত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের মাঝেও। বহুদিন ধরে সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার পর, এখন তারা নিরাপদে ঘরে ফেরার এবং নিজেদের কাজ পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন।

আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগের ঘণ্টাগুলোতে গাজার সাংবাদিকরা নাসের হাসপাতালের সামনে একত্রিত হন। এই সময় তারা নিহত সহকর্মীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানায় এবং সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতি নেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণলায়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনী গাজায় ২০০ এরও বেশি সাংবাদিককে হত্যা করেছে, এর পাশাপাশি অনেক সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদেরও হত্যা করা হয়েছে।

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়ে এসেছে।  এসময় গাজার সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে সামরিক হামলা, আক্রমণ এবং সংবাদ সংগ্রহে ব্যাপক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন।  অনেকেই সহকর্মী হারিয়েছেন এবং নিজেরাও বিভিন্ন সময় হামলার শিকার হয়েছেন।  

তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর, কিছুটা শান্ত পরিবেশের প্রত্যাশায় তারা অপেক্ষা করছেন, যাতে তারা আরও ভালোভাবে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

গাজার সাংবাদিকরা জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তারা নিরাপদে সংবাদ সংগ্রহে ফিরে যাবেন, এবং জনগণের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন। যুদ্ধবিরতির ফলে সংবাদমাধ্যমের জন্য এই একটি নতুন সুযোগ, যেখানে তারা গাজার বাস্তবতা আরও সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা গাজার সাংবাদিকদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন এবং যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে তারা নতুন করে কাজ শুরু করার আশায় রয়েছেন।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এর দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬৬ জন সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মী নিহত হয়েছে।  এর মধ্যে ১৫৮ জন ফিলিস্তিনি, ২ জন ইসরাইলি এবং ৬ জন লেবাননের নাগরিক অন্তর্ভুক্ত।  সিপিজে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তি দাবি করেছে এবং এটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যুদ্ধবিরতির আনন্দে গাজায় কর্মরত সাংবাদিকদের আবেগ-উল্লাস

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনন্দ ছুঁয়ে গেছে গাজায় কর্মরত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের মাঝেও। বহুদিন ধরে সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার পর, এখন তারা নিরাপদে ঘরে ফেরার এবং নিজেদের কাজ পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন।

আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগের ঘণ্টাগুলোতে গাজার সাংবাদিকরা নাসের হাসপাতালের সামনে একত্রিত হন। এই সময় তারা নিহত সহকর্মীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানায় এবং সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতি নেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণলায়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনী গাজায় ২০০ এরও বেশি সাংবাদিককে হত্যা করেছে, এর পাশাপাশি অনেক সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদেরও হত্যা করা হয়েছে।

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়ে এসেছে।  এসময় গাজার সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে সামরিক হামলা, আক্রমণ এবং সংবাদ সংগ্রহে ব্যাপক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন।  অনেকেই সহকর্মী হারিয়েছেন এবং নিজেরাও বিভিন্ন সময় হামলার শিকার হয়েছেন।  

তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর, কিছুটা শান্ত পরিবেশের প্রত্যাশায় তারা অপেক্ষা করছেন, যাতে তারা আরও ভালোভাবে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

গাজার সাংবাদিকরা জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তারা নিরাপদে সংবাদ সংগ্রহে ফিরে যাবেন, এবং জনগণের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন। যুদ্ধবিরতির ফলে সংবাদমাধ্যমের জন্য এই একটি নতুন সুযোগ, যেখানে তারা গাজার বাস্তবতা আরও সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা গাজার সাংবাদিকদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন এবং যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে তারা নতুন করে কাজ শুরু করার আশায় রয়েছেন।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এর দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬৬ জন সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মী নিহত হয়েছে।  এর মধ্যে ১৫৮ জন ফিলিস্তিনি, ২ জন ইসরাইলি এবং ৬ জন লেবাননের নাগরিক অন্তর্ভুক্ত।  সিপিজে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তি দাবি করেছে এবং এটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানিয়েছে।