সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ সিলেটে ৪২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ১, সিলেট অঞ্চলে আবারও বাড়ছে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটে অসামাজিক কার্যকলাপ,দুটি আবাসিক হোটেল সিলগালা সিলেট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাইপণ্য জব্দ,আটক ১

হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গে মায়ের স্বপ্ন পূরণ করে হেলিকপ্টারে নববধুকে আনলো যুবক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮০ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গ প্রতিনিধি :

বানিয়াচঙ্গের মক্রমপুর গ্রামে মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে বউ আনলেন শেখ রাসেল সরকার নামে এক যুবক। ২ বছর আগে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন তিনি। তিনি উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের মরহুম শেখ আয়ুব আলী সরকার ও রাজিয়া খাতুনের ছেলে।


গতকাল রবিবার বিকেলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি ইদু মিয়ার কলেজ পড়ু-য়া মেয়ে সানজিয়া আক্তারকে হেলিকাপ্টারে চড়ে বিয়ে করেন। বেলা ১ টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকাপ্টার মক্রমপুর ঈদগাহে অবতরণ করে। এ সময় হেলিকাপ্টার দেখার জন্য এলাকাবাসী ভিড় জমান। গ্রামে প্রথম হেলিকাপ্টারের অবতরণ দেখে অনেকেই আনন্দিত হন। ১ টা ৪৫ মিনিটে হেলিকাপ্টার বর রাসেলকে নিয়ে রিচি গ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ২ মিনিটে হেলিকাপ্টার কন্যের বাড়ি রিচিতে পৌছেন। সেখানে উৎসুক লোকজন হেলিকাপ্টার দেখার জন্য ভীড় জমান। বিকেল ৫টার দিকে বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর নববধুকে নিয়ে রাসেল বাড়ি উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে ২ মিনিটেই বাড়িতে পৌছেন তিনি।


বর রাসেল সরকার সাংবাদিকদের জানান, তার মায়ের স্বপ্ন ছিল আমি বড় হলে হেলিকাপ্টারে বিয়ে করানোর। মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে আমার বড় ভাই জুয়েল সরকারসহ পরিবার আমাকে হেলিকাপ্টারে ছড়িয়ে বিয়ে সম্পন্ন করেন।


বরের বড় শেখ জুয়েল সরকার জানান, আমাদের গ্রাম তথা মক্রমপুর ইউনিয়নে আর কোন বিয়ে বর হেলিকাপ্টারে চড়ে করেননি। অপর দিকে রিচি গ্রামেও হেলিকাপ্টারের এটি প্রথম বিয়ে। তাই দুই গ্রামের মানুষই হেলিকাপ্টার বর ও নববধুকে দেখতে ভীড় জমিয়েছেন। আর আমরা মূলত আমার মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতেই ছোট ভাইকে হেলিকাপ্টারে চড়িয়ে বিয়ে করাই। বরের মামা জালাল মিয়া বলেন, মায়ের ইচ্ছাপূরণের জন্যই রাজিব হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করেছে। এতে আমার বোনসহ সকলেই খুশি। বরের চাচা, চাচাত ভাই ইউপি সদস্য আহাদ মিয়া জানান, আমরা গর্বিত হেলিকপ্টারে চড়ে আমাদের বাড়িতে নববধূ এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গে মায়ের স্বপ্ন পূরণ করে হেলিকপ্টারে নববধুকে আনলো যুবক

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

হবিগঞ্জ বানিয়াচঙ্গ প্রতিনিধি :

বানিয়াচঙ্গের মক্রমপুর গ্রামে মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে বউ আনলেন শেখ রাসেল সরকার নামে এক যুবক। ২ বছর আগে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন তিনি। তিনি উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের মরহুম শেখ আয়ুব আলী সরকার ও রাজিয়া খাতুনের ছেলে।


গতকাল রবিবার বিকেলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি ইদু মিয়ার কলেজ পড়ু-য়া মেয়ে সানজিয়া আক্তারকে হেলিকাপ্টারে চড়ে বিয়ে করেন। বেলা ১ টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকাপ্টার মক্রমপুর ঈদগাহে অবতরণ করে। এ সময় হেলিকাপ্টার দেখার জন্য এলাকাবাসী ভিড় জমান। গ্রামে প্রথম হেলিকাপ্টারের অবতরণ দেখে অনেকেই আনন্দিত হন। ১ টা ৪৫ মিনিটে হেলিকাপ্টার বর রাসেলকে নিয়ে রিচি গ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ২ মিনিটে হেলিকাপ্টার কন্যের বাড়ি রিচিতে পৌছেন। সেখানে উৎসুক লোকজন হেলিকাপ্টার দেখার জন্য ভীড় জমান। বিকেল ৫টার দিকে বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর নববধুকে নিয়ে রাসেল বাড়ি উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে ২ মিনিটেই বাড়িতে পৌছেন তিনি।


বর রাসেল সরকার সাংবাদিকদের জানান, তার মায়ের স্বপ্ন ছিল আমি বড় হলে হেলিকাপ্টারে বিয়ে করানোর। মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে আমার বড় ভাই জুয়েল সরকারসহ পরিবার আমাকে হেলিকাপ্টারে ছড়িয়ে বিয়ে সম্পন্ন করেন।


বরের বড় শেখ জুয়েল সরকার জানান, আমাদের গ্রাম তথা মক্রমপুর ইউনিয়নে আর কোন বিয়ে বর হেলিকাপ্টারে চড়ে করেননি। অপর দিকে রিচি গ্রামেও হেলিকাপ্টারের এটি প্রথম বিয়ে। তাই দুই গ্রামের মানুষই হেলিকাপ্টার বর ও নববধুকে দেখতে ভীড় জমিয়েছেন। আর আমরা মূলত আমার মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতেই ছোট ভাইকে হেলিকাপ্টারে চড়িয়ে বিয়ে করাই। বরের মামা জালাল মিয়া বলেন, মায়ের ইচ্ছাপূরণের জন্যই রাজিব হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করেছে। এতে আমার বোনসহ সকলেই খুশি। বরের চাচা, চাচাত ভাই ইউপি সদস্য আহাদ মিয়া জানান, আমরা গর্বিত হেলিকপ্টারে চড়ে আমাদের বাড়িতে নববধূ এসেছে।