সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান কাষ্টঘর সুইপার কলোনিতে সিসিক প্রশাসক 🚔 সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অভিযানে ৩২ ঘন্টায় ১৩৯ জন গ্রেফতার এবং ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে ২১৯ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেট (এসএমপি) ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩,৩৭,০০০ টাকার ভারতীয় Nestle Kitkat চকলেট ও ১টি সিএনজিসহ গ্রেফতার ৩ সিলেট পূর্ব শাপলাবাগে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক চালিবন্দর শ্মশান কমপ্লেক্স উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট শাহপরাণ(রহঃ) থানা পুলিশের অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০১ সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের সাক্ষাত ও মতবিনিময় সিলেটে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মেরে ফেললেই হিজবুল্লাহ ভেঙে পড়বে না- খামেনি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি বলেছেন, হিজবুল্লাহর শীর্ষ কমান্ডারদের মেরে সংগঠনটিকে শেষ করতে পারবে না ইসরাইল। ইরান-ইরাক যুদ্ধে লড়াই করা সেনাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননের ইরান-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করেছে ইসরাইল। এছাড়া পেজার, ওয়াকিটকিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের বিস্ফোরণেও লেবাননে অনেক মানুষ হতাহত হয়েছেন। যদিও এসব বিস্ফোরণের দায় এখনো স্বীকার করেনি ইসরাইল। তবে ঘটনার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত ইঙ্গিত করছে, এসবের পেছনে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হাত রয়েছে।

এসবের প্রেক্ষিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি বলেছেন, ‘হিজবুল্লাহর কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব শহিদ হয়েছেন। এতে হিজবুল্লাহর কিছুটা ক্ষতি হয়েছে নিশ্চিত, তবে এর ফলে হিজবুল্লাহ শেষ হয়ে যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘হিজবুল্লাহর সাংগঠনিক এবং মানবিক শক্তি অনেক দৃঢ়। তাদের নেতৃত্ব, সক্ষমতা এবং শক্তিমত্তা অনেক পোক্ত, কিছু মানুষ শহিদ হলেও এতে তাদের ওপর বড় কোনো প্রভাব পড়বে না।

গত বছরের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই অশান্ত লেবানন সীমান্ত। সেখানে ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে তখন থেকেই থেমে থেমে 

লড়াই চলছে। তবে সেপ্টেম্বরে লেবাননে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ এবং তারপর ইসরাইলি হামলায় শত শত মানুষ নিহতের ঘটনায় এখন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে  মধ্যপ্রাচ্যের ইরান-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠীগুলো ইসরাইলে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। এর মধ্যে লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি এবং ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স উল্লেখ্যযোগ্য। তাই ইসরাইল হামাসের সঙ্গে এখন এসব গোষ্ঠীগুলোকেও নিশানা বানাচ্ছে। লেবাননে ইসরাইলের বড় ধরনের সামরিক হামলা তারই প্রমাণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মেরে ফেললেই হিজবুল্লাহ ভেঙে পড়বে না- খামেনি

আপডেট সময় : ০১:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি বলেছেন, হিজবুল্লাহর শীর্ষ কমান্ডারদের মেরে সংগঠনটিকে শেষ করতে পারবে না ইসরাইল। ইরান-ইরাক যুদ্ধে লড়াই করা সেনাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননের ইরান-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করেছে ইসরাইল। এছাড়া পেজার, ওয়াকিটকিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের বিস্ফোরণেও লেবাননে অনেক মানুষ হতাহত হয়েছেন। যদিও এসব বিস্ফোরণের দায় এখনো স্বীকার করেনি ইসরাইল। তবে ঘটনার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত ইঙ্গিত করছে, এসবের পেছনে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হাত রয়েছে।

এসবের প্রেক্ষিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি বলেছেন, ‘হিজবুল্লাহর কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব শহিদ হয়েছেন। এতে হিজবুল্লাহর কিছুটা ক্ষতি হয়েছে নিশ্চিত, তবে এর ফলে হিজবুল্লাহ শেষ হয়ে যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘হিজবুল্লাহর সাংগঠনিক এবং মানবিক শক্তি অনেক দৃঢ়। তাদের নেতৃত্ব, সক্ষমতা এবং শক্তিমত্তা অনেক পোক্ত, কিছু মানুষ শহিদ হলেও এতে তাদের ওপর বড় কোনো প্রভাব পড়বে না।

গত বছরের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই অশান্ত লেবানন সীমান্ত। সেখানে ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে তখন থেকেই থেমে থেমে 

লড়াই চলছে। তবে সেপ্টেম্বরে লেবাননে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ এবং তারপর ইসরাইলি হামলায় শত শত মানুষ নিহতের ঘটনায় এখন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে  মধ্যপ্রাচ্যের ইরান-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠীগুলো ইসরাইলে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। এর মধ্যে লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি এবং ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স উল্লেখ্যযোগ্য। তাই ইসরাইল হামাসের সঙ্গে এখন এসব গোষ্ঠীগুলোকেও নিশানা বানাচ্ছে। লেবাননে ইসরাইলের বড় ধরনের সামরিক হামলা তারই প্রমাণ।