সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রতিদিন রাতে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান হবিগঞ্জ বহুলায় ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে প্রত্যাহার বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় যু’ক্তরাষ্ট্র সিলেটে হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীন- আরিফ জরুরী মুহুর্তসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা রোগীদের দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের নির্দেশ- এমপি লুনা সিলেট বিভিন্ন অপরাধে অপরাধে গ্রেফতার ৬২, ১৪৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা বিয়ানীবাজারে শিশুকে বলাৎকার অভিযোগে আটক ১ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল- মন্ত্রী আরিফ

১৫ বছরে নিপীড়িত সাংবাদিকদের তালিকা করবে জার্নালিস্টস ফর জাস্টিস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

নিপীড়িত ও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে পেশাগত অধিকার সংগঠন ‘জার্নালিস্টস ফর জাস্টিস (জে ফর জে)’।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘নির্যাতিত সাংবাদিকদের কথা’ শীর্ষক সভায় সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন আহ্বায়ক কাজী জেসিন। এ সময় তিনি গত ১৫ বছরে নিপীড়িত সাংবাদিকদের তালিকা করা হবে বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক আলফাজ আনাম, সদস্য জাহেদ চৌধুরী, অলিউল্লাহ নোমান, মারুফ মল্লিক ও এহসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

কাজী জেসিন বলেন, ‘প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশে অসংখ্য সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী নানা ধরনের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু নিপীড়িত সাংবাদিকদের প্রকৃত সংখ্যা আমরা কেউ জানি না। আবার শুধু সাংবাদিকেরা নিজেরাই নন, তাদের পরিবারের সদস্যদের পর্যন্ত মামলা, হামলা এবং হয়রানির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে অনেক সাংবাদিককে দেশ ছাড়তে হয়েছে বলে জানান কাজী জেসিন। 

তিনি বলেন, ‘বিদেশে বসে সাংবাদিকতা চালিয়ে যাওয়ার কারণে সাংবাদিক তাসনীম খলিল, জুলকারনাইন সায়ের, কনক সরওয়ারসহ আরও অনেকের পরিবারের সদস্যরা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ক্ষমতাসীন ক্যাডারদের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ ধরনের নির্যাতিত সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে তারা যাতে যথাযথ বিচার এবং ক্ষতিপূরণ পান তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ। একই সঙ্গে বর্তমান এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সরকারের সময় যাতে পেশাগত কাজের কারণে সাংবাদিকেরা নিপীড়নের শিকার না হন সে জন্য কাজ করে যাব।’

সংগঠনের সদস্য জাহেদ চৌধুরী বলেন, ‘সাংবাদিকদের হয়রানির ঘটনাগুলো এই ফোরামের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হবে। চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে আমরা সোচ্চার থাকব। সরকারসহ অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে কথা বলে নিপীড়িত সাংবাদিকেরা যাতে যথাযথ বিচার পান তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করব।’

সদস্য অলিউল্লাহ নোমান বলেন, ‘ছাত্রদের আত্মত্যাগের কল্যাণে আমরা আজ স্বাধীনভাবে কথা বলছি। তাদের ত্যাগ ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য আমাদের সর্বত্র সুবিচার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হতে হবে।’ 

সদস্য মারুফ মল্লিক বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক অতীতে সাংবাদিকতার জন্য কালো অধ্যায় শুরু হয় ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় থেকে। গত ১৫ বছরে তা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। ওই সময়ে দলদাস সাংবাদিকতার নজির বিশ্বের সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখা যায় না। আমরা এই কালো অধ্যায় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকতার জন্য সুস্থ একটা পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যেতে চাই। আশার কথা যে, গতকাল (১১ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে মিডিয়ার সংস্কারের জন্য কমিশন গঠনের কথা বলেছেন। গণমাধ্যমকে পদলেহী মাধ্যম হওয়া থেকে বের করে আনতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১৫ বছরে নিপীড়িত সাংবাদিকদের তালিকা করবে জার্নালিস্টস ফর জাস্টিস

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক :

নিপীড়িত ও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে পেশাগত অধিকার সংগঠন ‘জার্নালিস্টস ফর জাস্টিস (জে ফর জে)’।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘নির্যাতিত সাংবাদিকদের কথা’ শীর্ষক সভায় সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন আহ্বায়ক কাজী জেসিন। এ সময় তিনি গত ১৫ বছরে নিপীড়িত সাংবাদিকদের তালিকা করা হবে বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক আলফাজ আনাম, সদস্য জাহেদ চৌধুরী, অলিউল্লাহ নোমান, মারুফ মল্লিক ও এহসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

কাজী জেসিন বলেন, ‘প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশে অসংখ্য সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী নানা ধরনের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু নিপীড়িত সাংবাদিকদের প্রকৃত সংখ্যা আমরা কেউ জানি না। আবার শুধু সাংবাদিকেরা নিজেরাই নন, তাদের পরিবারের সদস্যদের পর্যন্ত মামলা, হামলা এবং হয়রানির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে অনেক সাংবাদিককে দেশ ছাড়তে হয়েছে বলে জানান কাজী জেসিন। 

তিনি বলেন, ‘বিদেশে বসে সাংবাদিকতা চালিয়ে যাওয়ার কারণে সাংবাদিক তাসনীম খলিল, জুলকারনাইন সায়ের, কনক সরওয়ারসহ আরও অনেকের পরিবারের সদস্যরা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ক্ষমতাসীন ক্যাডারদের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ ধরনের নির্যাতিত সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে তারা যাতে যথাযথ বিচার এবং ক্ষতিপূরণ পান তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ। একই সঙ্গে বর্তমান এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সরকারের সময় যাতে পেশাগত কাজের কারণে সাংবাদিকেরা নিপীড়নের শিকার না হন সে জন্য কাজ করে যাব।’

সংগঠনের সদস্য জাহেদ চৌধুরী বলেন, ‘সাংবাদিকদের হয়রানির ঘটনাগুলো এই ফোরামের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হবে। চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে আমরা সোচ্চার থাকব। সরকারসহ অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে কথা বলে নিপীড়িত সাংবাদিকেরা যাতে যথাযথ বিচার পান তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করব।’

সদস্য অলিউল্লাহ নোমান বলেন, ‘ছাত্রদের আত্মত্যাগের কল্যাণে আমরা আজ স্বাধীনভাবে কথা বলছি। তাদের ত্যাগ ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য আমাদের সর্বত্র সুবিচার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হতে হবে।’ 

সদস্য মারুফ মল্লিক বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক অতীতে সাংবাদিকতার জন্য কালো অধ্যায় শুরু হয় ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় থেকে। গত ১৫ বছরে তা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। ওই সময়ে দলদাস সাংবাদিকতার নজির বিশ্বের সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখা যায় না। আমরা এই কালো অধ্যায় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকতার জন্য সুস্থ একটা পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যেতে চাই। আশার কথা যে, গতকাল (১১ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে মিডিয়ার সংস্কারের জন্য কমিশন গঠনের কথা বলেছেন। গণমাধ্যমকে পদলেহী মাধ্যম হওয়া থেকে বের করে আনতে হবে।