সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান দেশের বিভিন্ন বিভাগে ভারি বৃষ্টির শঙ্কা— সিলেটে বদলি গণপূর্তের ১৩ প্রকৌশলী ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর,শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত সিলেটে বা*সা-বা*ড়ি নির্মাণ নিয়ে নির্দেশনা দিল সিউক— সিলেট উপশহরে একটি বাসায় এসি চুরি করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু সিলেটে ট্রিপল মার্ডার নিয়ে রহস্য, তৈরি হয়েছে জটিলতা পুলিশ খুঁজছে প্রেমের সূত্র, পরিবারের দাবি সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব*** আগামী ৫দিন সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে সিলেটে রায়নগর ট্রি প ল মার্ডার, বাবুল ৪দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর সিলেটে গ্যাস সংকটে যানবাহনের ভাড়া বৃদ্ধি, ক্ষোভ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৩৪ দিনে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা

স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হচ্ছে না ইসরাইল, দায় চাপানো হচ্ছে হামাসের ওপর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া গাজার শান্তিচুক্তি প্রস্তাবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস সেটির ওপরই জোর দিচ্ছে। কিন্তু ইসরাইল এখনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হচ্ছে না।

সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদেও গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হয়েছে। এতেও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ইসরাইল এখনো তা মেনে নেওয়ার কথা বলছে না। আর হামাস বলছে, তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা চায়।

গত ২৭ মে ইসরাইল যে প্রস্তাব দিয়েছিল, তাতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে অস্পষ্টতা আছে। এতে বলা হয়েছে, দুই পক্ষ প্রথমে ছয় সপ্তাহে প্রথম ধাপের অস্ত্রবিরতিতে যবে। এ সময় তারা বন্দি বিনিময় করবে। দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে। কিন্তু এখানে যদি কোনো অবস্থাতেই ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হয়? হামাস তাই শুরুতেই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দাবি করছে।

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায় বা ধাপটির স্থায়িত্ব হবে ছয় সপ্তাহের। এতে যদি সমঝোতা না হয়, তবে তা সম্প্রসারিত করা হবে। কিন্তু হামাস মনে করছে, এই প্রস্তাবে ইসরাইলকে যুদ্ধ আবার শুরুর অধিকার দেওয়া হয়েছে।

মধ্যস্ততাকারীরা বলছেন, হামাস আরও কয়েকটি সংশোধনী দাবি করছে। তবে সেগুলো খুবই ছোটখাট। সেগুলো সমাধান করতে সমস্যা হবে না। কিন্তু স্থায়ী যুদ্ধবিরতির বিষয়টিই এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনঞ্জামিন নেতানিয়াহু বার বার বলে আসছেন, হামাসকে ধ্বংস না করা পর্যন্ত তারা যুদ্ধ বন্ধ করবে না। তিনি আরও দাবি করেছেন, তাদের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে এই যুদ্ধে তাদের লক্ষ্য পূরণের বিষয়টি অনুমোদন করা রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে হামাস মনে করছে, ইসরাইল কেবল যুদ্ধবিরতির প্রথম অংশটুকু বাস্তবায়ন করবে। এর মাধ্যমে তারা জীবিত নারী, বয়স্ক এবং অসুস্থ পণবন্দিদের মুক্ত করিয়ে নেবে। এসব বন্দি মুক্ত হলেই তারা পূর্ণ গতিতে আবার হামলা চালাবে। এমনকি তখন হামলার গতি হবে আরও ভয়াবহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হচ্ছে না ইসরাইল, দায় চাপানো হচ্ছে হামাসের ওপর

আপডেট সময় : ০৫:১৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া গাজার শান্তিচুক্তি প্রস্তাবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস সেটির ওপরই জোর দিচ্ছে। কিন্তু ইসরাইল এখনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হচ্ছে না।

সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদেও গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হয়েছে। এতেও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ইসরাইল এখনো তা মেনে নেওয়ার কথা বলছে না। আর হামাস বলছে, তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা চায়।

গত ২৭ মে ইসরাইল যে প্রস্তাব দিয়েছিল, তাতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে অস্পষ্টতা আছে। এতে বলা হয়েছে, দুই পক্ষ প্রথমে ছয় সপ্তাহে প্রথম ধাপের অস্ত্রবিরতিতে যবে। এ সময় তারা বন্দি বিনিময় করবে। দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে। কিন্তু এখানে যদি কোনো অবস্থাতেই ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হয়? হামাস তাই শুরুতেই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দাবি করছে।

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায় বা ধাপটির স্থায়িত্ব হবে ছয় সপ্তাহের। এতে যদি সমঝোতা না হয়, তবে তা সম্প্রসারিত করা হবে। কিন্তু হামাস মনে করছে, এই প্রস্তাবে ইসরাইলকে যুদ্ধ আবার শুরুর অধিকার দেওয়া হয়েছে।

মধ্যস্ততাকারীরা বলছেন, হামাস আরও কয়েকটি সংশোধনী দাবি করছে। তবে সেগুলো খুবই ছোটখাট। সেগুলো সমাধান করতে সমস্যা হবে না। কিন্তু স্থায়ী যুদ্ধবিরতির বিষয়টিই এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনঞ্জামিন নেতানিয়াহু বার বার বলে আসছেন, হামাসকে ধ্বংস না করা পর্যন্ত তারা যুদ্ধ বন্ধ করবে না। তিনি আরও দাবি করেছেন, তাদের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে এই যুদ্ধে তাদের লক্ষ্য পূরণের বিষয়টি অনুমোদন করা রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে হামাস মনে করছে, ইসরাইল কেবল যুদ্ধবিরতির প্রথম অংশটুকু বাস্তবায়ন করবে। এর মাধ্যমে তারা জীবিত নারী, বয়স্ক এবং অসুস্থ পণবন্দিদের মুক্ত করিয়ে নেবে। এসব বন্দি মুক্ত হলেই তারা পূর্ণ গতিতে আবার হামলা চালাবে। এমনকি তখন হামলার গতি হবে আরও ভয়াবহ।