সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শিশুকে যৌ’ন নি’র্যাতন ও হ’ত্যার ঘটনায় চাচা গ্রে’প্তার মাজারে আসা প্রতিবন্ধী তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ সিলেট পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৮ সিলেটে হাম উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু সিলেটে ওসমানীতে হাম রোগীদের জন্য নতুন ইউনিট ও আইসিইউ চালু সিলেটে ‘হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও দগ্ধ হয়ে এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল আসামী খালাস প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি- জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না হবিগঞ্জে ৪ থানার ওসি বদলী নবীগঞ্জে র‌্যাবের অভিযান ৪৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ চুনারুঘাটে বিজিবি’র অভিযান ভারতীয় গাঁজা ও বিয়ার উদ্ধার

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪ ১২৪ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তেলিয়াপাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক বাংলোতে মুক্তিযুদ্ধের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নিয়ে এক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

এ বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ, যুদ্ধের রণকৌশল, ১১টি সেক্টর বন্টন, অস্ত্রের যোগান, আন্তর্জাতিক সমর্থনসহ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অনেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি: তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ

সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কর্ণেল আতাউল গনি ওসমানী, লেঃ কর্ণেল সালেহ উদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, মেজর কে এম সফিউল্লাহ, মেজর খালেদ মোশারফ, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর মঈনুল হোসেন চৌধুরী, মেজর নুরুল ইসলাম, মেজর সাফায়েত জামীল, মেজর সি আর দত্ত প্রমুখ। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত ঐতিহাসিক এ বৈঠককে এখন পর্যন্ত জাতীয় ভাবে ঘোষণা করা হয়নি। 

ঐতিহাসিক ওই বাংলোটিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর ও জাতীয় ভাবে ঘোষণা না করায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ সকলের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। প্রতি বৎসর ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারও দিবসটি পালন করা হবে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে। 

পরিবেশ ও সংস্কৃতিকর্মী তোফাজ্জল সোহেল বলেন, দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোটি একটি অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান। কিন্তু দুঃখের বিষয় স্বাধীনতার পর ৫৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলোটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেনি কোনো স্মৃতি জাদুঘর। তিনি বাংলোটিকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত করার দাবি জানান। 

বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক বলেন, ‘আজ ৪ এপ্রিল একটি ঐতিহাসিক দিন। এ দিনেই তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোতে যুদ্ধের রণকৌশল ও সারা দেশে ১১টি সেক্টরে ভাগ হয়ে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আজ পর্যন্ত এ দিনটিকে জাতীয় ভাবে ঘোষণা না করায় আমরা হতাশ। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস 

আপডেট সময় : ০৬:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তেলিয়াপাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক বাংলোতে মুক্তিযুদ্ধের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নিয়ে এক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

এ বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ, যুদ্ধের রণকৌশল, ১১টি সেক্টর বন্টন, অস্ত্রের যোগান, আন্তর্জাতিক সমর্থনসহ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অনেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি: তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ

সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কর্ণেল আতাউল গনি ওসমানী, লেঃ কর্ণেল সালেহ উদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, মেজর কে এম সফিউল্লাহ, মেজর খালেদ মোশারফ, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর মঈনুল হোসেন চৌধুরী, মেজর নুরুল ইসলাম, মেজর সাফায়েত জামীল, মেজর সি আর দত্ত প্রমুখ। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত ঐতিহাসিক এ বৈঠককে এখন পর্যন্ত জাতীয় ভাবে ঘোষণা করা হয়নি। 

ঐতিহাসিক ওই বাংলোটিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর ও জাতীয় ভাবে ঘোষণা না করায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ সকলের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। প্রতি বৎসর ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারও দিবসটি পালন করা হবে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে। 

পরিবেশ ও সংস্কৃতিকর্মী তোফাজ্জল সোহেল বলেন, দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোটি একটি অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান। কিন্তু দুঃখের বিষয় স্বাধীনতার পর ৫৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলোটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেনি কোনো স্মৃতি জাদুঘর। তিনি বাংলোটিকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত করার দাবি জানান। 

বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক বলেন, ‘আজ ৪ এপ্রিল একটি ঐতিহাসিক দিন। এ দিনেই তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোতে যুদ্ধের রণকৌশল ও সারা দেশে ১১টি সেক্টরে ভাগ হয়ে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আজ পর্যন্ত এ দিনটিকে জাতীয় ভাবে ঘোষণা না করায় আমরা হতাশ।