সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ‎শিশু ফাহিমা হত্যা ‎ঘাতক জাকিরের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন সিলেট বিভাগের মানববন্ধন দৈনিক ঘোষণার ২০২৬ বর্ষেসেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শ্রেষ্ঠ ও সংগঠক সাদিক হোসেন এপলু। যেসব অভ্যাস মেনে চললে কিডনি নিয়ে কখনোই ভাবতে হবে না হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ হবিগঞ্জ মাধবপুরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খামারিরা হবিগঞ্জ চৌধুরী বাজারে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ অভিযান সিলেট ওসমানী হাসপাতালের পাঁচ তলা থেকে পড়ে রোগীর আত্মহত্যা ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মহাসচিব মনোনয়ন গ্রহণ থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে থাই প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে এসএসসিতে শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ফেল ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ

২১শে ফেব্রুয়ারি শুধু শোকের নয় শক্তিরও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২২৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।শুরু হলো ভাষা আন্দোলনের মাস রক্তে রাঙা ফেব্রুয়ারি। এই মাসজুড়ে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে বাংলা ভাষার প্রতি থাকে অন্যরকম এক ভালোবাসার আবেশ। আর থাকে মাতৃভাষার জন্য জীবনদানকারী শহিদদের জন্য শোক।এ মাসে আরও একবার দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়বে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিময় দিনের কথাগুলো। বাঙালি জাতি মাসজুড়েই নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করবে ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়া শহিদদের।পাকিস্তানিরা প্রথম আক্রমণ করে আমাদের ভাষার ওপর। ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাই ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ।

এটি জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকের রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পায় মাতৃভাষার মর্যাদা। এরই পথ ধরে শুরু হয় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন। যার ফলাফল ১৯৭১ সালে ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।তবে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি এখন শুধু শোকের নয় বরং শক্তিরও। কারণ আমরাই সেই বাঙালি জাতি যারা ভাষার জন্য এ মাসে জীবন দিয়েছিল। ২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও স্বীকৃত।

ভাষার জন্য বাংলার দামাল সন্তানদের আÍত্যাগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর। এদিন ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে এখন বিশ্বের দেশে দেশে পালিত হয়।ফেব্রুয়ারি মাসের সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞ মাসব্যাপী বইমেলা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। চলছে কবিতা উৎসব। ‘মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা’ ধ্বনি আরও একবার বাজছে প্রতিটি বাঙালির মণিকোঠায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২১শে ফেব্রুয়ারি শুধু শোকের নয় শক্তিরও

আপডেট সময় : ০৩:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।শুরু হলো ভাষা আন্দোলনের মাস রক্তে রাঙা ফেব্রুয়ারি। এই মাসজুড়ে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে বাংলা ভাষার প্রতি থাকে অন্যরকম এক ভালোবাসার আবেশ। আর থাকে মাতৃভাষার জন্য জীবনদানকারী শহিদদের জন্য শোক।এ মাসে আরও একবার দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়বে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিময় দিনের কথাগুলো। বাঙালি জাতি মাসজুড়েই নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করবে ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়া শহিদদের।পাকিস্তানিরা প্রথম আক্রমণ করে আমাদের ভাষার ওপর। ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাই ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ।

এটি জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকের রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পায় মাতৃভাষার মর্যাদা। এরই পথ ধরে শুরু হয় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন। যার ফলাফল ১৯৭১ সালে ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।তবে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি এখন শুধু শোকের নয় বরং শক্তিরও। কারণ আমরাই সেই বাঙালি জাতি যারা ভাষার জন্য এ মাসে জীবন দিয়েছিল। ২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও স্বীকৃত।

ভাষার জন্য বাংলার দামাল সন্তানদের আÍত্যাগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর। এদিন ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে এখন বিশ্বের দেশে দেশে পালিত হয়।ফেব্রুয়ারি মাসের সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞ মাসব্যাপী বইমেলা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। চলছে কবিতা উৎসব। ‘মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা’ ধ্বনি আরও একবার বাজছে প্রতিটি বাঙালির মণিকোঠায়।