ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান বড় বিপদের আগাম সংকেত ‘মিনি-স্ট্রোক’ বুঝবেন যেসব লক্ষণে ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষ আসেন কেবল ‘সন্তান জন্ম’ দিতে: ট্রাম্প বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির সিলেট আসছেন শুক্রবার প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়াল বিসিএস ক্যাডারে পিছিয়ে সিলেট সিলেট ১৫২ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সিলেট জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী আলমপুর থেকে ইয়াবাসহ সীমা ও কামাল গ্রেফতার লোডশেডিং নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ,বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ নয়, টাকা লাগলে সরকার দেবে

মারাত্মক চাপে ইসরাইল,ছাড় দেবে না হামাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে গাজায় আটক বন্দিদের মুক্তির জন্য দেশে ও বিদেশে মারাত্মক চাপে পড়েছে ইসরাইল। আর হামাস বলছে, তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং সরবরাহ বাড়ানো না হলে যুদ্ধ অব্যাহত রাখবে। ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

দিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি আরও একদিন পিছিয়ে বৃহস্পতিবার নির্ধারণ করা হয়েছে।ইসরাইল ৪০ বন্দির মুক্তির বিনিময়ে এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু হামাস তাতে রাজি হয়নি বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে।

ইসরাইলি প্রস্তাব নিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া বর্তমানে মিশরে রয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন, আর দরকার আরও মানবিক সহায়তা।

এই প্রথমবারের মতো গাজার আরেকটি সংগঠন ইসলামিক জিহাদকেও আলোচনায় ডাকা হয়েছে। তারাও জানিয়ে দিয়েছে, গাজায় আটক প্রায় ১০০ জনের বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে আটক সব ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দাবি করেছে। তারাও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি তুলেছে।

আলোচনার সঙ্গে জড়িত এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বলেন, হামাস মানবিক বিরতি চাচ্ছে না। তারা গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের পূর্ণ অবসান চায়।হামাস মনে করে, বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হলে ইসরাইল আরও নৃশংসভাবে হামলা চালাতে থাকবে। কাজেই বন্দিদের বিনিময়েই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দরকার।

এদিকে যুদ্ধবিরতির জন্য বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের ওপর দেশে ও বিদেশে চাপ ব্যাপকভাবে বেড়েছে।এমনকি আমেরিকাও এখন ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বেসামরিক মৃত্যু এবং ক্ষতির জন্য তারা তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে বন্দি পরিবার ও স্বজনরা তাদের প্রিয়জনদের ফিরিয়ে আনার জন্য ইসরাইল সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তর গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হাতে তিন বন্দি নিহত হওয়ার পর সরকারের ওপর চাপ প্রবল হয়েছে। তারা বলছে, বন্দিদের ফিরিয়ে আনার জন্য সম্ভব সবকিছু করতে হবে।

ইসরাইল এখন ৪০ বন্দির বিনিময়ের ওপর জোর দিয়েছে। তারা মূলত নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি।মিশর ছাড়াও ইউরোপেও যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু সমঝোতায় পৌঁছা বেশ কঠিন বলে মনে হচ্ছে। বিশেষ করে গাজায় যুদ্ধ করতে এবং কারাগারে আটক সব বন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি হচ্ছে না ইসরাইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মারাত্মক চাপে ইসরাইল,ছাড় দেবে না হামাস

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে গাজায় আটক বন্দিদের মুক্তির জন্য দেশে ও বিদেশে মারাত্মক চাপে পড়েছে ইসরাইল। আর হামাস বলছে, তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং সরবরাহ বাড়ানো না হলে যুদ্ধ অব্যাহত রাখবে। ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

দিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি আরও একদিন পিছিয়ে বৃহস্পতিবার নির্ধারণ করা হয়েছে।ইসরাইল ৪০ বন্দির মুক্তির বিনিময়ে এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু হামাস তাতে রাজি হয়নি বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে।

ইসরাইলি প্রস্তাব নিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া বর্তমানে মিশরে রয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন, আর দরকার আরও মানবিক সহায়তা।

এই প্রথমবারের মতো গাজার আরেকটি সংগঠন ইসলামিক জিহাদকেও আলোচনায় ডাকা হয়েছে। তারাও জানিয়ে দিয়েছে, গাজায় আটক প্রায় ১০০ জনের বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে আটক সব ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দাবি করেছে। তারাও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি তুলেছে।

আলোচনার সঙ্গে জড়িত এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বলেন, হামাস মানবিক বিরতি চাচ্ছে না। তারা গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের পূর্ণ অবসান চায়।হামাস মনে করে, বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হলে ইসরাইল আরও নৃশংসভাবে হামলা চালাতে থাকবে। কাজেই বন্দিদের বিনিময়েই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দরকার।

এদিকে যুদ্ধবিরতির জন্য বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের ওপর দেশে ও বিদেশে চাপ ব্যাপকভাবে বেড়েছে।এমনকি আমেরিকাও এখন ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বেসামরিক মৃত্যু এবং ক্ষতির জন্য তারা তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে বন্দি পরিবার ও স্বজনরা তাদের প্রিয়জনদের ফিরিয়ে আনার জন্য ইসরাইল সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তর গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হাতে তিন বন্দি নিহত হওয়ার পর সরকারের ওপর চাপ প্রবল হয়েছে। তারা বলছে, বন্দিদের ফিরিয়ে আনার জন্য সম্ভব সবকিছু করতে হবে।

ইসরাইল এখন ৪০ বন্দির বিনিময়ের ওপর জোর দিয়েছে। তারা মূলত নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি।মিশর ছাড়াও ইউরোপেও যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু সমঝোতায় পৌঁছা বেশ কঠিন বলে মনে হচ্ছে। বিশেষ করে গাজায় যুদ্ধ করতে এবং কারাগারে আটক সব বন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি হচ্ছে না ইসরাইল।