সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি- জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না হবিগঞ্জে ৪ থানার ওসি বদলী নবীগঞ্জে র‌্যাবের অভিযান ৪৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ চুনারুঘাটে বিজিবি’র অভিযান ভারতীয় গাঁজা ও বিয়ার উদ্ধার সিলেটে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির নতুন কমিটির পরিচিতি সভা সিলেটে-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলের ডাবল লাইনের কাজ সমীক্ষা পর্যায়ে- প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ মণিপুরীদের আর্থ-সামজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটের ছড়ারপার থেকে ট্রাকসহ ৪৩ বস্তা ফুসকা উদ্ধার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে উপপ্রধান তথ্য অফিসারের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে ৩১৪ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

সিলেটে আধুনিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন-শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক:

সিলেট থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।হযরত শাহজালাল ও শাহপরাণ (রাহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাজার জিয়ারত শেষে বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।সিলেটের নির্বাচনি জনসভায়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত জনতাকে ‘আধুনিক সিলেট গড়তে’ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।এর আগে গত ১৫ বছর তাঁর শাসনামলে সিলেটজুড়ে করা বিভিন্ন উন্নয়মূলক কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ২০ মিনিট থেকে ৩৫ মিনিটের বক্তেব্যে শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের করা উন্নয়ন ও আগামীতে নির্বাচনে জয়ী হলে সিলেটে কী কী প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন সেসব তুলে ধরেন।সিলেটবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, সিলেটে কিনব্রিজের পাশে নতুন ব্রিজ করা হবে, সিলেট নগরকে সিসি ক্যামেরার অন্তর্ভুক্ত করা হবে, ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো হবে, সিলেট বিমানবন্দর থেকে চৌকিদিঘি এলাকার সড়কের চার লেইন তৈরি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং গ্রামকে শহরে পরিণত করাও হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সিলেট আন্তজার্তিক বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা যায় কিনা সেটা সমীক্ষা করার পরিকল্পনা নিয়েছি, উন্নত মানের হউজিংস্টেট করা, লাক্কাতুরায় আধুনিক সিলেট উচ্চ বিদ্যালয়, মদনমোহন কলেজ সরকারিকরণ, এমসি কলেজে ৫ তলাবিশিষ্ট একাডেমিক কাম পরীক্ষভবন,একশো সিট বিশিষ্ট ছাত্রী নিবাস, একশো সিট বিশিষ্ট ছাত্রবাস, দশতলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ৩৪১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন, চড় চতুল বড় চতুল উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, ইউএন এন ইউ উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, জকিগঞ্জ সরকারি কলেজ ভবন, জেলা সমাজসেবা কম্প্লক্স ভবন, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম ও সিলেটে একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনাও আমাদের আছে। সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য ২৫ তলা বিশিষ্ট আধুনিক কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এছাড়া প্রত্যেক উপজেলায় আমরা কারিগরি স্কুল করে দিচ্ছি।

প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী সিলেটে গত ১৫ বছরের উন্নয়নের চিত্রও জনগণের সামনে তুলে ধরেন। বলেন- সিলেটে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস, আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণ, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, সিলেট বাধাঘাট বিমান বন্দর সড়ক চার লেইনে উন্নীতকরণ, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উন্নীতকরণ, সিলেট রেলস্টেশন নির্মাণ, সিলেট সুনামগঞ্জ সড়ক ও সিলেট-তামাবিল সড় চার লেইনে উন্নীত করণ, জাফ্লং-সাদাপথর পর্যন্ত ৩২কিলোমিটার সড়ক উন্নীত করণ, ২৮১ টিমহাসড়ক, ৫৩টি সেতু নির্মাণ, নির্মাধীন ৬ সেতু, ২ হাজার ৩১ কিলোমিটার সড়ক ও দুই হাজার দুইশো ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ, মাছের হ্যাচারি, হাইটেক পার্ক, শেখ রাসেল ডিজিটাল ও ইনকিউবেশন সেন্টার, ওসমানী আন্তজাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারেণের কাজ চলছে।

সিলেট-ঢাকা-চট্রগ্রামের রেললাইন সড়ক দুই লেনে উন্নত সংযোজনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের  ৮০ একর জায়গায় স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করাহচ্ছে, ১০০ বেডের বার্ণ ইউনিট তৈরি করা হচ্ছে, নগরীর কদমতলীতে আধুনিক কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল । এছাড়া সিলেটকে যানজটমুক্ত করার জন্য রিংরোডের কাজ চলমান, ঢাকা-সিলেট ৬ লেনে উন্নীত করে দিচ্ছ রাস্তার কাজও শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া সুরমা, মুনসহ অন্যান্য যে নদীগুলো যাতে নাব্যতা পায় সেইজন্য ড্রেজিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- ‘আমাদের কাজেই জনগণের সেবা করা। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশে করব কথা দিয়েছিলাম; বাস্তবায়ন করেছি। করে দিয়েছি। এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।’এসময় স্মর্ট বাংলাদেশের রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন- স্মর্ট বাংলাদেশ হচ্ছে, টেকসই অর্থনীতি অর্থাৎ পরিবেশ বান্ধব স্থায়ী টেকসই উন্নয়ন; মেরিট বেইজড শিক্ষাব্যবস্থা, মেধাদক্ষতা ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি অর্থাৎ স্মার্ট জনগণ আমরা গড়ে তুলবো, এডভান্স সোসাইটি, উন্নত উদার অগ্রসমান, আমরা অসম্প্রদায়িক চেতনার দেশ গড়ে তুলবো সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর রাইট ওয়াচ বাংলাদেশ, সেটা হচ্ছে সমান উন্নতি, সকলের জন্য সমান উন্নতি করার ব্যবস্থা করবো। ট্রান্সপয়েন্ট বাংলাদেশ সেটা হচ্ছে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা উন্নত সমৃদ্ধ জবাবদিহিমুলক সামাজিক মূল্যবোধ, অর্থাৎ স্মর্ট সোসাইটি এটাই আমরা গড়ে তুলবো।

‘স্মর্ট সরকার,স্মর্ট জনগণ,স্মার্ট অর্থনীতি,স্মর্ট সোসাইটি;সেটা করেই,আধুনিক প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে আধুনিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন-শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৫:১৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ ডেস্ক:

সিলেট থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।হযরত শাহজালাল ও শাহপরাণ (রাহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাজার জিয়ারত শেষে বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।সিলেটের নির্বাচনি জনসভায়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত জনতাকে ‘আধুনিক সিলেট গড়তে’ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।এর আগে গত ১৫ বছর তাঁর শাসনামলে সিলেটজুড়ে করা বিভিন্ন উন্নয়মূলক কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ২০ মিনিট থেকে ৩৫ মিনিটের বক্তেব্যে শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের করা উন্নয়ন ও আগামীতে নির্বাচনে জয়ী হলে সিলেটে কী কী প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন সেসব তুলে ধরেন।সিলেটবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, সিলেটে কিনব্রিজের পাশে নতুন ব্রিজ করা হবে, সিলেট নগরকে সিসি ক্যামেরার অন্তর্ভুক্ত করা হবে, ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো হবে, সিলেট বিমানবন্দর থেকে চৌকিদিঘি এলাকার সড়কের চার লেইন তৈরি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং গ্রামকে শহরে পরিণত করাও হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সিলেট আন্তজার্তিক বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা যায় কিনা সেটা সমীক্ষা করার পরিকল্পনা নিয়েছি, উন্নত মানের হউজিংস্টেট করা, লাক্কাতুরায় আধুনিক সিলেট উচ্চ বিদ্যালয়, মদনমোহন কলেজ সরকারিকরণ, এমসি কলেজে ৫ তলাবিশিষ্ট একাডেমিক কাম পরীক্ষভবন,একশো সিট বিশিষ্ট ছাত্রী নিবাস, একশো সিট বিশিষ্ট ছাত্রবাস, দশতলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ৩৪১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন, চড় চতুল বড় চতুল উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, ইউএন এন ইউ উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, জকিগঞ্জ সরকারি কলেজ ভবন, জেলা সমাজসেবা কম্প্লক্স ভবন, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম ও সিলেটে একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনাও আমাদের আছে। সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য ২৫ তলা বিশিষ্ট আধুনিক কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এছাড়া প্রত্যেক উপজেলায় আমরা কারিগরি স্কুল করে দিচ্ছি।

প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী সিলেটে গত ১৫ বছরের উন্নয়নের চিত্রও জনগণের সামনে তুলে ধরেন। বলেন- সিলেটে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস, আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণ, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, সিলেট বাধাঘাট বিমান বন্দর সড়ক চার লেইনে উন্নীতকরণ, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উন্নীতকরণ, সিলেট রেলস্টেশন নির্মাণ, সিলেট সুনামগঞ্জ সড়ক ও সিলেট-তামাবিল সড় চার লেইনে উন্নীত করণ, জাফ্লং-সাদাপথর পর্যন্ত ৩২কিলোমিটার সড়ক উন্নীত করণ, ২৮১ টিমহাসড়ক, ৫৩টি সেতু নির্মাণ, নির্মাধীন ৬ সেতু, ২ হাজার ৩১ কিলোমিটার সড়ক ও দুই হাজার দুইশো ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ, মাছের হ্যাচারি, হাইটেক পার্ক, শেখ রাসেল ডিজিটাল ও ইনকিউবেশন সেন্টার, ওসমানী আন্তজাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারেণের কাজ চলছে।

সিলেট-ঢাকা-চট্রগ্রামের রেললাইন সড়ক দুই লেনে উন্নত সংযোজনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের  ৮০ একর জায়গায় স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করাহচ্ছে, ১০০ বেডের বার্ণ ইউনিট তৈরি করা হচ্ছে, নগরীর কদমতলীতে আধুনিক কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল । এছাড়া সিলেটকে যানজটমুক্ত করার জন্য রিংরোডের কাজ চলমান, ঢাকা-সিলেট ৬ লেনে উন্নীত করে দিচ্ছ রাস্তার কাজও শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া সুরমা, মুনসহ অন্যান্য যে নদীগুলো যাতে নাব্যতা পায় সেইজন্য ড্রেজিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- ‘আমাদের কাজেই জনগণের সেবা করা। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশে করব কথা দিয়েছিলাম; বাস্তবায়ন করেছি। করে দিয়েছি। এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।’এসময় স্মর্ট বাংলাদেশের রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন- স্মর্ট বাংলাদেশ হচ্ছে, টেকসই অর্থনীতি অর্থাৎ পরিবেশ বান্ধব স্থায়ী টেকসই উন্নয়ন; মেরিট বেইজড শিক্ষাব্যবস্থা, মেধাদক্ষতা ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি অর্থাৎ স্মার্ট জনগণ আমরা গড়ে তুলবো, এডভান্স সোসাইটি, উন্নত উদার অগ্রসমান, আমরা অসম্প্রদায়িক চেতনার দেশ গড়ে তুলবো সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর রাইট ওয়াচ বাংলাদেশ, সেটা হচ্ছে সমান উন্নতি, সকলের জন্য সমান উন্নতি করার ব্যবস্থা করবো। ট্রান্সপয়েন্ট বাংলাদেশ সেটা হচ্ছে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা উন্নত সমৃদ্ধ জবাবদিহিমুলক সামাজিক মূল্যবোধ, অর্থাৎ স্মর্ট সোসাইটি এটাই আমরা গড়ে তুলবো।

‘স্মর্ট সরকার,স্মর্ট জনগণ,স্মার্ট অর্থনীতি,স্মর্ট সোসাইটি;সেটা করেই,আধুনিক প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।