সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ জুন ২০২৯-এর মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সিলেট কারাগার পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব – মনজুর মোর্শেদ স্ব স্ব ধর্ম পালনে কোনো বাধা নেই,, এটাই বাংলাদেশ- কয়েস লোদী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে সিলেটে মাজারের ডেগে চিঠি সিলেট সীমান্তে ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তি করায় যুবক আটক সিলেট হযরত শাহজালাল (রা:)র,, দানবাক্স চতুর্থবারের মতো গণনা, দানবাক্সে৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা সিলেট রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে শাহপরান (রহ.)মাজারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক সিলেট জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রস্তুতি, মঙ্গলবার সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি

সেরা করদাতা সম্মাননা নিতে হুইলচেয়ারে এলেন কাউছ মিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

দেশের সেরা করদাতা কাউছ মিয়া এবার হুইলচেয়ারে করে কর কার্ড নিতে এলেন।দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি পর্যায়ে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উপস্থিত হন। সহকারীদের সহায়তায় তিনি যখন হুইলচেয়ারে করে মঞ্চে ওঠেন,তখন মিলনায়তনে উপস্থিত অতিথিরা বিপুল করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান।এ সময় এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো.রহমাতুল মুনিম এগিয়ে এসে কাউছ মিয়াকে বরণ করে নেন। এরপর কাউছ মিয়ার হাতে সম্মাননা সনদ ও কর কার্ড তুলে দেন এনবিআরের চেয়ারম্যান।

৯০ বছরের কাছাকাছি বয়সী এই প্রবীণ করদাতা টানা ১৫ বছর সেরা করদাতা নির্বাচিত হলেন।দেশের অনেক বড় ব্যবসায়ীকে পেছনে ফেলে বারবার সেরা করদাতা হচ্ছেন পুরান ঢাকার জর্দা ব্যবসায়ী মো.কাউছ মিয়া।তিনি হাকিমপুরী জর্দা প্রস্তুতকারী কোম্পানির স্বত্বাধিকারী।২০২২-২৩ করবর্ষে ‘ব্যবসায়ী’ শ্রেণিতে এই ব্যবসায়ী সেরা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন।মো.কাউছ মিয়া গত বছর সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্ক নাগরিক’শ্রেণিতে সেরা করদাতা হয়েছিলেন।আগের বছর, অর্থাৎ ২০২০-২১ করবর্ষে মুজিব বর্ষের সেরা করদাতাও হয়েছিলেন তিনি। ওই বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাঁকে এই সম্মাননা দিয়েছিল।

এনবিআর গত ২০২২-২৩ করবর্ষে জাতীয় পর্যায়ে সেরা করদাতা হিসেবে আজ বুধবার ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড বা কর কার্ড দিয়েছে।এর মধ্যে রয়েছে ৭৬ ব্যক্তি,৫৪ প্রতিষ্ঠান ও ১১টি অন্যান্য শ্রেণিতে।কাউছ মিয়া ১৯৫৮ সালে কর দেওয়া শুরু করেন।২০১৯ সালে এনবিআরের কর কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন,আগে টাকাপয়সা এখানে-সেখানে রাখতাম।এতে নানা ঝামেলা ও ঝুঁকি থাকত। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দিয়ে“ফ্রি”হয়ে গেলাম।এরপর থেকে সব টাকাপয়সা ব্যাংকে রাখতে শুরু করলাম। হিসাব-নিকাশ পরিষ্কার করে রাখলাম।’

১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানেও এক নম্বর করদাতা হয়েছিলেন কাউছ মিয়া।গুলশান-বনানী কিংবা মতিঝিলে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত চেম্বার নেই কাউছ মিয়ার।পুরান ঢাকার আগা নওয়াব দেউড়ি রোডে হাকিমপুরী জর্দার কারখানার একটি কক্ষই তাঁর‘চেম্বার’।গুলশান-বনানী-মতিঝিলের ডাকসাইটে ব্যবসায়ীদের পেছনে ফেলে পুরান ঢাকার ঘুপচি গলির এই ব্যবসায়ী প্রতিবছর সর্বোচ্চ করদাতা হন।২০০৮ সাল থেকে তিনি দেশের সর্বোচ্চ করদাতা হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেরা করদাতা সম্মাননা নিতে হুইলচেয়ারে এলেন কাউছ মিয়া

আপডেট সময় : ১২:৪৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

দেশের সেরা করদাতা কাউছ মিয়া এবার হুইলচেয়ারে করে কর কার্ড নিতে এলেন।দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি পর্যায়ে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উপস্থিত হন। সহকারীদের সহায়তায় তিনি যখন হুইলচেয়ারে করে মঞ্চে ওঠেন,তখন মিলনায়তনে উপস্থিত অতিথিরা বিপুল করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান।এ সময় এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো.রহমাতুল মুনিম এগিয়ে এসে কাউছ মিয়াকে বরণ করে নেন। এরপর কাউছ মিয়ার হাতে সম্মাননা সনদ ও কর কার্ড তুলে দেন এনবিআরের চেয়ারম্যান।

৯০ বছরের কাছাকাছি বয়সী এই প্রবীণ করদাতা টানা ১৫ বছর সেরা করদাতা নির্বাচিত হলেন।দেশের অনেক বড় ব্যবসায়ীকে পেছনে ফেলে বারবার সেরা করদাতা হচ্ছেন পুরান ঢাকার জর্দা ব্যবসায়ী মো.কাউছ মিয়া।তিনি হাকিমপুরী জর্দা প্রস্তুতকারী কোম্পানির স্বত্বাধিকারী।২০২২-২৩ করবর্ষে ‘ব্যবসায়ী’ শ্রেণিতে এই ব্যবসায়ী সেরা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন।মো.কাউছ মিয়া গত বছর সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্ক নাগরিক’শ্রেণিতে সেরা করদাতা হয়েছিলেন।আগের বছর, অর্থাৎ ২০২০-২১ করবর্ষে মুজিব বর্ষের সেরা করদাতাও হয়েছিলেন তিনি। ওই বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাঁকে এই সম্মাননা দিয়েছিল।

এনবিআর গত ২০২২-২৩ করবর্ষে জাতীয় পর্যায়ে সেরা করদাতা হিসেবে আজ বুধবার ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড বা কর কার্ড দিয়েছে।এর মধ্যে রয়েছে ৭৬ ব্যক্তি,৫৪ প্রতিষ্ঠান ও ১১টি অন্যান্য শ্রেণিতে।কাউছ মিয়া ১৯৫৮ সালে কর দেওয়া শুরু করেন।২০১৯ সালে এনবিআরের কর কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন,আগে টাকাপয়সা এখানে-সেখানে রাখতাম।এতে নানা ঝামেলা ও ঝুঁকি থাকত। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দিয়ে“ফ্রি”হয়ে গেলাম।এরপর থেকে সব টাকাপয়সা ব্যাংকে রাখতে শুরু করলাম। হিসাব-নিকাশ পরিষ্কার করে রাখলাম।’

১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানেও এক নম্বর করদাতা হয়েছিলেন কাউছ মিয়া।গুলশান-বনানী কিংবা মতিঝিলে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত চেম্বার নেই কাউছ মিয়ার।পুরান ঢাকার আগা নওয়াব দেউড়ি রোডে হাকিমপুরী জর্দার কারখানার একটি কক্ষই তাঁর‘চেম্বার’।গুলশান-বনানী-মতিঝিলের ডাকসাইটে ব্যবসায়ীদের পেছনে ফেলে পুরান ঢাকার ঘুপচি গলির এই ব্যবসায়ী প্রতিবছর সর্বোচ্চ করদাতা হন।২০০৮ সাল থেকে তিনি দেশের সর্বোচ্চ করদাতা হচ্ছেন।