সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বিত্তান্ত তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন,আরিফ সামাদ সভাপতি, মাহমুদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে,পরিকল্পনা সভায় সিসিক প্রশাসক মার্কিন আধিপত্যের অবসান,বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধবপুরে অপহরণকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ সিলেটে ৪২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ১, সিলেট অঞ্চলে আবারও বাড়ছে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটে অসামাজিক কার্যকলাপ,দুটি আবাসিক হোটেল সিলগালা সিলেট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাইপণ্য জব্দ,আটক ১

সেরা করদাতা সম্মাননা নিতে হুইলচেয়ারে এলেন কাউছ মিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ৪৯০ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

দেশের সেরা করদাতা কাউছ মিয়া এবার হুইলচেয়ারে করে কর কার্ড নিতে এলেন।দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি পর্যায়ে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উপস্থিত হন। সহকারীদের সহায়তায় তিনি যখন হুইলচেয়ারে করে মঞ্চে ওঠেন,তখন মিলনায়তনে উপস্থিত অতিথিরা বিপুল করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান।এ সময় এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো.রহমাতুল মুনিম এগিয়ে এসে কাউছ মিয়াকে বরণ করে নেন। এরপর কাউছ মিয়ার হাতে সম্মাননা সনদ ও কর কার্ড তুলে দেন এনবিআরের চেয়ারম্যান।

৯০ বছরের কাছাকাছি বয়সী এই প্রবীণ করদাতা টানা ১৫ বছর সেরা করদাতা নির্বাচিত হলেন।দেশের অনেক বড় ব্যবসায়ীকে পেছনে ফেলে বারবার সেরা করদাতা হচ্ছেন পুরান ঢাকার জর্দা ব্যবসায়ী মো.কাউছ মিয়া।তিনি হাকিমপুরী জর্দা প্রস্তুতকারী কোম্পানির স্বত্বাধিকারী।২০২২-২৩ করবর্ষে ‘ব্যবসায়ী’ শ্রেণিতে এই ব্যবসায়ী সেরা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন।মো.কাউছ মিয়া গত বছর সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্ক নাগরিক’শ্রেণিতে সেরা করদাতা হয়েছিলেন।আগের বছর, অর্থাৎ ২০২০-২১ করবর্ষে মুজিব বর্ষের সেরা করদাতাও হয়েছিলেন তিনি। ওই বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাঁকে এই সম্মাননা দিয়েছিল।

এনবিআর গত ২০২২-২৩ করবর্ষে জাতীয় পর্যায়ে সেরা করদাতা হিসেবে আজ বুধবার ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড বা কর কার্ড দিয়েছে।এর মধ্যে রয়েছে ৭৬ ব্যক্তি,৫৪ প্রতিষ্ঠান ও ১১টি অন্যান্য শ্রেণিতে।কাউছ মিয়া ১৯৫৮ সালে কর দেওয়া শুরু করেন।২০১৯ সালে এনবিআরের কর কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন,আগে টাকাপয়সা এখানে-সেখানে রাখতাম।এতে নানা ঝামেলা ও ঝুঁকি থাকত। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দিয়ে“ফ্রি”হয়ে গেলাম।এরপর থেকে সব টাকাপয়সা ব্যাংকে রাখতে শুরু করলাম। হিসাব-নিকাশ পরিষ্কার করে রাখলাম।’

১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানেও এক নম্বর করদাতা হয়েছিলেন কাউছ মিয়া।গুলশান-বনানী কিংবা মতিঝিলে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত চেম্বার নেই কাউছ মিয়ার।পুরান ঢাকার আগা নওয়াব দেউড়ি রোডে হাকিমপুরী জর্দার কারখানার একটি কক্ষই তাঁর‘চেম্বার’।গুলশান-বনানী-মতিঝিলের ডাকসাইটে ব্যবসায়ীদের পেছনে ফেলে পুরান ঢাকার ঘুপচি গলির এই ব্যবসায়ী প্রতিবছর সর্বোচ্চ করদাতা হন।২০০৮ সাল থেকে তিনি দেশের সর্বোচ্চ করদাতা হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেরা করদাতা সম্মাননা নিতে হুইলচেয়ারে এলেন কাউছ মিয়া

আপডেট সময় : ১২:৪৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ : অনলাইন সংস্করণ

দেশের সেরা করদাতা কাউছ মিয়া এবার হুইলচেয়ারে করে কর কার্ড নিতে এলেন।দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি পর্যায়ে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উপস্থিত হন। সহকারীদের সহায়তায় তিনি যখন হুইলচেয়ারে করে মঞ্চে ওঠেন,তখন মিলনায়তনে উপস্থিত অতিথিরা বিপুল করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান।এ সময় এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো.রহমাতুল মুনিম এগিয়ে এসে কাউছ মিয়াকে বরণ করে নেন। এরপর কাউছ মিয়ার হাতে সম্মাননা সনদ ও কর কার্ড তুলে দেন এনবিআরের চেয়ারম্যান।

৯০ বছরের কাছাকাছি বয়সী এই প্রবীণ করদাতা টানা ১৫ বছর সেরা করদাতা নির্বাচিত হলেন।দেশের অনেক বড় ব্যবসায়ীকে পেছনে ফেলে বারবার সেরা করদাতা হচ্ছেন পুরান ঢাকার জর্দা ব্যবসায়ী মো.কাউছ মিয়া।তিনি হাকিমপুরী জর্দা প্রস্তুতকারী কোম্পানির স্বত্বাধিকারী।২০২২-২৩ করবর্ষে ‘ব্যবসায়ী’ শ্রেণিতে এই ব্যবসায়ী সেরা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন।মো.কাউছ মিয়া গত বছর সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্ক নাগরিক’শ্রেণিতে সেরা করদাতা হয়েছিলেন।আগের বছর, অর্থাৎ ২০২০-২১ করবর্ষে মুজিব বর্ষের সেরা করদাতাও হয়েছিলেন তিনি। ওই বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাঁকে এই সম্মাননা দিয়েছিল।

এনবিআর গত ২০২২-২৩ করবর্ষে জাতীয় পর্যায়ে সেরা করদাতা হিসেবে আজ বুধবার ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড বা কর কার্ড দিয়েছে।এর মধ্যে রয়েছে ৭৬ ব্যক্তি,৫৪ প্রতিষ্ঠান ও ১১টি অন্যান্য শ্রেণিতে।কাউছ মিয়া ১৯৫৮ সালে কর দেওয়া শুরু করেন।২০১৯ সালে এনবিআরের কর কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন,আগে টাকাপয়সা এখানে-সেখানে রাখতাম।এতে নানা ঝামেলা ও ঝুঁকি থাকত। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দিয়ে“ফ্রি”হয়ে গেলাম।এরপর থেকে সব টাকাপয়সা ব্যাংকে রাখতে শুরু করলাম। হিসাব-নিকাশ পরিষ্কার করে রাখলাম।’

১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানেও এক নম্বর করদাতা হয়েছিলেন কাউছ মিয়া।গুলশান-বনানী কিংবা মতিঝিলে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত চেম্বার নেই কাউছ মিয়ার।পুরান ঢাকার আগা নওয়াব দেউড়ি রোডে হাকিমপুরী জর্দার কারখানার একটি কক্ষই তাঁর‘চেম্বার’।গুলশান-বনানী-মতিঝিলের ডাকসাইটে ব্যবসায়ীদের পেছনে ফেলে পুরান ঢাকার ঘুপচি গলির এই ব্যবসায়ী প্রতিবছর সর্বোচ্চ করদাতা হন।২০০৮ সাল থেকে তিনি দেশের সর্বোচ্চ করদাতা হচ্ছেন।