সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান শায়েস্তাগঞ্জ গরুসহ পিকআপ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে- সিসিক প্রশাসক সিলেট পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫৩ জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ

ভোট চুরির অপরাধে খালেদা জিয়াকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল: শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

 ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন: অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন,এ দেশের মানুষ ভোটচোরকে ক্ষমতায় থাকতে দেয় না, তাই খালেদা জিয়াকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল।জনগণের ভোটের অধিকার আওয়ামী লীগই নিশ্চিত করেছে। আওয়ামী লীগই নির্বাচনি ব্যবস্থার উন্নতি করেছে।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর কাওলায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,আওয়ামী লীগের আন্দোলন-সংগ্রাম জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায়। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আপনারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে আন্দোলন চালিয়েছেন।১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ভোট চুরি করে নিজেকে আবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিল। এ দেশের মানুষ কখনো ভোটচোরকে ক্ষমতায় থাকতে দেয় না।সেই অপরাধে তাকে দেড় মাসের মধ্যে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করেছি। সেই আন্দোলন আপনারা চালিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এ দেশের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি। নির্বাচনি ব্যবস্থার উন্নতি করেছি। বিএনপি ২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার লিস্ট তৈরি করেছিল। সেই ভুয়া ভোটার সরিয়ে দিয়ে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করেছি।আমরা আইন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি।খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করেন না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিকতা নিয়ে চলতে চেয়েছিল।জাতির পিতার হত্যাকারীকে ভোট চুরি করে পার্লামেন্টে বসিয়েছিল। আর আল বদর, রাজাকার,যুদ্ধাপরাধী, যারা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মা-বোনকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়েছে,তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল।জিয়াও বসিয়েছিল, খালেদা জিয়াও। কাজেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এদের কোনো অবদান নেই।তারা সেটা করতেও চায় না। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়।দেশের মানুষের উন্নতি সহ্য করতে পারে না বিএনপি। 

আওয়ামী লীগ অনেক সংগ্রামের পথ বেয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে জানিয়ে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে একটা দেশের যে উন্নতি হয়,যারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে তারা ক্ষমতা থাকলে যে দেশের জন্য উন্নতি হয়,আজ আমরা সেটা প্রমাণ করেছি।দেশবাসীর উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের পর ২১ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল এবং ২০০১ থেকে ২০০৮ খালেদা জিয়া থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার- এই ২৯ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা দেশের জন্য কী করেছে? মানুষের জন্য কী করেছে?মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কী করেছে? সেটা একবার চিন্তা করে দেখবেন। অনেকে বড় বড় কথা বলেছে, দেশের মানুষের জন্য তারা কী করেছে?বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,তারা নাকি আমাদের উৎখাত করে দেবে।সময় দিয়েছিল ১০ ডিসেম্বর।বিজয়ের মাসে আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করবে?যে সরকার জনগণের রায় নিয়ে বারবার নির্বাচিত হয়েছে। দেশের মানুষ এটা মেনে নিতে পারে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভোট চুরির অপরাধে খালেদা জিয়াকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

 ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন: অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন,এ দেশের মানুষ ভোটচোরকে ক্ষমতায় থাকতে দেয় না, তাই খালেদা জিয়াকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল।জনগণের ভোটের অধিকার আওয়ামী লীগই নিশ্চিত করেছে। আওয়ামী লীগই নির্বাচনি ব্যবস্থার উন্নতি করেছে।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর কাওলায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,আওয়ামী লীগের আন্দোলন-সংগ্রাম জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায়। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আপনারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে আন্দোলন চালিয়েছেন।১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ভোট চুরি করে নিজেকে আবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিল। এ দেশের মানুষ কখনো ভোটচোরকে ক্ষমতায় থাকতে দেয় না।সেই অপরাধে তাকে দেড় মাসের মধ্যে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করেছি। সেই আন্দোলন আপনারা চালিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এ দেশের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি। নির্বাচনি ব্যবস্থার উন্নতি করেছি। বিএনপি ২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার লিস্ট তৈরি করেছিল। সেই ভুয়া ভোটার সরিয়ে দিয়ে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করেছি।আমরা আইন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি।খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করেন না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিকতা নিয়ে চলতে চেয়েছিল।জাতির পিতার হত্যাকারীকে ভোট চুরি করে পার্লামেন্টে বসিয়েছিল। আর আল বদর, রাজাকার,যুদ্ধাপরাধী, যারা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মা-বোনকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়েছে,তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল।জিয়াও বসিয়েছিল, খালেদা জিয়াও। কাজেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এদের কোনো অবদান নেই।তারা সেটা করতেও চায় না। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়।দেশের মানুষের উন্নতি সহ্য করতে পারে না বিএনপি। 

আওয়ামী লীগ অনেক সংগ্রামের পথ বেয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে জানিয়ে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে একটা দেশের যে উন্নতি হয়,যারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে তারা ক্ষমতা থাকলে যে দেশের জন্য উন্নতি হয়,আজ আমরা সেটা প্রমাণ করেছি।দেশবাসীর উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের পর ২১ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল এবং ২০০১ থেকে ২০০৮ খালেদা জিয়া থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার- এই ২৯ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা দেশের জন্য কী করেছে? মানুষের জন্য কী করেছে?মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কী করেছে? সেটা একবার চিন্তা করে দেখবেন। অনেকে বড় বড় কথা বলেছে, দেশের মানুষের জন্য তারা কী করেছে?বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,তারা নাকি আমাদের উৎখাত করে দেবে।সময় দিয়েছিল ১০ ডিসেম্বর।বিজয়ের মাসে আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করবে?যে সরকার জনগণের রায় নিয়ে বারবার নির্বাচিত হয়েছে। দেশের মানুষ এটা মেনে নিতে পারে না।