সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের আলোচনা সভায় রিজভী সিলেটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬৯৩ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার ১ সিলেটে অভিযান পরিচালনা করে দুই রেস্টুরেন্টকে জরিমানা সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নতুন পরিচালক সিলেটে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ১১২ সিলেটে বেড়েছে মৃত্যু, ৫ দিনে ১১ সিলেটের আধুনিক স্টেডিয়াম পরিদর্শনে সিউক চেয়ারম্যান সিলেটে জকিগঞ্জে মা-মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অভিযোগ ছাড়াই লাশ হস্তান্তর এসএমপি নির্মাণাধীন অফিসার মেস ও নির্মাণাধীন সদর দপ্তর, হিসাব শাখা এবং ড্রোন কার্যক্রম পরিদর্শন শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী-২০২৬ উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্টিত

ভারতের হিমাচলে ভারী বর্ষণে ৭৪ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩ ১৮১ বার পড়া হয়েছে

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন:অনলাইন সংস্করণ

ভারতের হিমাচল প্রদেশে ভারী বর্ষণ থেকে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৭৪ জনের প্রাণ গেছে। শিমলায় ৩টি বড় আকারের ভূমিধসে ২১ জন মারা গেছেন।বর্ষা মৌসুম শুরুর পর থেকে শিমলায় গত ৫৫ দিনে ১১৩টি ভূমিধস হয়েছে। যার ফলে দেশটির গণপূর্ত বিভাগ ২ হাজার ৪৯১ কোটি রুপি ও জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ ১ হাজার কোটি রুপি ক্ষতির শিকার হয়েছে।খবর এনডিটিভির। 

শিমলার সামার হিল এলাকায় বন্যার পানিতে রেলপথের একটি অংশ ভেসে গেছে। যার ফলে রেল যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়েছে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু জানান, সাম্প্রতিক ভূমিধসে অবকাঠামোর যে ক্ষতি হয়েছে, তার সংস্কার করা ‘একটি পর্বতসম চ্যালেঞ্জ’। তিনি আরও জানান, চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাজ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার রুপি ছাড়িয়েছে। 

বিশেষজ্ঞরা জানান, হিমাচলে বারবার ভূমিধস হওয়ার পেছনে যথেচ্ছা অবকাঠামো নির্মাণ, অবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া অবলম্বন, জঙ্গল সাফ করা ও পানির প্রবাহ বন্ধ করে ঝর্ণার কাছাকাছি নির্মাণ কাজ পরিচালনাকে দায়ী করা যায়।ভারতের আবহাওয়া বিভাগ আগামী কয়েকদিনে হিমাচলের কাছাকাছি জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাষ দিয়েছে। রোববার থেকে টানা ৩ দিন রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার পর মঙ্গলবার বৃষ্টি কিছুটা কমেছে।

বৃহস্পতিবার কয়েকটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২৪ জুন বর্ষা মৌসুম শুরুর পর থেকে হিমাচলে বৃষ্টিপাত সংক্রান্ত কারণে মোট ২১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।চলমান দুর্যোগে হিমাচলের আয়ের প্রধান উৎস, পর্যটন ও আপেলের চাষ, উভয়ই বড় আকারে ক্ষতির শিকার হয়েছে। ট্যাক্সি চালকরা আগে দিনে ২ হাজার রুপি উপার্জন করলেও এখন ২০০ রুপির বেশি উপার্জন করতে পারছেন না। হোটেল ও গেস্টহাউজে বছর জুড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কক্ষে অতিথির উপস্থিতি থাকলেও এখন তা ৫ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতের হিমাচলে ভারী বর্ষণে ৭৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:০০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩

ভিউ নিউজ ৭১ প্রতিবেদন:অনলাইন সংস্করণ

ভারতের হিমাচল প্রদেশে ভারী বর্ষণ থেকে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৭৪ জনের প্রাণ গেছে। শিমলায় ৩টি বড় আকারের ভূমিধসে ২১ জন মারা গেছেন।বর্ষা মৌসুম শুরুর পর থেকে শিমলায় গত ৫৫ দিনে ১১৩টি ভূমিধস হয়েছে। যার ফলে দেশটির গণপূর্ত বিভাগ ২ হাজার ৪৯১ কোটি রুপি ও জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ ১ হাজার কোটি রুপি ক্ষতির শিকার হয়েছে।খবর এনডিটিভির। 

শিমলার সামার হিল এলাকায় বন্যার পানিতে রেলপথের একটি অংশ ভেসে গেছে। যার ফলে রেল যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়েছে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু জানান, সাম্প্রতিক ভূমিধসে অবকাঠামোর যে ক্ষতি হয়েছে, তার সংস্কার করা ‘একটি পর্বতসম চ্যালেঞ্জ’। তিনি আরও জানান, চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাজ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার রুপি ছাড়িয়েছে। 

বিশেষজ্ঞরা জানান, হিমাচলে বারবার ভূমিধস হওয়ার পেছনে যথেচ্ছা অবকাঠামো নির্মাণ, অবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া অবলম্বন, জঙ্গল সাফ করা ও পানির প্রবাহ বন্ধ করে ঝর্ণার কাছাকাছি নির্মাণ কাজ পরিচালনাকে দায়ী করা যায়।ভারতের আবহাওয়া বিভাগ আগামী কয়েকদিনে হিমাচলের কাছাকাছি জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাষ দিয়েছে। রোববার থেকে টানা ৩ দিন রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার পর মঙ্গলবার বৃষ্টি কিছুটা কমেছে।

বৃহস্পতিবার কয়েকটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২৪ জুন বর্ষা মৌসুম শুরুর পর থেকে হিমাচলে বৃষ্টিপাত সংক্রান্ত কারণে মোট ২১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।চলমান দুর্যোগে হিমাচলের আয়ের প্রধান উৎস, পর্যটন ও আপেলের চাষ, উভয়ই বড় আকারে ক্ষতির শিকার হয়েছে। ট্যাক্সি চালকরা আগে দিনে ২ হাজার রুপি উপার্জন করলেও এখন ২০০ রুপির বেশি উপার্জন করতে পারছেন না। হোটেল ও গেস্টহাউজে বছর জুড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কক্ষে অতিথির উপস্থিতি থাকলেও এখন তা ৫ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।