সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু,নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার- শিক্ষামন্ত্রী লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প সিলেটের সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলের মৃত্যুতে শোকবার্তা সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন কারবালার যুদ্ধে ইমাম হুসাইন (রাঃ) ও মাওলা আবুল ফজল আব্বাস আলামদার (আঃ)-এর শাহাদাত হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স বিতর্ক আর এক রহস্যময় বার্তা দিলেন সাবেক সিটি মেয়র ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

খানসামায় রোবট তৈরি করলেন, স্কুল শিক্ষার্থী অনুকূল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩ ২৪০ বার পড়া হয়েছে

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

রোবট বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন, খানসামা উপজেলার ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের রনজিৎ রায়ের ছেলে অনুকূল রায়। তার তৈরি রোবটটি কথা বলতে না পারলেও সামনে-পিছনে এগিয়ে যাওয়া ও হাতের বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি সবকিছু করতে পারে সমান তালে। সহযোগিতা পেলে এমন আরও দৃষ্টান্তমূলক কাজ করবে জানান অনুকূল রায়।

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় আঙ্গারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনুকূল রায়। অষ্টম শ্রেণী থেকেই কিছু একটা করার আশায় বিভিন্ন ধরনের আবিস্কার করে আসছিলেন অনুকূল রায় । সরকারী সহযোগিতা পেলে ভিন্ন কিছু উপহার দিতে চায় দেশবাসীকে। রোবটটি তৈরি করতে ৯ মাসের চেষ্টায় আসে সাফল্য।

রোবট তৈরিকারী শিক্ষার্থী অনুকূল রায় বলেন, ‘এখানে আমার প্রায় তিন হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আমি চেয়েছিলাম কম খরচে এটি বানাতে। আমাকে যদি টাকা দিয়ে সহযোগিতা করে সরকার তাহলে ছয় হাজার টাকা খরচ করলে কথা বলতে পারবে এই রোবটটি এবং প্রতিটা নাগরিক যেন এটাকে ব্যবহার করতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে।’

রোবটটি দেখতে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধবসহ উৎসুক জনতা প্রতিদিনই ভিড় করছেন। প্রয়োজনীয় অর্থ ও কারিগরি সহায়তা পেলে মেধাকে আরও কাজে লাগাতে চান অনুকূল চন্দ্র রায়।

ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. আজিজুল হক বলেন, ’এটা অবশ্যই আশাব্যাঞ্জক। আমাদের মতো এমন একটি দেশে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীরা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে নানা ধরনের নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিস্কার করছে। এতে আমরা আশাবাদী যে, আমাদের দেশ আগামীতে আরো উন্নত বাংলাদেশে পরিণত হবে।’ অনুকূল যদি সরকারী সহযোগিতা পায় তাহলে সে অবশ্যই ভাল কিছু করবে। আমরা আমাদের সর্বচ্ছ দিয়ে তাকে সহযোগিতা করব।

এ বিষয়ে অনুকুলের বাবা রনজিৎ রায় বলেন, ছেলেটা তার হাত খরচা বাচিঁয়ে এটা তৈরি করেছে। আমি কৃষক মানুষ ওর পিছনে এত টাকা খরচ করার অবস্থা আমার নেই। সে ছোট থেকে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে চাইত। সরকারী সহযোগিতা পেলে ছেলেটি ভাল কিছু করতে পারবে। আপনারা ওর জন্য আর্শিবাদ করবেন ও যেন ভাল কিছু করতে পারে, ভবিষ্যতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খানসামায় রোবট তৈরি করলেন, স্কুল শিক্ষার্থী অনুকূল

আপডেট সময় : ০৮:২২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

রোবট বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন, খানসামা উপজেলার ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের রনজিৎ রায়ের ছেলে অনুকূল রায়। তার তৈরি রোবটটি কথা বলতে না পারলেও সামনে-পিছনে এগিয়ে যাওয়া ও হাতের বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি সবকিছু করতে পারে সমান তালে। সহযোগিতা পেলে এমন আরও দৃষ্টান্তমূলক কাজ করবে জানান অনুকূল রায়।

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় আঙ্গারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনুকূল রায়। অষ্টম শ্রেণী থেকেই কিছু একটা করার আশায় বিভিন্ন ধরনের আবিস্কার করে আসছিলেন অনুকূল রায় । সরকারী সহযোগিতা পেলে ভিন্ন কিছু উপহার দিতে চায় দেশবাসীকে। রোবটটি তৈরি করতে ৯ মাসের চেষ্টায় আসে সাফল্য।

রোবট তৈরিকারী শিক্ষার্থী অনুকূল রায় বলেন, ‘এখানে আমার প্রায় তিন হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আমি চেয়েছিলাম কম খরচে এটি বানাতে। আমাকে যদি টাকা দিয়ে সহযোগিতা করে সরকার তাহলে ছয় হাজার টাকা খরচ করলে কথা বলতে পারবে এই রোবটটি এবং প্রতিটা নাগরিক যেন এটাকে ব্যবহার করতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে।’

রোবটটি দেখতে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধবসহ উৎসুক জনতা প্রতিদিনই ভিড় করছেন। প্রয়োজনীয় অর্থ ও কারিগরি সহায়তা পেলে মেধাকে আরও কাজে লাগাতে চান অনুকূল চন্দ্র রায়।

ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. আজিজুল হক বলেন, ’এটা অবশ্যই আশাব্যাঞ্জক। আমাদের মতো এমন একটি দেশে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীরা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে নানা ধরনের নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিস্কার করছে। এতে আমরা আশাবাদী যে, আমাদের দেশ আগামীতে আরো উন্নত বাংলাদেশে পরিণত হবে।’ অনুকূল যদি সরকারী সহযোগিতা পায় তাহলে সে অবশ্যই ভাল কিছু করবে। আমরা আমাদের সর্বচ্ছ দিয়ে তাকে সহযোগিতা করব।

এ বিষয়ে অনুকুলের বাবা রনজিৎ রায় বলেন, ছেলেটা তার হাত খরচা বাচিঁয়ে এটা তৈরি করেছে। আমি কৃষক মানুষ ওর পিছনে এত টাকা খরচ করার অবস্থা আমার নেই। সে ছোট থেকে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে চাইত। সরকারী সহযোগিতা পেলে ছেলেটি ভাল কিছু করতে পারবে। আপনারা ওর জন্য আর্শিবাদ করবেন ও যেন ভাল কিছু করতে পারে, ভবিষ্যতে।