সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান সিলেট অস্ত্র ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক উদ্ধার সিলেটে নতুন জেলা প্রশাসক- রেজা হাসান সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু,নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার- শিক্ষামন্ত্রী লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প সিলেটের সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলের মৃত্যুতে শোকবার্তা সিলেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ – বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিসির দেয়া ৫ লাখ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন সিলেট হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন

ঈদে খাবারে যেসব সতর্কতা মানবেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

 লাইফস্টাইল ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ঈদের দিন রকমারি খাবারের আয়োজন থেকে থাকে। পছন্দের খাবার কোনটি থেকে কোনটি খাওয়া হয়, তা নিয়ে কোনো ভাবার সময় থাকে না। কেউ কেউ আবার পছন্দের খাবার অতিরিক্তও খেয়ে ফেলেন। ফলে অনেকের আবার হজমজনিত সমস্যা হয়।ঈদে কেউ ঝালজাতীয় খাবার বেশি খেয়ে থাকেন, আবার কেউ মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খান। কেউ একসঙ্গে দুটি খাবারই খেয়ে থাকেন। এ কারণে গ্যাস-অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা হয়ে থাকে। এ জন্য রমজান পরবর্তী খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম।

এ পুষ্টিবিদ বলেন, ঈদের দিন স্বাভাবিকভাবেই সবাই অনেক রিচ ফুড খেয়ে থাকেন। এদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর সেমাই-পায়েস ও জর্দাসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন। কেউ কেউ আবার গরু বা খাশির গোশত, লুচি-পরোটাও খেয়ে থাকেন। এসব খাবার আসলে একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। ঝাল ও মিষ্টিজাতীয় খাবার একসঙ্গে খাওয়ার ফলে হজমজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারও কারও আবার গলায় ঢোকর উঠে থাকে। এ সময় গলা ও বুক জ্বালা-পোড়া অনুভব হয়।

তিনি বলেন, রোজা শেষ হলে ঈদের দিন থেকেই অনেকেই কিছুক্ষণ পরপর খাবার খান। এ সময় খাদ্যতালিকায় কী থাকছে, সেটি খেয়াল রাখা জরুরি। তা না হলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হবে। একসঙ্গে দুই-তিন ধরনের গোশত খাওয়া যাবে না। এতে হঠাৎ প্রচুর ঘাম হতে পারে। ব্যক্তিক্ষেত্রে কখনো রক্তচাপজনিত সমস্যাও হয়ে থাকে। এমনটাও হয়ে থাকে যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়। আসলে রমজানে একমাস খাদ্যতালিকা মেনে চলা হলেও এরপর অনেকেই অনিয়মিত যা ইচ্ছে তাই খেয়ে থাকেন। এ সময় যেকোনো খাবারই পরিমিত খাওয়া উচিত।এ অবস্থায় করণীয় সম্পর্কেও কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম। 

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, যেকোনো খাবারই পরিমিত খেতে হবে। আর প্রধান খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সময়মত খেতে হবে। দুপুরের খাবার দুপুরেই খেতে হবে। দুপুরের খাবার বিকালে নয়। এমন অনেকেই আছেন দুপুরে ভাত না খেয়ে ফাস্টফুড, চাইনিজ বা রিচ ফুড খেয়ে থাকেন। ফলে তার ক্ষুধাভাব কমে যায়। একই সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর শূন্যতা থেকেই যায়।এ পুষ্টিবিদ বলেন, গোশত, রুটি বা লুচি খাওয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। প্রয়োজনে এক থেকে দুই ঘণ্টা পর খাওয়া যেতে পারে। গ্রীষ্মের এই সময় মাছ-মাংস প্রয়োজনের থেকে কখনোই বেশি খাওয়া ঠিক হবে না।

তিনি বলেন, এখন প্রচুর গরম পড়ছে। এ সময় খাদ্যতালিকায় মাছ-মাংসের পাশাপাশি সবজি রাখা উচিত। লাউ, চাল কুমড়া, ঝিঙা, পটল ইত্যাদি জাতীয় সবজি রাখতে পারেন। আর তরল খাবারের গুরুত্ব তো রয়েছেই। কারণ, রোজায় একমাস দিনে পানি খাওয়া হয় না। এ কারণে পানিশূন্যতার শঙ্কা থাকে। আবার ফ্রটুস সালাদ খেতে পারেন। কেউ কেউ অবশ্য বোরহানি ও টক দইও খেয়ে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈদে খাবারে যেসব সতর্কতা মানবেন

আপডেট সময় : ০৪:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪

 লাইফস্টাইল ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ঈদের দিন রকমারি খাবারের আয়োজন থেকে থাকে। পছন্দের খাবার কোনটি থেকে কোনটি খাওয়া হয়, তা নিয়ে কোনো ভাবার সময় থাকে না। কেউ কেউ আবার পছন্দের খাবার অতিরিক্তও খেয়ে ফেলেন। ফলে অনেকের আবার হজমজনিত সমস্যা হয়।ঈদে কেউ ঝালজাতীয় খাবার বেশি খেয়ে থাকেন, আবার কেউ মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খান। কেউ একসঙ্গে দুটি খাবারই খেয়ে থাকেন। এ কারণে গ্যাস-অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা হয়ে থাকে। এ জন্য রমজান পরবর্তী খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম।

এ পুষ্টিবিদ বলেন, ঈদের দিন স্বাভাবিকভাবেই সবাই অনেক রিচ ফুড খেয়ে থাকেন। এদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর সেমাই-পায়েস ও জর্দাসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন। কেউ কেউ আবার গরু বা খাশির গোশত, লুচি-পরোটাও খেয়ে থাকেন। এসব খাবার আসলে একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। ঝাল ও মিষ্টিজাতীয় খাবার একসঙ্গে খাওয়ার ফলে হজমজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারও কারও আবার গলায় ঢোকর উঠে থাকে। এ সময় গলা ও বুক জ্বালা-পোড়া অনুভব হয়।

তিনি বলেন, রোজা শেষ হলে ঈদের দিন থেকেই অনেকেই কিছুক্ষণ পরপর খাবার খান। এ সময় খাদ্যতালিকায় কী থাকছে, সেটি খেয়াল রাখা জরুরি। তা না হলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হবে। একসঙ্গে দুই-তিন ধরনের গোশত খাওয়া যাবে না। এতে হঠাৎ প্রচুর ঘাম হতে পারে। ব্যক্তিক্ষেত্রে কখনো রক্তচাপজনিত সমস্যাও হয়ে থাকে। এমনটাও হয়ে থাকে যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়। আসলে রমজানে একমাস খাদ্যতালিকা মেনে চলা হলেও এরপর অনেকেই অনিয়মিত যা ইচ্ছে তাই খেয়ে থাকেন। এ সময় যেকোনো খাবারই পরিমিত খাওয়া উচিত।এ অবস্থায় করণীয় সম্পর্কেও কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম। 

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, যেকোনো খাবারই পরিমিত খেতে হবে। আর প্রধান খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সময়মত খেতে হবে। দুপুরের খাবার দুপুরেই খেতে হবে। দুপুরের খাবার বিকালে নয়। এমন অনেকেই আছেন দুপুরে ভাত না খেয়ে ফাস্টফুড, চাইনিজ বা রিচ ফুড খেয়ে থাকেন। ফলে তার ক্ষুধাভাব কমে যায়। একই সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর শূন্যতা থেকেই যায়।এ পুষ্টিবিদ বলেন, গোশত, রুটি বা লুচি খাওয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। প্রয়োজনে এক থেকে দুই ঘণ্টা পর খাওয়া যেতে পারে। গ্রীষ্মের এই সময় মাছ-মাংস প্রয়োজনের থেকে কখনোই বেশি খাওয়া ঠিক হবে না।

তিনি বলেন, এখন প্রচুর গরম পড়ছে। এ সময় খাদ্যতালিকায় মাছ-মাংসের পাশাপাশি সবজি রাখা উচিত। লাউ, চাল কুমড়া, ঝিঙা, পটল ইত্যাদি জাতীয় সবজি রাখতে পারেন। আর তরল খাবারের গুরুত্ব তো রয়েছেই। কারণ, রোজায় একমাস দিনে পানি খাওয়া হয় না। এ কারণে পানিশূন্যতার শঙ্কা থাকে। আবার ফ্রটুস সালাদ খেতে পারেন। কেউ কেউ অবশ্য বোরহানি ও টক দইও খেয়ে থাকেন।