সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান জন সাধারণের অভিযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা, ২-৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর দেখা মিলল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিলেট মহানগরীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯২ সিলেটের শিক্ষিকার ভিডিও তদন্ত কমিটি নিয়ে হয়নি সিদ্ধান্ত প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সিলেট জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জনসেবা। সাংবাদিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন: বিভাগীয় কমিশনার  সিলেট তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সেলফ্লেস ইউকের চিকিৎসক দলের সাক্ষাৎ সিলেট নগরীতে সড়ক ও জনপথ সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যায়ক্রমে এ গ্রেডে উন্নীত করা হবে- এমপি মুক্তাদির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- ডা. শফিকুর রহমান

২০০ সেনাকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দিয়েছে রাশিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর হওয়ার পর দেশটির ২০০ জনের বেশি সেনাকে বিভিন্ন অপরাধে কারাদণ্ড দিয়েছে রাশিয়া। বোরবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য দিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। খবর দ্য গার্ডিয়ানেরল্যাভরভ বলেন, বিভিন্ন নৃশংসতামূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর দুই শতাধিক সদস্যকে দীর্ঘমেয়াদে কারাদণ্ডে দিয়েছেন রাশিয়ার বিভিন্ন আদালত।

২০২২ সালর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রার সামরিক আগ্রাসন শুরু করলে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ এনেছে। ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনী কর্তৃক যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে জাতিসংঘ। এসব অপরাধের মধ্যে অত্যাচার, ধর্ষণ ও শিশুদের নির্বাসনের ঘটনাও রয়েছে।

ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গত মার্চে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। পুতিনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনীয় শিশুদের জোরপূর্বক নির্বাসনের অভিযোগ তোলা হয়। তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে মস্কো।

শনিবার এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল অ্যান্ড্রি কোস্টিন বলেন, ন্যায়বিচারের পথে এ বছর আমাদের প্রধান সফলতা নিঃসন্দেহে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা। এটা একটি ঐতিহাসিক রায়। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হলো কোনো মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।রাশিয়ার মতো ইউক্রেনের বিরুদ্ধেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। যুদ্ধে রাশিয়ার সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০০ সেনাকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দিয়েছে রাশিয়া

আপডেট সময় : ১২:১৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর হওয়ার পর দেশটির ২০০ জনের বেশি সেনাকে বিভিন্ন অপরাধে কারাদণ্ড দিয়েছে রাশিয়া। বোরবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য দিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। খবর দ্য গার্ডিয়ানেরল্যাভরভ বলেন, বিভিন্ন নৃশংসতামূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর দুই শতাধিক সদস্যকে দীর্ঘমেয়াদে কারাদণ্ডে দিয়েছেন রাশিয়ার বিভিন্ন আদালত।

২০২২ সালর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রার সামরিক আগ্রাসন শুরু করলে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ এনেছে। ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনী কর্তৃক যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে জাতিসংঘ। এসব অপরাধের মধ্যে অত্যাচার, ধর্ষণ ও শিশুদের নির্বাসনের ঘটনাও রয়েছে।

ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গত মার্চে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। পুতিনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনীয় শিশুদের জোরপূর্বক নির্বাসনের অভিযোগ তোলা হয়। তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে মস্কো।

শনিবার এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল অ্যান্ড্রি কোস্টিন বলেন, ন্যায়বিচারের পথে এ বছর আমাদের প্রধান সফলতা নিঃসন্দেহে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা। এটা একটি ঐতিহাসিক রায়। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হলো কোনো মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।রাশিয়ার মতো ইউক্রেনের বিরুদ্ধেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। যুদ্ধে রাশিয়ার সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।