সিলেট অঞ্চলে আবারও বাড়ছে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি
- আপডেট সময় : ০২:০৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার :
সিলেট অঞ্চলের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। উজানে ভারতের আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় পানি বাড়ছে। গত কয়েকদিন অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল ছিল। পানি বাড়লেও সব পয়েন্টেই এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে বইছে সুরমা কুশিয়ারার পানি।
বুধবার (২৪ জুন) বিকালে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
বুধবার সকাল ৬টায় সুরমার পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ১১ দশমিক ৬০ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল। বিকাল তিনটায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৯৬ মিটার। এ পয়েন্টে সুরমা বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার।
সিলেট পয়েন্টে সকাল ৬টায় সুরমার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৯ দশমিক ৪৩ মিটার উচ্চতায়। বিকাল ৩টায় তা বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছিল ৯ দশমিক ৫৮ মিটার উচ্চতায়। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার।
আমলশীদ পয়েন্টে সকাল ৬টায় কুশিয়ারার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ১৩ দশমিক ৪২ ভাগ উচ্চতায়। সকাল ৯টায় তা বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছিল ১৩ দশমিক ৭৬ মিটার উচ্চতায়। এ পয়েন্টের দুপুর ১২টা ও ৩টার হিসাব দিতে পারেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানি বাড়তির দিকেই আছে। এ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ মিটার।
শেওলা পয়েন্টে সকাল ৬টায় কুশিয়ারার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ১১ দশমিক ১৯ মিটার উচ্চতায়। বিকাল ৩টায় তা বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছিল ১১ দশমিক ৬৯ মিটার উচ্চতায়। এ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৫ মিটার।
সকাল ৬টায় ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৯ দশমিক ১০ মিটার উচ্চতায়। বিকাল ৩টায় তা প্রবাহিত হচ্ছিল ৯ দশমিক ১৮ মিটার উচ্চতায়। এ পয়েন্টে নদীটির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৪৫ মিটার।
শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি সকাল ৬টায় প্রবাহিত হচ্ছিল ৭ দশমিক ৪০ মিটার উচ্চতায়। বিকাল ৩টায় প্রবাহিত হচ্ছিল ৭ দশমিক ৪৬ মিটার উচ্চতায়। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার।
এছাড়াও সিলেটের পাহাড়ী নদী সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাই নদীর পানি কখনো বাড়ছে কখনোবা কমছে।
আষাঢ়-শ্রাবণ বর্ষকাল। বৃষ্টিপাত এই দুই মাসেই বেশী হয়। আগামী কয়েকিদনের আবহাওয়া পূর্বাভাসেও বলা হয়েছে, সিলেট এবং আশাপাশ এলাকায় ভারী বৃষ্টির শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। মেঘালয় এবং আসামেও ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। তাই সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।























