সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’ এবং ‘জাতীয় প্রবাসী দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত সিলেট ইসলামিক ফাউন্ডেশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দু’আ মাহফিল পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় মডেল-বিভাগীয় কমিশনার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের সাজা ‘সমন্বিত উদ্যোগেই গড়ে উঠবে আধুনিক সিলেট’ – বাণিজ্যমন্ত্রী ত্রিতরঙ্গের বাদল সাঁঝের বর্ণাঢ্য আয়োজন ‘শ্রাবনের মেঘগুলো’ সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই সিলেটি সিলেট আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৫১ জন

রোজার ইফতারে সেরা ৫ মৌসুমি ফল–

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক ;

রোজার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে কী খাবেন—এ প্রশ্নের উত্তরে পুষ্টিবিদরা এক কথায় বলেন, মৌসুমি ফল রাখুন প্রথম সারিতে। কারণ মৌসুমি ফল শুধু টাটকাই নয়, এগুলো সহজপাচ্য, পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীর দ্রুত গ্রহণ করতে পারে।

বাংলাদেশে এখন বসন্তের শুরু, বাজারে উঠতে শুরু করেছে গ্রীষ্মের আগাম ফল। এ সময়ের সহজলভ্য কিছু ফল ইফতারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

১. তরমুজ

প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ তরমুজ সারাদিনের পানিশূন্যতা কাটাতে কার্যকর। এতে থাকা লাইকোপিন ও ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইফতারে ১–২ টুকরো তরমুজ শরীরকে দ্রুত রিহাইড্রেট করে এবং সতেজ অনুভূতি দেয়।

২. কলা

সহজলভ্য ও শক্তিদায়ক ফল কলা। এতে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং পেশির দুর্বলতা কমায়। একটি মাঝারি আকারের কলা ইফতারে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।

৩. পেঁপে

হজমে সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ পেঁপে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার পর পেটের জন্য আরামদায়ক। এটি হালকা, সহজপাচ্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়ক।

৪. আনারস

ভিটামিন সি ও ব্রোমেলিন এনজাইমে সমৃদ্ধ আনারস হজমে সাহায্য করে। তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তারা পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

৫. ডাবের পানি ও মাল্টা

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটের উৎস, যা শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে কার্যকর। মাল্টা বা কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

কেন মৌসুমি ফলই সেরা?

মৌসুমি ফল সাধারণত বেশি টাটকা থাকে, কম সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসে এবং পুষ্টিমান তুলনামূলক ভালো থাকে। এতে প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ভারসাম্য থাকে, যা রোজা ভাঙার পর শরীরকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ভাজাপোড়া দিয়ে ইফতার শুরু না করে ফল দিয়ে শুরু করলে হজম ভালো হয়, রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে।

সুতরাং, ইফতারের টেবিলে এক বাটি মৌসুমি ফল রাখতে পারলেই মিলবে স্বস্তি, পুষ্টি ও সতেজতা—তিনটিই একসঙ্গে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রোজার ইফতারে সেরা ৫ মৌসুমি ফল–

আপডেট সময় : ০৪:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক ;

রোজার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে কী খাবেন—এ প্রশ্নের উত্তরে পুষ্টিবিদরা এক কথায় বলেন, মৌসুমি ফল রাখুন প্রথম সারিতে। কারণ মৌসুমি ফল শুধু টাটকাই নয়, এগুলো সহজপাচ্য, পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীর দ্রুত গ্রহণ করতে পারে।

বাংলাদেশে এখন বসন্তের শুরু, বাজারে উঠতে শুরু করেছে গ্রীষ্মের আগাম ফল। এ সময়ের সহজলভ্য কিছু ফল ইফতারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

১. তরমুজ

প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ তরমুজ সারাদিনের পানিশূন্যতা কাটাতে কার্যকর। এতে থাকা লাইকোপিন ও ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইফতারে ১–২ টুকরো তরমুজ শরীরকে দ্রুত রিহাইড্রেট করে এবং সতেজ অনুভূতি দেয়।

২. কলা

সহজলভ্য ও শক্তিদায়ক ফল কলা। এতে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং পেশির দুর্বলতা কমায়। একটি মাঝারি আকারের কলা ইফতারে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।

৩. পেঁপে

হজমে সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ পেঁপে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার পর পেটের জন্য আরামদায়ক। এটি হালকা, সহজপাচ্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়ক।

৪. আনারস

ভিটামিন সি ও ব্রোমেলিন এনজাইমে সমৃদ্ধ আনারস হজমে সাহায্য করে। তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তারা পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

৫. ডাবের পানি ও মাল্টা

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটের উৎস, যা শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে কার্যকর। মাল্টা বা কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

কেন মৌসুমি ফলই সেরা?

মৌসুমি ফল সাধারণত বেশি টাটকা থাকে, কম সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসে এবং পুষ্টিমান তুলনামূলক ভালো থাকে। এতে প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ভারসাম্য থাকে, যা রোজা ভাঙার পর শরীরকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ভাজাপোড়া দিয়ে ইফতার শুরু না করে ফল দিয়ে শুরু করলে হজম ভালো হয়, রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে।

সুতরাং, ইফতারের টেবিলে এক বাটি মৌসুমি ফল রাখতে পারলেই মিলবে স্বস্তি, পুষ্টি ও সতেজতা—তিনটিই একসঙ্গে।