ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এখনো আক্রমণের মুখে: সম্পাদক পরিষদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাষ্টের মাসবপ্যাপী সেহরি বিতরণ চলমান খালখনন কর্মসূচি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : এমপি এম এ মালিক হবিগঞ্জ মাধবপুরে ১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩ সিলেট বিয়ানীবাজারে ৭০ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ সিলেটের টেস্টি ট্রিটকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা সিলেটের হুমায়ূন কবীর পেলেন তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সিলেটের কায়সার-ডিজিএফআই’র মহাপরিচালক কুশিয়ারায় কয়েকটি বসতবাড়ি বিলীন, খবর শুনে মধ্যরাতেই ছুটে গেলেন এমপি এমরান চৌধুরী মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন,একনেকসহ তিন কমিটির সদস্য খন্দকার মুক্তাদির সিলেট নগরীর নাগরিক সেবা আরও জোরদার করা হবে – কাইয়ুম চৌধুরী সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিলেটে কৃষকদের মাঝে এলএসটিডি প্রকল্পের উদ্যোগে ব্রি নিড়ানি যন্ত্র বিতরণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সদর উপজেলার পাইকরাজ প্রযুক্তি গ্রামে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ব্রি নিড়ানি যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর স্যাটেলাইট স্টেশন, সিলেটের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন, সিলেটের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রেজওয়ান ভুঁইয়া, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোসা. আবিদা সুলতানা এবং সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফজলে মঞ্জুর ভুঁইয়া।

ড. রেজওয়ান ভুঁইয়া বলেন, এলএসটিডি প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সরাসরি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষিকাজ হবে আরও টেকসই ও লাভজনক।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোসা. আবিদা সুলতানা জানান, নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা স্বল্প সময়ে ও কম খরচে জমি আগাছামুক্ত রাখতে পারবেন। এতে শ্রম সাশ্রয়ের পাশাপাশি ফলনের পরিমাণ ও গুণগত মান উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফজলে মঞ্জুর ভুঁইয়া বলেন, কৃষকদের জন্য এ ধরনের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহারে জমির পরিচর্যা সহজ হচ্ছে এবং ফলন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, ব্রি নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহারের ফলে জমি দ্রুত ও কার্যকরভাবে আগাছামুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এতে শ্রম ও সময় সাশ্রয় হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় কমছে এবং অধিক ফলন নিশ্চিত করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের দূরদর্শী পরিকল্পনা ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের ধান উৎপাদনকে আরও টেকসই, লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব করার পাশাপাশি কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এলএসটিডি প্রকল্পের এ কার্যক্রমকে স্থানভিত্তিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে কৃষকদের মাঝে এলএসটিডি প্রকল্পের উদ্যোগে ব্রি নিড়ানি যন্ত্র বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

সিলেট সদর উপজেলার পাইকরাজ প্রযুক্তি গ্রামে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ব্রি নিড়ানি যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর স্যাটেলাইট স্টেশন, সিলেটের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন, সিলেটের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রেজওয়ান ভুঁইয়া, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোসা. আবিদা সুলতানা এবং সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফজলে মঞ্জুর ভুঁইয়া।

ড. রেজওয়ান ভুঁইয়া বলেন, এলএসটিডি প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সরাসরি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষিকাজ হবে আরও টেকসই ও লাভজনক।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোসা. আবিদা সুলতানা জানান, নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা স্বল্প সময়ে ও কম খরচে জমি আগাছামুক্ত রাখতে পারবেন। এতে শ্রম সাশ্রয়ের পাশাপাশি ফলনের পরিমাণ ও গুণগত মান উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফজলে মঞ্জুর ভুঁইয়া বলেন, কৃষকদের জন্য এ ধরনের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহারে জমির পরিচর্যা সহজ হচ্ছে এবং ফলন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, ব্রি নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহারের ফলে জমি দ্রুত ও কার্যকরভাবে আগাছামুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এতে শ্রম ও সময় সাশ্রয় হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় কমছে এবং অধিক ফলন নিশ্চিত করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের দূরদর্শী পরিকল্পনা ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের ধান উৎপাদনকে আরও টেকসই, লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব করার পাশাপাশি কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এলএসটিডি প্রকল্পের এ কার্যক্রমকে স্থানভিত্তিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।